মানচিত্রের উপযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে জিআইএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া জিআইএস পদ্ধতিটি আজ উন্নত বিশ্বের উন্নতির । হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশও এ বিষয়টি গ্রহণে পিছিয়ে নেই।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী বা কোনো অঞ্চল বা এর অংশবিশেষকে কোনো সমতল ক্ষেত্রের উপর অঙ্কন করাকে মানচিত্র বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মানচিত্র একজন ভূগোলবিদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এ মানচিত্র অঙ্কনে নিম্নলিখিত উপাদানগুলো প্রয়োজন।

(১) অঙ্কিত মূল মানচিত্র, (২) স্কেল (মানচিত্রটিকে যে স্কেলে অঙ্কন করা হয়েছে), (৩) অভিক্ষেপ (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা রেখা), (৪) দিকনির্দেশক, (৫) মানচিত্রের নাম ফলক (মানচিত্রের বিষয়ানুগ নাম), (৬) সূচক (মানচিত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্নের ব্যাখ্যা), (৭) মূল মানচিত্রের চারদিকে (সীমায়) কোন দেশ, অঞ্চল বা ভূখণ্ড রয়েছে তার নাম, (৮) মূল মানচিত্রটি কোনো বৃহৎ ভূখণ্ডের অংশবিশেষ হলে তা চিহ্নিতকরণ, (৯) মানচিত্রের চারদিকে কাগজের ০.৫ ইঞ্চি থেকে ১ ইঞ্চি ভেতরের দিকে বর্ডার লাইন, অথবা কাগজের শেষাংশ পর্যন্ত অঙ্কন (ফ্লাসকাড, (১০) মানচিত্রের নিচে সূত্র ইত্যাদি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে। এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
জিআইএস মানচিত্রের উপযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জিআইএস-এর মাধ্যমে একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্ত উপস্থাপন ঘটিয়ে সে উপাত্তগুলোকে মানচিত্রের মধ্যে বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির উপযোগিতা বাড়িয়ে দেওয়া যায়। যেমন- একটা মানচিত্রের মধ্যে পানি ব্যবস্থাপনা, টপোগ্রাফি, ভূমি ব্যবহার, যোগাযোগ, মৃত্তিকা, রাস্তা ইত্যাদি সবগুলো জিনিস দেখিয়ে আমরা তার মধ্য দিয়ে সে নির্দিষ্ট অঞ্চলের পুরোচিত্র সম্বন্ধে জানতে পারি।
অতএব বলা যায় যে, জিআইএস এর ব্যবহার মানচিত্রকে অধিক তথ্যবহুল করে এর উপযোগিতা বাড়িয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জিআইএস এর প্রায়োগিক দিকটি এতই ব্যাপক যে, বর্তমানে উন্নত দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটিকে একটি আলাদা বিষয় হিসেবে পড়ানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশেও এর ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়েছে। নিচে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জি.আই.এস এর ব্যাপক ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
সুষ্ঠু ভূমি ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পিত ভূমি ব্যবহার একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। ভূমির প্রকৃতি, মৃত্তিকার গুণাগুণ, জলবায়ু, জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা, সেচ ব্যবস্থা প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে ভূমির শ্রেণিবিভাগ ও ভূমি ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। আর বর্তমানে এ ধরনের একটি জটিল কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে জিআইএস প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া ভূমির রেকর্ড, ভূমির খাজনা আদায়, ভূমির নকশা ও খতিয়ান তৈরির ক্ষেত্রেও জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।

GIS প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র তৈরি, ভূমিধস, এলাকার নকশা তৈরি, ভূমিকম্প অধ্যুষিত এলাকা চিহ্নিতকরণ মানচিত্র তৈরি সুচারুভাবে সম্পন্ন করা যায়। এসব মানচিত্র ও তথ্য আঞ্চলিক উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে।
কোনো নগরের সেবা নিশ্চিত করতে পরিকল্পিতভাবে রাস্তা, পানির সরবরাহ লাইন, বিদ্যুৎ লাইন, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন লাইন জমির মালিকানা, ময়লা ফেলায় স্থান নির্ধারণ নাগরিকদের পরিচয়পত্র প্রদানসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও ডেটাবেজ তৈরি করতে GIS ব্যবহার করা হয়।
তাই বলা যায়, জিআইএস পদ্ধতি বাংলাদেশের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
32
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
70
উত্তরঃ

মানচিত্র অভিক্ষেপ বলতে কোনো সমতলের ওপর সৃষ্ট গ্রাটিকুলকে বোঝায়।
কোনো সমতল কাগজের উপর সমগ্র পৃথিবী বা এর কোনো অংশের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো জালের ন্যায় ছকে প্রকাশ করা হয়। একে অভিক্ষেপ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
70
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ।
উক্ত অভিক্ষেপের ক্ষেত্রে °ব্যবধানে ১: ১,৪৭,০০,০০০ স্কেলে এবং ° পরিমিত অক্ষরেখা (এক পরিমিত) নিয়ে অভিক্ষেপটির গাণিতিক হিসাব নিচে নির্ণয় করা হলো-

হিসাব নিরূপণ :

পৃথিবীর ব্যাসার্ধ, r = পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ

                                          প্রদত্ত স্কেল

=,,,,

= ১.৭ ইঞ্চি।

IN.B: পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ ৪০০০ মাইল বা ( × ,) ইঞ্চি যা পূর্ণ সংখ্যায় ২৫০,০০০,০০০ ইঞ্চি ধরা হয়।।

= ××.×°°

= ০.৪৫% ইঞ্চি।

অতএব, অক্ষরেখাগুলোর মধ্যবর্তী পরস্পর দূরত্ব হবে ০.৪৫ ইঞ্চি। অর্থাৎ ০.৪৫ ইঞ্চি দূরে দূরে অক্ষরেখা নিয়ে একটি সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ আঁকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
65
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ। নিচে এর বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োগ বিশ্লেষণ করা হলো-

এ অভিক্ষেপে দ্রাঘিমাগুলো সর্বদা সমান এবং একই কেন্দ্র হতে বিচ্ছুরিত। কিন্তু অক্ষরেখাগুলো চাপের ন্যায় দৈর্ঘ্য উত্তরে ক্রমশ কম ও দক্ষিণে বেশি। সকল দ্রাঘিমা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে কিন্তু কেবল পরিমিত অক্ষরেখা (Standard Parallel) ছাড়া অন্যান্য অক্ষরেখা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে না। পরিমিত অক্ষরেখা তথা অভিক্ষেপের মধ্যভাগে স্কেল ঠিক থাকায় সেখানকার মানচিত্রের বিকৃতি খুবই কম। কিন্তু অন্যান্য অঞ্চলের মানচিত্রে যথেষ্ট বিকৃতি ঘটে। এ অভিক্ষেপে কেবল একটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব হয়। একই সাথে দুটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব নয়।

পরিমিত অক্ষরেখা বরাবর ও তার উভয় পার্শ্বে স্বল্প পরিসর স্থানের আয়তন কিছুটা নির্ভুল হয় বলে এর সাহায্যে কোনো ক্ষুদ্রাকৃতি দেশের বা কোনো দেশের অল্পস্থানের মানচিত্র নির্ভুলভাবে অঙ্কন করা যায়। এ কারণে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড প্রভৃতি ক্ষুদ্রাকৃতি দেশগুলোর মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
79
উত্তরঃ

সমগ্র পৃথিবী বা তার অংশবিশেষের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে পৃথিবীর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো সঠিকভাবে অঙ্কন করাকে অভিক্ষেপ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
77
উত্তরঃ

পৃথিবী ও এর অংশবিশেষকে কোনো সমতল ক্ষেত্রে প্রতিরূপ প্রদান করাকে মানচিত্র (Map) বলা হয়। মানচিত্র একজন ভূগোলবিদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এর সাহায্যে ঘরে বসে অল্প সময়ে সমগ্র পৃথিবী সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যায়।
মানচিত্র শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Map যা ল্যাটিন শব্দ Mappa থেকে এসেছে; যার অর্থ কাপড়ের টুকরা। অতীতে মূলত কাপড়ের টুকরার উপরই মানচিত্র অঙ্কন করা হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
111
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews