মহানবি (স) যেভাবে নবুয়ত লাভ করেন- মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স) মক্কা থেকে তিন মাইল দূরে 'হেরা' নামক পর্বতের নির্জন গুহায় আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। এভাবে মহানবি (স)-এর ধ্যান ও ইবাদত চলতে থাকল। তাঁর বয়স ৪০ বছর হলো। রমযান মাসের কদর রাত। মহানবি (স) হেরা গুহায় ধ্যানরত। চারদিক নীরব, নিঝুম। এমন সময় আঁধার গুহা আলোকিত হয়ে উঠল। আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতা জিবরাইল (আ) আল্লাহর পবিত্র বাণী তাঁর নিকট সর্বপ্রথম নিয়ে আসলেন। জিবরাইল (আ) মহানবি (স)-কে লক্ষ করে বললেন,(ইব্রা-পড়ুন)। পড়তে বললেন, কুরআন, মজিদের সূরা আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত। এভাবেই তিনি নবুয়ত লাভ করেন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাদের খুব ভালোবাসেন। তাঁর ইচ্ছায় আমরা সুন্দর জীবন গড়ে তুলব। দুনিয়াতে সুখ-শান্তি পাব। আখিরাতে জান্নাত লাভ করব। জান্নাতে রয়েছে চরম শান্তি ও পরম আনন্দ।
কীভাবে আমরা সুন্দর জীবন গড়ে তুলব। কোন পথে চললে আল্লাহ খুশি হবেন? কী কাজ করলে দুনিয়াতে সুখে বসবাস করব ও শান্তিতে থাকব? এসবের সন্ধান পেয়েছি আমরা নবি-রাসুলের মাধ্যমে। নবি-রাসুল আমাদের শিক্ষক। তাঁরা আমাদের আল্লাহর ইবাদত করার নিয়মকানুন শিখিয়েছেন। সঠিক পথে জীবনযাপন করার পদ্ধতি শিখিয়েছেন।
আল্লাহ তায়ালা অনেক নবি-রাসুল পাঠিয়েছেন। কুরআন মজিদে ২৫ জন নবি-রাসুলের নাম উল্লেখ আছে। এদের মধ্যে হযরত আদম আলাইহিস সালাম পৃথিবীর সর্বপ্রথম মানুষ এবং প্রথম নবি। আর আমাদের মহানবি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি। এখন আমরা কয়েকজন নবি-রাসুলের জীবনাদর্শ জানব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!