মানচিত্রে 'P' চিহ্নিত অঞ্চলটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্গত। এটি পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল অঞ্চল। উক্ত অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব অধিক হওয়ার প্রাকৃতিক কারণগুলো হলো-
ভূপ্রকৃতি: দক্ষিণ এশিয়া হলো নদীবাহিত সমভূমি অঞ্চল। এরূপ অঞ্চলে কৃষি, শিল্প প্রভৃতি গড়ে তোলা সহজ বলে মানুষ সেখানে বসবাস করতে চায়। ফলে উক্ত অঞ্চলটিতে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি।
জলবায়ু: জলবায়ুর প্রভাব জনবসতির বণ্টন নিয়ন্ত্রণ করে। অঞ্চলটিতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব বিদ্যমান। অঞ্চলটি সমভাবাপন্ন জলবায়ুর অন্তর্গত হওয়ায় এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব অধিক
মৃত্তিকা: 'P' অঞ্চলের নদীবাহিত উর্বর মৃত্তিকা কৃষিকাজের উপযুক্ত হওয়ায় এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি।
পানি: মানচিত্রে উল্লিখিত 'P' অঞ্চলটিতে গলা, পদ্মা, ব্রহ্মপুত্রসহ অনেক নদী প্রবাহমান। সুপেয় পানির সহজলভ্যতার ফলে উক্ত অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি।
খনিজঃ খনিজ প্রাপ্তির ওপর জনসংখ্যার ঘনত নির্ভর করে। 'P' অঞ্চলটিতে আকরিক লৌহ (ভারত), প্রাকৃতিক গ্যাস (বাংলাদেশ) প্রভৃতি খনিজ সম্পদ পাওয়া যায় বলে এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব অধিক।
উল্লিখিত প্রাকৃতিক কারণগুলোর প্রভাবে '' অঞ্চল তথা দক্ষিণ এশিয়া পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল অঞ্চলে পরিণত হয়েছে
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!