লোহা জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে লালচে বাদামি বর্ণের যে আর্দ্র আয়রন অক্সাইডের আস্তরণ তৈরি করে তাকে মরিচা বলে।
Related Question
View Allমৌলিক পদার্থ: যেসব পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে। এসব পদার্থকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে ঐ পদার্থ ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না।
যেমন- লোহা একটি মৌলিক পদার্থ। একে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে লোহা ব্যতীত অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না। যৌগিক পদার্থ: যেসব পদার্থ একের অধিক ভিন্নধর্মী উপাদান দিয়ে তৈরি তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলে। এসব পদার্থকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে একাধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়।
যেমন- খাবার লবণ (NaCl) একটি যৌগিক পদার্থ। একে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে একাধিক ভিন্নধর্মী মৌল তথা Na ধাতু ও CI গ্যাস পাওয়া যায়।
অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-
১. 'মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণাকে পরমাণু বলা হয়। অপরদিকে অণু হচ্ছে মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা। যেমন-অক্সিজেন গ্যাস (O2) একটি মৌলিক পদার্থ। দুটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে অক্সিজেনের একটি অণু গঠন করেছে, যাকে অক্সিজেন গ্যাস বলা হয়।
২. ভিন্ন ভিন্ন পদার্থ দিয়ে একটি অণু গঠিত হতে পারে। কিন্তু পরমাণু একটি মাত্র পদার্থের অংশবিশেষ। যেমন- পানি (H2O) এর একটি অণু দুটি আলাদা পদার্থ (O ও H) দিয়ে গঠিত হয়েছে।
৩. পরমাণুকে প্রতীক এর সাহায্যে প্রকাশ করা হয় আর অণুকে প্রকাশ করা হয় সংকেতের সাহায্যে। যেমন- একটি হাইড্রোজেন পরমাণুকে 'H' প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং হাইড্রোজেন এর একটি অণুকে H2 সংকেতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
ডাল্টনের পরমাণুবাদের মূল বক্তব্যগুলো হচ্ছে-
১. মৌলিক পদার্থসমূহ পরমাণু নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত।
২. একটি মৌলের বা মৌলিক পদার্থের সকল পরমাণু একই রকম। একটি মৌলের সকল পরমাণুর আকার, ভর ও রাসায়নিক ধর্ম একই রকম।
৩. একটি মৌলের পরমাণুসমূহ অপর মৌলের পরমাণুসমূহ হতে ভিন্ন রকম। অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণুর আকার, ভর ও বিভিন্ন ধর্ম ভিন্ন ভিন্ন।
৪. যৌগিক পদার্থসমূহ একের অধিক মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহ সরল অনুপাতে যুক্ত হয়ে যৌগিক পদার্থ বা যৌগ তৈরি করে।
৫. একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরমাণুসমূহের সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না। শুধু একে অপরের সাথে যুক্ত হয় বা একে অন্য থেকে আলাদা হয়।
পরমাণুকে ভেঙে তিনটি স্থায়ী মৌলিক কণা পাওয়া যায়। এগুলো হলো- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
নিউট্রন ও প্রোটন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে আর ইলেকট্রন কেন্দ্রের চারদিকে বৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান থাকে।
পদার্থের ভিন্নতার প্রধান কারণ হলো এর উপাদান (constituent) 1 এছাড়া পদার্থের গঠন (structure) এর উপরও এদের ধর্ম নির্ভর করে। একেক পদার্থের উপাদান এবং গঠন একেক রকম হয় বলে তারা দেখতে ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। ফলে ধর্ম অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন পদার্থ ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়।
যে সকল পদার্থ ভাঙলে কেবল ঐ পদার্থেরই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা পাওয়া যায়, অর্থাৎ যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে গঠিত তাদেরকে বলা হয় মৌলিক পদার্থ। তদুপ লোহা একটি মৌলিক পদার্থ। তাই লোহাকে ভাঙলে কেবল লোহারই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা পাওয়া যাবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!