মাটিস্থ বায়ুর কাজ হলো মাটিস্থ জীবকুলকে অক্সিজেন প্রদান করে বাঁচানো। মাটিতে নানা রকম উপকারী অণুজীব থাকে। এসব অণুজীবের জন্ম ও বেড়ে ওঠার জন্য অক্সিজেন আবশ্যক। আবার অক্সিজেন পানিতে অদ্রবণীয় খনিজ পদার্থকে ভেঙে দ্রবণীয় পদার্থে পরিণত করে, যা পরে মাটিতে থাকা পানি দ্বারা উদ্ভিদ গ্রহণ করে।
মাটি আমাদের অতি প্রয়োজনীয় একটি প্রাকৃতিক সম্পদ। মাটিতে পাছপালা জন্মার, ফসল উৎপন্ন হয়। আমাদের দায়িত্ব এই প্রাকৃতিক সম্পদকে নানা ধরনের দূষণ থেকে রক্ষা করা। একই সাথে মাটি আমাদের তেল, গ্যাস, কয়লাসহ নানা রকম খনিজ পদার্থের উৎস। তাই আমরা একদিকে যেরকম এই খনিজ উত্তোলন করে দেশকে সমৃদ্ধ করব, অন্যদিকে লক্ষ রাখব এই প্রক্রিয়ায় আমাদের মূল্যবান সম্পদটির যেন অপচয় না হয়।বিজ্ঞান
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :
- মাটি ও ভূমির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব ।
- বিভিন্ন প্রকার মাটির মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
- মাটির গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
- মাটির pH মান জানার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- মাটি দূষণের কারণ, ফলাফল এবং মাটি সংরক্ষণের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
- মাটিতে অবস্থিত খনিজের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
- খনিজের ব্যবহার এবং সংরক্ষণের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
- প্রাকৃতিক জ্বালানির গঠন, প্রক্রিয়াকরণ, ব্যবহার এবং সংরক্ষণের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
- শিক্ষার্থীর এলাকায় মাটিদূষণের কারণ ও ফলাফল অনুসন্ধান করতে পারব।
- pH পেপার দিয়ে মাটির pH নির্ণয় অথবা লিটমাস পেপার দিয়ে মাটির অম্লত্ব ও ক্ষারত্ব নির্ণয় করতে পারব।
- সম্পদ সংরক্ষণে যত্নবান হব ও অন্যদের সচেতন করব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!