পুরুষসিংহ = পুরুষ সিংহের ন্যায়-উপমিত কর্মধারয়
আনন্দসাগর = আনন্দ রূপ সাগর-রূপক কর্মধারয়
দশানন = দশ আনন যার -বহুব্রীহি
উপনগরী = নগরীর সমীপে -অব্যয়ীভাব
Related Question
View Allঅনশন = ন অশন = নঞ তৎপুরুষ সমাস
সপ্তর্ষি = সপ্ত ঋষির সমাহার = দ্বিগু সমাস
পরানপাখি = পরান রূপ পাখি = রূপক কর্মধারয় সমাস
হাটবাজার = হাট ও বাজার = দ্বন্দ্ব সমাস
আয়কর = আয়ের উপর কর = মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ বা একপদীকরণ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে ।
বাংলাভাষায় সমাসের প্রয়োজনীয়তাঃ
ভাষা সংক্ষিপ্তকরণঃ সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে। যেমন: মাস্টার সাহেবের ঘরে আশ্রিত জামাই বাষ্প চালিত যানে ঢাকা গেলেন। না বলে সংক্ষিপ্তাকারে আমরা বলতে পারি - মাস্টার সাহেবের ঘরজামাই বাষ্পযানে ঢাকা গেলেন।
নতুন শব্দ গঠনঃ সমাস নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: জায়া ও পতি মিলে নতুন শব্দ দম্পতি
ভাষার শ্রুতিমধুরতা বৃদ্ধিঃ সমাস ভাষাকে শ্রুতিমধুর, প্রাঞ্জল ও ছন্দময় করে তোলে। যেমনঃ 'রাজা সিংহ চিহ্নিত আসনে বসে আছেন' না বলে ‘রাজা সিংহাসনে বসে আছেন' বললে বাক্যটি শ্রুতিমধুর হয়।
তুলনাকরণঃ দুই পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতেও সমাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন: বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু সহচর শব্দ গঠনঃ সমাসের মাধ্যমে সহচর শব্দ গঠিত হয়। যেমন: সোনা ও রুপা = সোনারুপা ।
রাজর্ষি = যিনি রাজা তিনিই ঋষি (কর্মধারয় সমাস)।
অহি-নকুল = অহি ও নকুল (দ্বন্দ্ব সমাস)।
সতীর্থ = সমান তীর্থ যাদের (বহুব্রীহি সমাস)।
শিক্ষামন্ত্রী = শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী (মধ্যপদলোপী কর্মধারয়)।
প্রগতি = প্র (প্রকৃষ্ট) গতি (প্রাদি সমাস)।
বাংলা ভাষায় সমাসের প্রয়োজনীয়তা
১. সমাসের মাধ্যমে অনেক নতুন শব্দ গঠন করা যায়
২. ভাষাকে সহজ-সরল সংক্ষিপ্ত শ্রুতিমধুর করা যায়।
৩. অল্প কথায় ব্যাপক ভাব প্রকাশ করা যায়।
৪. সহজভাবে শব্দ উচ্চারণ করা যায়
৫. বক্তব্যকে সুন্দর - অর্থবহ তাৎপর্যপূর্ণ করা যায়।
৬.ব্যাক্যকে গতিশীল করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!