হাড়ের সংযোগ স্থান সঞ্চালনের সময় হঠাৎ মচকে গেলে বা বেঁকে গেলে সংযোগ স্থান সংলগ্ন স্নায়ুতন্ত্রের ওপর টান পড়ে বা ছিঁড়ে গিয়ে যে অসুবিধার সৃষ্টি হয় তাকে মচকানো বলে। নিচে এর প্রাথমিক প্রতিবিধান উল্লেখ করা হলো-
i.আঘাতের সাথে সাথে আহত স্থানে ঠান্ডা পানি বা বরফ লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
ii. আহত স্থানটি নড়াচড়া করা যাবে না।
iii. মচকানো স্থানটি যথাসম্ভব আরামদায়ক অবস্থায় রাখতে হবে।
iv. আহত স্থানে হাড়ভাঙার ব্যান্ডেজ প্রয়োগ করতে হবে।
V.ব্যান্ডেজ সব সময় ভিজা রাখতে হবে। সম্ভব হলে বরফ লাগাতে হবে।
vi. মাংসপেশি মচকে গেলে রোগীকে সহজ ও আরামদায়ক অবস্থায় শোয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
vii. যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোগীকে ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
Related Question
View Allস্কাউট ও গার্ল গাইড হলো বিশ্বব্যাপী একটি অরাজনৈতিক সমাজসেবামূলক যুব আন্দোলন। এটি প্রতিষ্ঠা করেন তৎকালীন বৃটিশ সেনাবাহিনীর ল্যাফটেন্যান্ট জেনারেল লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল। তিনি ১৯০৭ সালে স্কাউট এবং ১৯১০ সালে গার্ল গাইড ধারণার প্রবর্তন করেন। স্কাউটিং কার্যক্রম বালকদের আত্মনির্ভর ও সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে সহায়তা করে। গাইডিং মেয়েদেরকে ব্যক্তিত্ব বিকাশে সাহায্য করে এবং সেবামূলক কাজ করার শিক্ষা দেয়।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশে স্কাউট ও গার্ল গাইড প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে ১ জুন বিশ্ব স্কাউট সংস্থা বাংলাদেশ, বয় স্কাউট সমিতিকে ১০৫তম সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। ১৯৭৩ সালে গার্ল গাইড বিশ্ব গার্ল গাইড এ্যাসোসিয়েশন পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশের রাজধানী বেইলি রোডে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
গার্ল গাইড হলো বিশ্বব্যাপী একটি অরাজনৈতিক সমাজসেবামূলক যুব আন্দোলন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে গার্ল গাইড এর কার্যক্রম শুরু হয়। গার্ল গাইডের কর্মসূচিগুলো হলো- ১. দুঃস্থ মানবতার সেবা; ২০ নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়ন; ৩. সুসমন্বিত শারীরিক ও মানসিক বিকাশ; ৪. ধর্মীয় সহনশীলতা প্রভৃতি।
যেকোনো আকস্মিক দুর্ঘটনায় প্রথম শুশ্রুষা এবং সংক্ষিপ্ত উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণকে প্রাথমিক চিকিৎসা বলে। প্রাথমিক চিকিৎসা চিকিৎসাশাস্ত্রের একটি অংশ। প্রাথমিক চিকিৎসা দ্বারা হঠাৎ কোনো পীড়া বা দৈব দুর্ঘনায় হাতের কাছের জিনিসের দ্বারা রোগীকে প্রাথমিকভাবে সাহায্য করা যায়। যেমন: অজ্ঞান হওয়া ব্যক্তির চোখে মুখে পানির ঝাপটা দেওয়া।
গার্লস গাইডে দীক্ষাপ্রাপ্ত হওয়ার পর টেন্ডারফুট ব্যাজ দেওয়া হয়। টেন্ডারফুট ব্যাজকে প্রতিজ্ঞা ব্যাজও বলে। শাড়িতে যদি ব্যাজ লাগানো অসুবিধা হয় তা হলে ব্লাউজের কলারের বাম দিকে এই ব্যাজ লাগাতে হয়। এই ব্যাজের উপর অন্য কোন ব্যাজ লাগানো যায় না। টেন্ডারফুট পরীক্ষায় পাশ করার পর ফুল ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় এই ব্যাজ পরা যায়।
শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। সেই ক্ষত হতে যে রক্ত বের হয় তাকে রক্তক্ষরণ বলে। বিভিন্নভাবে রক্তক্ষরণ হতে পারে যেমন: ১. মুখ দিয়ে রক্ত পড়া; ২. নাক দিয়ে রক্ত পড়া; ৩. শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে রক্ত পড়া ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
