মন্দির ও তীর্থক্ষেত্রের চারটি করে বৈশিষ্ট্য নিচে লেখা হলো-
মন্দিরের বৈশিষ্ট্য:
১. মন্দির হলো দেবালয়, যেখানে দেবতার পূজা হয়।
২. এটি আধ্যাত্মিক স্থান, যেখানে গেলে দেহ-মন পবিত্র হয়।
৩. মন্দিরের নাম দেবতার নাম বা স্থানের নাম অনুযায়ী হয়।
৪. ভক্তরা এখানে দেবতার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা ও ভক্তি নিবেদন করে।
তীর্থক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য:
১. তীর্থক্ষেত্র হলো পুণ্যস্থান, যা দেব-দেবী বা ঋষির স্মৃতিবিজড়িত।
২. এখানে গেলে ধর্মভাব জাগে, পাপ নাশ হয়।
৩. তীর্থক্ষেত্রে যাত্রা স্বর্গলাভের সমতুল্য পুণ্য দেয়।
৪. মানুষ এখানে যজ্ঞ, দান ও পূজা করে শান্তি পায়।
Related Question
View Allমন্দিরে গেলে পুণ্যলাভ হয়।
কান্তজী মন্দির দিনাজপুর জেলার ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
শ্রীকৃষ্ণের অপর নাম রুক্মিণীকান্ত।
লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নানের সময় ভক্তরা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন'।
মথুরা হলো শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ও তাঁর লীলা ক্ষেত্র।
মন্দির একটি আধ্যাত্মিক সাধনার স্থান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!