গৌরীপুর, ময়মনসিংহ
২৫.০৬.২০২৫
প্রিয় রাহুল
অনেক দিন হলো তোমার কোনো খোঁজখবর জানি না। তুমি আমাকে ভুলেই গেছ নাকি? কত স্মৃতি তোমার সঙ্গে আমার। আমার তো তোমার, কথা সবসময়ই মনে পড়ে। কিছুদিন ধরে একটু ব্যস্ত আছি। কারণ, আমাদের স্কুলে এখন বিভিন্ন বিষয়ের উপর সেমিনার হচ্ছে। তারপরও এত ব্যস্ততার মাঝে কিছুটা সময় বের করে তোমাকে লিখতে বসেছি।
আজ স্কুলে যে বিষয়ের উপর সেমিনার হয়েছে তা হলো বৃক্ষরোপণ। সেমিনারে অংশগ্রহণ করে মনে হলো, আমি যেন নতুন করে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব উপলব্ধি করলাম। এতদিন আসলে বিষয়টি নিয়ে এভাবে চিন্তা করিনি। বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানীরা মনে করেন, একটি দেশের মূল আয়তনের শতকরা পঁচিশ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের দেশে মোট আয়তনের মাত্র ১৭ শতাংশ বনভূমি রয়েছে। অথচ বৃক্ষ না থাকলে পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যেত। কারণ, বৃক্ষের উপরই আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য নির্ভর করে। তাই সুস্থভাবে বেঁচে থাকার তাগিদে প্রত্যেককেই নিজের উৎসাহে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। আমরা এখন নবীন। এ বিষয়ে তাই আমাদের অনেক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। বৃক্ষরোপণের বিষয়টি যে এত গুরুত্বপূর্ণ তা হয়তো আমাদের মতো করে আগের মানুষেরা অনুভব করেনি। সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত বৃক্ষরোপণ করার উদ্যোগটি প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের নবীন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। বৃক্ষের গুরুত্ব সম্পর্কে সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন করতে হবে। দেশে যে হারে বৃক্ষনিধন চলছে তার প্রতিকারের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। যদি সত্যি সত্যি সকলেই বৃক্ষরোপণ শুরু করে তাহলে মরুকরণ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে আমরা রক্ষা পাব।
আজ আর নয়, যদিও আমার লেখা শেষ করতে ইচ্ছে করছে না। আমি আশা করব, এরপর থেকে তুমিও আমাকে নিয়মিত লিখবে। শুভকামনা রইল।
ইতি
তোমার বন্ধু
দুরন্ত
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!