২৬ এপ্রিল, ২০২৬
বরাবর,
চেয়ারম্যান,
নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ,
নওগাঁ।
বিষয়: নজিপুরে একটি পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন।
জনাব,
যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা নওগাঁ জেলার নজিপুর এলাকার বাসিন্দা। আমাদের এই জনবহুল এলাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বহু পাঠক থাকলেও জ্ঞানচর্চার জন্য কোনো আধুনিক পাঠাগার নেই ।
বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্ম বই পড়ার অভ্যাস থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যার ফলে তারা ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবের শিকার হচ্ছে। এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতির মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞান বৃদ্ধি এবং তরুণদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে একটি পাবলিক লাইব্রেরি বা পাঠাগার স্থাপন অত্যন্ত জরুরি । একটি পাঠাগার বই ক্লাব, শিক্ষামূলক কর্মশালা এবং জ্ঞানভিত্তিক চর্চার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন, আমাদের এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের জ্ঞান চর্চার কথা বিবেচনা করে, নজিপুরে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বা পৃষ্ঠপোষকতায় একটি পাঠাগার স্থাপন করে আমাদের কৃতার্থ করবেন।
বিনীত,
আপনার অনুগত,
রাকিব
নজিপুর, নওগাঁ।
[এলাকাবাসীর পক্ষে]
Related Question
View Allযশোর,
২৬ এপ্রিল, ২০২৬
প্রিয় আবিদ,
আমার প্রীতি ও ভালোবাসা নিও। আশা করি তুই রাজশাহীতে ভালো আছিস এবং পড়াশোনা ঠিকমতো চলছে। অনেকদিন হয়ে গেল আমাদের দেখা হয় না, তোর জন্য খুব মন খারাপ করে। তোকে গত সপ্তাহে যশোরাধিপতি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পৈতৃক বাড়ি (মধুপল্লী) ভ্রমণের এক দারুণ অভিজ্ঞতার কথা জানাতেই আজ লিখতে বসেছি।
যশোর শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে কপোতাক্ষ নদের তীরে মহাকবির এই বাড়িটি অবস্থিত। আমি আব্বুর সাথে গত শুক্রবার সেখানে গিয়েছিলাম। বাড়ির ভেতরে ঢুকতেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি আমাকে গ্রাস করল। বাড়িটি আগের মতোই পুরনো ইটের গাঁথুনি এবং জমিদারী আমলের স্থাপত্যে সাজানো। বাড়িটিকে এখন যাদুঘর করা হয়েছে ।
সেখানে গিয়ে কবির ব্যবহৃত অনেক জিনিস দেখার সুযোগ হলো—তাঁর বসার ঘর, পড়ার টেবিল, বিছানা ইত্যাদি। সবচেয়ে মুগ্ধ হয়েছি কবির গ্রন্থাগারটি দেখে। কবির জন্মভিটায় এখন প্রতি বছর ২৫ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহব্যাপী ‘মধুমেলার’ আয়োজন করা হয় । বাড়িটির পেছনেই বয়ে চলা কপোতাক্ষ নদ দেখে কবি মধুসূদনের সেই বিখ্যাত কবিতার লাইনগুলো—"সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে"—আমার বারবার মনে পড়ছিল।
কবির বাড়ি ঘুরে, কপোতাক্ষ নদের পাড়ে কিছুক্ষণ বসে, এক অসাধারণ অনুভূতি নিয়ে আমরা বাড়ি ফিরেছি। মনে হয়েছে, যেন সরাসরি ইতিহাসের পাতায় চলে গিয়েছিলাম। তোর যদি সুযোগ হয়, অবশ্যই একবার এসে ঘুরে যাস। তোকে ছাড়া জায়গাটা উপভোগ করা অসমাপ্ত থেকে গেল।
আজ আর নয়। তোর বাবা-মাকে আমার প্রণাম জানাস। তুই যখনি আসবি, তোকে ভরত রাজার দেউলসহ যশোরের অন্যান্য স্থানগুলো ঘোরাব। দ্রুত ফিরতি চিঠি লিখিস।
তোর বন্ধু,
আয়ান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!