সমুদ্র সম্পদ একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপগুলোতে রয়েছে নানা রকম সম্পদ। সমুদ্র সম্পদের মধ্যে মৎস্য সম্পদ অন্যতম। সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলো নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবছর প্রচুর মৎস্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। যেমন: জাপান, নরওয়েতে সাগরের তীরবর্তী ভগ্ন উপকূলরেখায় বহু মৎস্য চারণ ক্ষেত্র ও বন্দর গড়ে ওঠায় হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
সমুদ্রের তলদেশ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার হিসেবেও প্রসিদ্ধ। এসকল খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে অনেক দেশ নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। এ সকল খনিজ সম্পদ সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলো শুধু নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে তা নয় বিদেশে রপ্তানি করেও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। যেমন: ভারতের খনিজ তেল। এছাড়া সাগরের অনেক স্থানে বহু মূল্যবান লোহা, সীসা, তামা, মলিবডেনাম ইত্যাদিও পাওয়া যায়। যার অর্থনৈতিক মূল্য ব্যাপক। এছাড়াও যেসব সাগরের তলদেশে জলমগ্ন পাহাড় ও শৈলশিরা থাকে না সেসব সাগরে বাধাহীনভাবে সমুদ্রগামী জাহাজগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। ফলে বাণিজ্যিকভাবে অনেক লাভবান হওয়া যায়।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পদ সরবরাহের জন্য সাগরের তলদেশ বিপুল সম্ভাবনাময়। তাই কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র সম্পদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
Related Question
View Allপৃথিবীর গভীরতম (১০,৮৭০ মিটার) খাতের নাম ম্যারিয়ানা খাত (Mariana trench) যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ পর্যন্ত ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান (Continental shelf) বলে।
পৃথিবীর নদীবন্দরগুলোর অধিকাংশই মহীসোপান অঞ্চলে গড়ে ওঠেছে। ফলে এসব অঞ্চলে নৌচলাচল ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। মহীসোপানের তলদেশে খনিজ সম্পদের ভান্ডার থাকায় এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
চিত্রের 'A' চিহ্নিত স্থানের পানির প্রবাহ বা স্রোতটি হলো ল্যাব্রাডর স্রোত। এটি একটি শীতল স্রোত।
উত্তর মহাসাগর হতে আগত দুইটি সুমেরু শীতল স্রোত গ্রীনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পার্শ্ব দিয়ে দক্ষিণ দিকে' প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এই মিলিত স্রোত শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত। এই স্রোতটি উত্তর আমেরিকার স্থলভাগের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এই স্রোতের জন্য উত্তর আমেরিকার ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের বন্দরগুলো বছরের প্রায় নয় মাস বরফে আচ্ছাদিত থাকে। এর উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক ও শীতল হওয়ায় নিকটবর্তী স্থলভাগে বৃষ্টিপাত না হয়ে ব্যাপক তুষারপাত ঘটে। ফলে এ অঞ্চলে কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার না হওয়ায় মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!