মুহাম্মদ (স.) ছোটোবেলা থেকেই ছিলেন অত্যন্ত-সত্যবাদী, আমানতদার এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে অনন্য। মক্কার কাফির-মুশরিকসহ সবাই তাকে বিশ্বাস করত এবং তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত। তার এই অসাধারণ বিশ্বস্ততার কারণেই মক্কাবাসীরা তাকে 'আল-আমিন' বা পরম বিশ্বস্ত উপাধি দিয়েছিল।
'আল-আমিন' গুণের মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক আস্থা ও নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি হয়। একজন বিশ্বস্ত মানুষ সবসময়-সত্য কথা বলে এবং অন্যের আমানত যথাযথভাবে রক্ষা করে। আমরা যদি এই গুণটি অর্জন করি, তবে মানুষ আমাদের শ্রদ্ধা করবে এবং সমাজ থেকে মিথ্যা ও প্রতারণা দূর হবে। আমানতদারি রক্ষা করা ইমানের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের পরকালেও সফল করবে।
Related Question
View Allহজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!