কিশোর মুহাম্মদ (স.) ফিজার যুদ্ধের ভয়াবহতা ও রক্তপাত দেখে মানুষের সেবায় 'হিলফুল ফুজুল' বা শান্তিসংঘ গঠন করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল আর্তমানবতার সেবা করা, অত্যাচারীকে বাধা দেওয়া এবং শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা. তিনি চেয়েছিলেন সমাজে যেন কেউ কারও ওপর অন্যায় জুলুম করতে না পারে।
এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি সমাজকে শিখিয়েছেন যে যেকোনো বয়সেই সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়া সম্ভব। এটি মানুষকে পরোপকার, দেশপ্রেম এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে। এর মাধ্যমে আরবের বিশৃঙ্খল গোত্রগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি হয়েছিল। মুহাম্মদ (স.)-এর এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে শান্তির মাধ্যমেই একটি সুন্দর সমাজ গঠন করা যায়।
Related Question
View Allহজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!