ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এর প্রতিষ্ঠাতা কে?

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এর প্রতিষ্ঠাতা অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম । 

577

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইলবার্ট বিল ছিল ১৮৮৩ সালে ব্রিটিশ ভারতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপনের আইন বিষয়ক সদস্য স্যার কোর্টেনি ইলবার্ট কর্তৃক উত্থাপিত একটি আইন প্রস্তাব। এই বিলের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিচার বিভাগে ইউরোপীয় ও ভারতীয় বিচারকদের মধ্যে বিদ্যমান জাতিগত বৈষম্য দূর করা।

এই বিল পাস হলে ভারতীয় বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্রিটিশ নাগরিকদের বিচার করার ক্ষমতা লাভ করতেন, যা পূর্বে শুধুমাত্র ইউরোপীয় বিচারকদের জন্যই সংরক্ষিত ছিল। তবে, বিলটি ইউরোপীয়দের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়ে, যা 'ইলবার্ট বিল বিতর্ক' নামে পরিচিত। শেষ পর্যন্ত এই বিলটি সংশোধন করে এর মূল উদ্দেশ্য অনেকাংশেই সীমিত করে ফেলা হয়, যা ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বর্ণবাদী চরিত্রকে স্পষ্ট করে তোলে এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে আরও শক্তিশালী করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের জার্মানির ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের কোরিয়ার বিভক্তি ও একত্রীকরণের আকাঙ্ক্ষার সাদৃশ্য রয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর জার্মানির মতো কোরিয়াও রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে দুটি ভাগে বিভক্ত হয়। মিত্রশক্তির দেশগুলো নিজেদের প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে কোরিয়ার উত্তরাংশে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও দক্ষিণাংশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরকার গঠন করে, যা পরবর্তীকালে সমাজতান্ত্রিক উত্তর কোরিয়া ও পুঁজিবাদী দক্ষিণ কোরিয়ায় রূপ নেয়। এই বিভক্তিই দুই কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও বৈরিতার জন্ম দেয়।

উদ্দীপকে যেমন রাজনৈতিক মতাদর্শগত কারণে জার্মানি দুটি অংশে বিভক্ত হয়েছিল এবং বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ দুর্বল হয়ে পড়লে পুনরায় একত্রিত হয়েছিল, তেমনি কোরিয়ার ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক মতাদর্শই বিভক্তির মূল কারণ ছিল। জার্মানির মতো কোরিয়ার বিভক্তিও ঠান্ডা যুদ্ধের (Cold War) একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে চিহ্নিত করে। যদিও কোরিয়ার একত্রীকরণ এখনো সম্পন্ন হয়নি, উভয় দেশের ক্ষেত্রেই বিভক্তির প্রেক্ষাপট ও একত্রীকরণের আকাঙ্ক্ষা প্রবলভাবে বিদ্যমান এবং এর মূলে রয়েছে রাজনৈতিক ও আদর্শগত প্রভাব।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
755
উত্তরঃ

‘Divide and Rule’ বা ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতি ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের একটি সুদূরপ্রসারী কৌশল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারত উপমহাদেশে নিজেদের শাসন দীর্ঘায়িত করা। এই নীতির মাধ্যমে ব্রিটিশরা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায় এবং ভাষার ভিত্তিতে বিভেদ তৈরি করে তাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে দুর্বল করতে চেয়েছিল। এই কৌশলটি ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল, যার ফলে তারা প্রায় দুই শত বছর ধরে ভারতবর্ষ শাসন করতে সক্ষম হয়।

উদ্দীপকে জার্মানির রাজনৈতিক মতাদর্শগত কারণে বিভক্ত হয়ে দুটি পৃথক রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া এবং পরবর্তীতে সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ দুর্বল হওয়ার পর তাদের একত্রীকরণের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও জার্মানির এই বিভাজন ব্রিটিশদের ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতির প্রত্যক্ষ ফলাফল ছিল না, এটি রাজনৈতিক আদর্শ ও শক্তির ভারসাম্যের কারণে সৃষ্ট বিভক্তির একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এই ঘটনাটি আমাদেরকে বোঝাতে সাহায্য করে যে কীভাবে একটি জাতি বা অঞ্চল বিভক্ত হলে তা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বাহ্যিক শক্তির প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়। ব্রিটিশরা ঠিক এই দুর্বলতাকেই পুঁজি করে নিজেদের সাম্রাজ্য বিস্তারে ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতি প্রয়োগ করেছিল, যা জার্মানির বিভক্তির মতো প্রাকৃতিক বা আদর্শিক বিভাজন থেকে ভিন্ন হলেও, এর ফলাফল হিসেবে সৃষ্ট বিভেদ ও দুর্বলতা সাম্রাজ্যবাদী শাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করত।

ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে ক্ষমতা দখলের পর বুঝতে পারে যে, এত বিশাল এবং বৈচিত্র্যময় একটি দেশকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে যদি না তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা যায়। তাই তারা সচেতনভাবে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস সৃষ্টি করে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ছিল এই নীতির একটি বড় উদাহরণ, যেখানে বাংলাকে ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ নামে দুটি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়েছিল। ব্রিটিশরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ববঙ্গকে সমর্থন দিয়েছিল এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। এছাড়াও, তারা বিভিন্ন ছোট ছোট রাজ্য ও জমিদারদের মধ্যে বিরোধ উসকে দিয়ে এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করত। মুসলিম লীগ গঠনের পেছনেও ব্রিটিশদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল, যা পরবর্তীতে ভারত বিভাজনের পথ সুগম করে।

সুতরাং, জার্মানির বিভাজন যেখানে ভূ-রাজনৈতিক ও আদর্শিক কারণে সংঘটিত হয়েছিল, সেখানে ব্রিটিশদের ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতি ছিল একটি উদ্দেশ্যমূলক রাজনৈতিক কৌশল। ব্রিটিশরা নিজেদের শাসন ক্ষমতাকে অটুট রাখার জন্য পরিকল্পিতভাবে ভারতীয় জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের শক্তিকে খর্ব করে দিয়েছিল। উদ্দীপকের ঘটনাটি পরোক্ষভাবে এই বিভাজনের ক্ষমতা এবং এর সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়, যা ব্রিটিশদের ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতির কার্যকারিতা এবং ঐতিহাসিক পরিণতিকে আরও গভীরভাবে অনুধাবনে সহায়তা করে। এই নীতি কেবল শাসন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতেই নয়, বরং একটি জাতিকে দীর্ঘকাল ধরে পরাধীন করে রাখার ক্ষেত্রেও একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews