ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হলে আমাদের নিচের কাজগুলো করা উচিত-
সম্পদের অতি ব্যবহার কমানো সম্পদ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়া প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের একটি ভালো উপায়। যেমন-প্রয়োজন শেষে বৈদ্যুতিক বাতির সুইচ বন্ধ করা; ধোয়ামোছা বা গোসলের সময় পানির অপচয় রোধ করা।
সম্পদের পুনর্ব্যবহার করা: ব্যবহৃত কোনো জিনিসকে ফেলে নাদিয়ে আমরা অন্য কোনো কাজে এর পুনর্ব্যবহার করতে পারি। যেমন- পুরোনো কাপড়, খেলনা ফেলে না দিয়ে অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়া। প্লাস্টিকের ফেলে দেওয়া বোতল বা কৌটা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা। কোনো জিনিস ভেঙে গেলে তা মেরামত করে ব্যবহার করা।
সম্পদের পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা: রিসাইকেল বা সম্পদের পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে পুরোনো বস্তুকে নতুন রূপ দেওয়া যায়। কাগজ, প্লাস্টিক, গ্লাস ও বিভিন্ন ধাতু পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ করে প্রাকৃতিক সম্পদের উপর চাপ কমানো সম্ভব। যেমন- পুরানো কাগজ থেকে মণ্ড তৈরি করে পুনরায় কাগজ তৈরি করে ব্যবহার করা।
অনবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার কমানো : প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের একটি ভালো উপায় হলো, অনবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য সম্পদ যেয়ন- সূর্যের আলো, বায়ুপ্রবাহ, পানির স্রোত ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করা।
Related Question
View Allপ্রকৃতিতে গাওয়া যায় এমন যা কিছু মানুষের কাজে লাগে তাই প্রাকৃতিক সম্পদ ।
অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায়।
প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ প্রাপ্তি নিশ্চিত করে।
মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে পরিবেশের উপাদানগুলো দূষিত হয়।
আমরা শক্তির ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করতে পারি।
আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে সবই সম্পদ ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!