নিচের রচনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণে করা যায় এমন চারটি কাজ হলো-
১. সকল অবস্থায় এক আল্লাহর আনুগত্য করা।
২. মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সবার ওপর প্রাধান্য দেওয়া।
৩. যেকোনো বিপদে ধৈর্যশীল হওয়া এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করা।
৪. অতিথিদের আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা এবং তাদের আদর আপ্যায়ন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত মুসা (আ.) একজন নবি ও রাসুল ছিলেন।
ইসলাম শিক্ষা
তাঁর ভাই হজরত হারুন (আ.)-ও একজন নবি ছিলেন। তাঁর সম্প্রদায়ের নাম ছিল 'বনি ইসরাইল'। তাঁর দেশের নাম ছিল মিশর। হজরত মূসা (আ.)-এর সময়কার মিশরের বাদশার নাম ছিল ওলীদ মতান্তরে দ্বিতীয় রামসিস। একদা ক্লিবতি বংশীয় লোককে হত্যার অপরাধে ফিরাউন মুসা (আ.)-এর বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করে। এজন্য তিনি মিশর ছেড়ে মাদইয়ান চলে যান। সেখানে হজরত শুয়াইব (আ.)-এর নিকট দশ বছর অতিবাহিত করেন এবং হজরত শুয়াইব (আ.)-এর মেয়েকে বিয়ে করেন। দশ বছর পর হজরত মুসা (আ.) তাঁর স্ত্রী সফুরাকে সঙ্গে নিয়ে মাদইয়ান থেকে মিশর রওয়ানা হন। যাত্রাপথে তুর পাহাড়ের পাদদেশে 'তুয়া' নামক পবিত্র উপত্যকায় নবুয়ত লাভ করেন। মহান আল্লাহ তাঁকে 'বললেন, "আমি তোমাকে মনোনীত করেছি। অতএব যা আদেশ করা হয় তা শোনো।" (সূরা ত্ব-হা, আয়াত: ১৩)

মহান আল্লাহ হজরত মুসা (আ.)-কে ফিরাউনের কাছে গিয়ে ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি মিশরে গিয়ে ভাই হজরত হারুন (আ.)-কে সঙ্গে নিয়ে ফিরাউনকে দ্বীনের দাওয়াত দেন। ফিরাউন তাঁর বিরোধিতা করলে মহান আল্লাহ তার দলবলসহ তাকে ধ্বংস করে দেন। হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুরই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি। তিনি মহান আল্লাহর দ্বীন প্রচার এবং বনি ইসরাইলকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করার জন্য মিশরের প্রচন্ড শক্তিশালী শাসকের বিরোধিতা করেন। তিনি শত প্রতিকূলতার মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরাউনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। তিনি নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে সারাজীবন কাজ করেছেন। তিনি বিপদ-আপদে কখনো বিচলিত হতেন না। সবসময় আল্লাহর ওপর ভরসা করতেন। কখনো মহান আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর কৈশোরকালীন আদর্শ আমার জীবনে যেভাবে অনুসরণ করব তা হলো- আমি ধৈর্যশীল, কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির হব। মানুষের উপকার করব। বড়োদের সম্মান করব। ছোটোদের স্নেহ ও আদর করব। কখনো মিথ্যা কথা বলব না। কাউকে গালি দিব না। কারো সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ, করব না। কারো সাথে হিংসা-বিদ্বেষ করব না। অন্যের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকব। অন্যের ব্যথায় ব্যথিত হব। অন্যায়ের প্রতিবাদ করব। কারো জোরো অসুবিধা হলে দূর করার চেষ্টা করব। অসহায় ও নিপীড়িত মানুষকে যথাসাধ্য সাহায্য-সহযোগিতা করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত আয়েশা (রা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণে। কাজ হলো-চারটি
১. কোমল হৃদয়ের অধিকারী হওয়া।
২. ইসলামি শরিয়াহ বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জন করা।
৩. রাত ও দিনের বেশিরভাগ সময়ে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকা।
৪. গরিব, অভাবী ও ভিক্ষুকদের সর্বদা দান করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত ইবরাহিম (আ.) ছিলেন মহান আল্লাহর একজন বিশিষ্ট নবি ও রাসুল এবং মুসলিম জাতির পিতা। তিনি বর্তমান ইরাকের বাবেল শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সারাজীবন একত্ববাদের দাওয়াত দিয়েছেন। আল্লাহ তাকে তার প্রিয় বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতিটি হুকুম পালনে ছিলেন অত্যন্ত অবিচল এবং ধৈর্যশীল। তিনি আল্লাহর নির্দেশে নিজের প্রাণপ্রিয় পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে কুরবানি দিতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। তার এই অসামান্য ত্যাগ ও গভীর আনুগত্যে সন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহ তাকে 'খলিলুল্লাহ' বা আল্লাহর বন্ধু উপাধি দেন। আল্লাহর প্রতি তার এই নিবিড় ভালোবাসাই তাকে এই শ্রেষ্ঠ মর্যাদা এনে দিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

নমরুদ ছিল প্রাচীন বাবেলের একজন অত্যন্ত শক্তিশালী, অহংকারী এবং অত্যাচারী বাদশাহ। সে নিজেকে ঈশ্বর বলে দাবি করত এবং সাধারণ মানুষকে তার পূজা করতে বাধ্য। করত। হজরত ইবরাহিম (আ.), যখন এক আল্লাহর দাওয়াত দিলেন, তখন সে তার চরম শত্রু হয়ে ওঠে।
নমরুদ ইবরাহিম (আ.)-কে পুড়িয়ে মারার জন্য এক বিশাল অগ্নিকুন্ড তৈরি করে তাকে সেখানে নিক্ষেপ করে। আল্লাহর হুকুমে সেই বিধ্বংসী আগুন ইবরাহিম (আ.)-এর জন্য শীতল ও আরামদায়ক বাগানে পরিণত হয়। তিনি দীর্ঘ সময় আগুনের ভিতরে থাকলেও তার শরীরের একটি পশমও পুড়েনি। আল্লাহর অসীম কুদরতে তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় সবার সামনে আগুন থেকে বের হয়ে আসেক

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

অত্যাচারী বাদশাহ ফিরাউন যখন বনি ইসরাইল বংশের সকল নবজাতক পুত্রসন্তানকে হত্যার নির্দেশ দেয়, তখন মুসা, (আ.) জন্মগ্রহণ করেন। ফিরাউনের হাত থেকে বাঁচাতে তার মা তাকে একটি সিন্ধুকে ভরে নীল নদে ভাসিয়ে দেন। আল্লাহর বিশেষ রহমতে, সেই সিন্দুকটি ভাসতে ভাসতে ফিরাউনের প্রাসাদের ঘাটে গিয়ে পৌঁছায়।
ফিরাউনের স্ত্রী আছিয়া সিন্দুকটি খুলে ফুটফুটে সুন্দর শিশু মুসা (আ.)-কে দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হন এবং তাকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। আছিয়ার অনুরোধে ফিরাউন শিশুটিকে হত্যা না করে নিজের প্রাসাদেই লালন-পালনের অনুমতি দেয়। এভাবে আল্লাহর কৌশলে মুসা (আ.) তার পরম শত্রু ফিরাউনের ঘরেই রাজকীয় মর্যাদায় বড়ো হতে থাকেন।
তার নিজের মা-ই পরিচয় গোপন করে সেখানে তার সেবিকা হিসেবে কাজ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

কিশোর মুহাম্মদ (স.) ফিজার যুদ্ধের ভয়াবহতা ও রক্তপাত দেখে মানুষের সেবায় 'হিলফুল ফুজুল' বা শান্তিসংঘ গঠন করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল আর্তমানবতার সেবা করা, অত্যাচারীকে বাধা দেওয়া এবং শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা. তিনি চেয়েছিলেন সমাজে যেন কেউ কারও ওপর অন্যায় জুলুম করতে না পারে।
এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি সমাজকে শিখিয়েছেন যে যেকোনো বয়সেই সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়া সম্ভব। এটি মানুষকে পরোপকার, দেশপ্রেম এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে। এর মাধ্যমে আরবের বিশৃঙ্খল গোত্রগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি হয়েছিল। মুহাম্মদ (স.)-এর এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে শান্তির মাধ্যমেই একটি সুন্দর সমাজ গঠন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মুহাম্মদ (স.) ছোটোবেলা থেকেই ছিলেন অত্যন্ত-সত্যবাদী, আমানতদার এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে অনন্য। মক্কার কাফির-মুশরিকসহ সবাই তাকে বিশ্বাস করত এবং তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত। তার এই অসাধারণ বিশ্বস্ততার কারণেই মক্কাবাসীরা তাকে 'আল-আমিন' বা পরম বিশ্বস্ত উপাধি দিয়েছিল।
'আল-আমিন' গুণের মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক আস্থা ও নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি হয়। একজন বিশ্বস্ত মানুষ সবসময়-সত্য কথা বলে এবং অন্যের আমানত যথাযথভাবে রক্ষা করে। আমরা যদি এই গুণটি অর্জন করি, তবে মানুষ আমাদের শ্রদ্ধা করবে এবং সমাজ থেকে মিথ্যা ও প্রতারণা দূর হবে। আমানতদারি রক্ষা করা ইমানের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের পরকালেও সফল করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত উমর (রা.) ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ছিলেন।
প্রথম জীবনে হজরত উমর (রা.) ছিলেন ইসলামের চরম শত্রু। একবার তিনি মহানবি (স.)-কে হত্যা করার জন্য খোলা তলোয়ার হাতে বেরিয়ে পড়েন। পথিমধ্যে জানতে পারলেন যে, তাঁর নিজ বোন ফাতেমা ও ভগ্নিপতি সাঈদ ইসলাম গ্রহণ করেছেন। এতে তিনি চরম রাগান্বিত হয়ে বোনের বাড়ির দিকে ছুটে চলেন। বোনের বাড়িতে গিয়ে দেখেন তাঁর বোন ও ভগ্নিপতি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করছেন। তাঁদের কুরআন তিলাওয়াত শুনে তিনি মুগ্ধ হন এবং ইসলামের প্রতি তাঁদের অবিচল আনুগত্য দেখে অবাক হয়ে যান। তাতে তাঁর মনের ভিতর একটি পরিবর্তন ঘটে। তিনি ইসলাম গ্রহণ করার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েন। দেরি না করে তখনই মহানবি (স.)-এর. দরবারে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

জেরুজালেম যাওয়ার পথে উমর (রা.) ও তার ভৃত্য পালাক্রমে উটে চড়ছিলেন এবং যখন তারা শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছান তখন ভৃত্যের চড়ার পালা ছিল। উমর (রা.) ভৃত্যকে উটে বসিয়ে নিজে রশি টেনে শহরে প্রবেশ করেন। এতে বোঝা যায় যে, তিনি পদের চেয়ে মানবতা ও সাম্যকে বেশি গুরুত্ব দিতেন।
এই ঘটনাটি আমাদের সাম্য, বিনয় এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা প্রদান করে। শাসক হয়েও তিনি নিজেকে একজন সাধারণ মানুষের স্তরে নামিয়ে এনে ভৃত্যকে সম্মান দিয়েছেন। এটি শেখায় যে আভিজাত্য বা ক্ষমতা দিয়ে মানুষের বিচার করা উচিত নয়, বরং আচার-আচরণে বিনয়ী হওয়া প্রয়োজন। ইসলামের আদর্শে সবাই সমান- এই মহান বার্তাটি উমর (রা.) তার কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত উমর (রা.) অনুকরণীয় আদর্শের অধিকারী ছিলেন।
তিনি ছিলেন সাম্য ও মানবতার মহান আদর্শ। তাঁর চরিত্রে কোমলতা ও কঠোরতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছিল। তিনি আইনের প্রয়োগ ও তার অনুসরণের ক্ষেত্রে ছিলেন আপসহীন। আবার মানুষের দুঃখে-কষ্টে তিনি ছিলেন কোমল। সাধারণ জনগণের সুখ-দুঃখের কথা জানার জন্য তিনি গভীর রাতে ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াতেন। ক্ষুধার্ত শিশুদের জন্য নিজের কাঁধে করে খাদ্যের বস্তা পৌছে দিয়েছেন। প্রসব বেদনায় কাতর এক বেদুইন নারীর সেবায় খলিফা নিজের স্ত্রীকে নিয়োজিত করেছিলেন। তিনি গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে একই রকম খাবার খেতেন। সর্বদা ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করতেন। মদ্যপানের অপরাধে নিজপুত্র আবু শাহমাকে তিনি কঠোর শাস্তি দিয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

৬২০ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি (স.)-এর সঙ্গে হজরত আয়েশা (রা.)-এর বিবাহ সম্পন্ন হয়। হজরত আয়েশা (রা.) পিতার কাছে পড়াশোনা শুরু করেন। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। যা একবার শুনতেন সঙ্গে সঙ্গে তা তাঁর মুখস্থ হয়ে যেত। বাবার কোলে বসে তিনি কুরআন পাঠ শুনতেন। পরে নিজে নিজে গুনগুন করে তা পাঠ করতেন। পবিত্র কুরআনের আয়াত শোনামাত্রই মুখস্থ করে ফেলতে পারতেন। আরবের প্রচলিত কবিতা, প্রবাদ ইত্যাদি শুনে মুখস্থ বলতে পারতেন। তিনি ইসলামি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অসাধারণ জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। সাহাবিগণ শরিয়তের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ নিতেন। তিনি অনেক হাদিসের বর্ণনাকারীও ছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত আয়েশা (রা.) ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার, ধৈর্যশীল এবং দয়ালু হৃদয়ের অধিকারী। তিনি দিনের বেলা রোজা রাখতেন এবং রাতের অধিকাংশ সময় ইবাদতে কাটিয়ে দিতেন। তার চরিত্র ছিল পবিত্র কুরআনের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি এবং তিনি সবসময় সত্যের ওপর অটল থাকতেন।
হজরত আয়েশা (রা.) ছিলেন প্রচণ্ড দানশীল এবং নিজের অভাব থাকা সত্ত্বেও অন্যকে সাহায্য করতে ভালোবাসতেন। একবার এক দরিদ্র নারী তার কাছে সাহায্য চাইলে ঘরে মাত্র একটি খেজুর থাকা সত্ত্বেও তিনি সেটি তাকে দিয়ে দিয়েছিলেন। দান করার সময় তিনি কখনো নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে চিন্তিত হতেন না, বরং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখতেন। তার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও দানশীলতা আমাদের জন্য এক বড়ো অনুপ্রেরণা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
24
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews