'মঙ্গল' শব্দের অর্থ শুভ বা ভালো। আমরা নিজের ও অন্যের শুভবা ভালো হোক কামনা করে থাকি। একে মঙ্গল কামনা বলে। যেমন আচরণ বা কর্ম কারও. ক্ষতির কারণ না হয়ে বরং হিতসাধন করে থাকে তাই মঙ্গল। যেমন- কোনো কাজ শুরুর পূর্বে ঈশ্বরের স্মরণ করা।
গৌতম বুদ্ধ ধর্মোপদেশ দেওয়ার সময় বিভিন্ন সূত্র ও নীতিগাথা ভাষণ করেছেন। এসব সূত্র ও নীতিগাথায় মঙ্গলকর্ম সম্পাদন এবং নৈতিক জীবনযাপনের নির্দেশনা আছে। ত্রিপিটকের অন্তর্গত সূত্রপিটকে মূলত নীতিগাথাসমূহ সংরক্ষিত আছে। এ অধ্যায়ে খুদ্দকপাঠ ও ধর্মপদ গ্রন্থের পরিচিতি, মঙ্গলসূত্র ও দণ্ডবর্গের পটভূমি এবং বিষয়বস্তু পড়ব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
- খুদ্দকপাঠ ও ধর্মপদ গ্রন্থের পরিচিতি প্রদান করতে পারব;
- মঙ্গলসূত্র বাংলা অর্থসহ পালি ভাষায় বলতে পারব;
- মঙ্গল সূত্রের পটভূমি এবং কীসে মঙ্গল হয় তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
- দণ্ডবর্গের বিষয়বস্তু বর্ণনা করতে পারব;
- দণ্ডবর্গ অনুসারে দণ্ডের পরিণাম মূল্যায়ন করতে পারব।
Related Question
View Allত্রিপিটকের অন্তর্গত সূত্রপিটকে মূলত নীতিগাথাসমূহ সংরক্ষিত আছে।
ধর্মপদের অর্থ সঠিক পথ বা ধর্মের পথ। এ গ্রন্থের গাথাগুলো মানুষকে ধর্মের পথে বা সঠিক পথে পরিচালিত করে। তাই এ গ্রন্থের নাম ধর্মপদ।
'দণ্ড' অর্থ শান্তি। অন্যায় বা অপরাধ করলে শাস্তি দেওয়া হয়। ধর্মপদের দশম অধ্যায়ে 'দণ্ডবর্গ' বর্ণিত হয়েছে।
মাতা-পিতার সেবা করা, স্ত্রী ও পুত্রদের উপকার করা এবং নিষ্পাপ ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা উত্তম মঙ্গল।
'খুদ্দকপাঠ' শব্দের অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত পাঠ। বুদ্ধের ধর্মোপদেশসমূহ ত্রিপিটকের বিভিন্ন গ্রন্থে সংরক্ষিত আছে। খুদ্ধকপাঠ হচ্ছে সেই সূত্রপিঠকের অন্তর্গত খুদ্দক নিকারের প্রথম গ্রন্থ। যেখানে বিভিন্ন মঙ্গলসূত্র পাওয়া যায়। এখানের মঙ্গলসূত্রগুলোতে শুভ-অশুভের জ্ঞান প্রদান করা হয়েছে।
ধর্মপদ হচ্ছে সূত্রপিঠকের অন্তর্গত খুদ্দক নিকারের দ্বিতীয় গ্রন্থ। ধর্মপদে বুদ্ধ ভাষিত বিভিন্ন গাথা পাওয়া যায়। ধর্মপদের অর্থ সঠিক পথ বা ধর্মের, পথ। এ গ্রন্থের গাথাগুলো মানুষকে ধর্মের পথে বা সঠিক পথে পরিচালিত করে। তাই এ গ্রন্থের নাম ধর্মপদ। এখানে ২৬টি অধ্যায়ে ৪২৩টি গাথা রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!