মানিক গ্রাম থেকে ঢাকা শহরে এসে উপলব্ধি করল গ্রামের তুলনায় শহরের বাতাস বেশ গরম। বাইরে বের হলে গাড়ির কালো ধোঁয়াতে চোখ, মুখ যেন বন্ধ হয়ে আসে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। দুই দিন থাকার পর সে বেশ অসুস্থ হয়ে পড়ল।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

যে সকল গ্যাসীয় উপাদান দ্বারা পৃথিবী পরিবেষ্টিত তার সাধারণ নাম বায়ু।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণকারী স্তরটি হচ্ছে ওজোনোস্ফিয়ার।
ওজোন স্তরটির প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। কারণ, এ স্তর না থাকলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির দহনে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এখানে তাপ ৭৬° সে. পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। তাই ওজোনস্তরের কোনো ক্ষতি হলে বা এটি ফুটো হলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে চলে আসবে এবং তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রাণিজগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মানিক ঢাকা শহরে ভ্রমণ করতে আসে। এখানকার বাতাস গরম হওয়ার কারণ হলো বায়ুর সাথে বিভিন্ন ধরনের গ্যাসীয় পদার্থের অতিরিক্ত সংমিশ্রণ।

বায়ুতে বিভিন্ন ধরনের গ্যাসীয় উপাদান রয়েছে। যেমন- নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ওজোন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, ধূলিকণা। এসব উপাদান বায়ুতে পরিমাণমতো বিদ্যমান। এসব উপাদানের সাথে অতিরিক্ত পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড প্রভৃতি মিশ্রিত হলে বায়ু দূষিত হয় এবং উত্তপ্ত হয়। উদ্দীপকের মানিক ঢাকা শহরের বাতাস গরম অনুভব করার কারণ
হচ্ছে এখানে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা রয়েছে, প্রচুর পরিমাণে যানবাহন চলাচল করে শিল্পকারখানা থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে দূষিত গ্যাস কার্বন মনোক্সাইড উৎপাদিত হয় যা বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে উত্তপ্ত করে। আবার, যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত এবং উত্তপ্ত করে।
তাই বলা যায়, ঢাকা শহরে দূষক সৃষ্টিকারী উৎসগুলো বেশি থাকার কারণে বায়ু স্বাভাবিক না থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় রূপান্তরিত হয় এবং সাধারণ বায়ুর চেয়ে এ অঞ্চলের বায়ু বেশি গরম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মানিকের অসুস্থতার কারণ হলো বায়ুদূষণ।

মানিক গ্রাম থেকে ঢাকা শহরে ভ্রমণ করে। এ শহরে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা, যানবাহন প্রভৃতি অতিরিক্ত পরিমাণে থাকায় বিভিন্ন ধরনের গ্যাস নির্গত হয় যা বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে।
যানবাহন থেকে যে গাড়ির কালো ধোঁয়া বের হয় সেখানে ক্ষতিকর গ্যাস থাকায় মানবস্বাস্থ্যের জন্য তা হুমকিস্বরূপ। এছাড়া এ শহরের বায়ুতে সিসার পরিমাণ বেশি থাকায় চোখ জ্বালাপোড়া করে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। প্রতিনিয়ত যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া ও কলকারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাস শহরের বায়ুর সাথে মিশ্রিত হচ্ছে। যার কারণে উক্ত বায়ু গ্রহণ করার কারণে মানুষের এ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের ক্ষতি, হৃদরোগের ঝুঁকি, শাসকষ্ট প্রভৃতি রোগের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে মানিকের অসুস্থতার জন্য বায়ু দূষণই দায়ী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
70

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল স্তরটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। এ স্তরে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন-ডাইঅক্সাইড, ধূলিকণা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে যা প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য খুবই প্রয়োজন। এছাড়া এ স্তরে মেঘ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, কুয়াশা, ঝড়, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সবকিছুই ঘটে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের শতকরা ৮০ ভাগ বায়ু এ স্তর ধারণ করায় এ স্তরের নিচে উদ্ভিদ ও প্রাণীর অস্তিত্ব দেখা যায়। তাই ট্রপোমণ্ডল স্তরটি জীবের বেঁচে থাকার জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
191
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত দূষণটি হলো বায়ুদূষণ। নিচে মানবস্বাস্থ্যের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো-

বায়ুদূষণের অন্যতম দূষক হচ্ছে সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2) যা ব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে। ব্রঙ্কাইটিসের প্রধান উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী কাশি, অত্যধিক মিউকাস ক্ষরণ ও সঞ্চয় এবং বিঘ্নিত শ্বসন। বায়ুদূষণ এবং ধূমপান ফুসফুস ক্যানসারের প্রধান কারণ। শহরের বায়ুদূষণ তীব্র হওয়ায় গ্রামের তুলনায় শহরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। উৎপাদন স্থলে বা অট্টালিকা নির্মাণের সময় অ্যাজবেস্টাসের প্রভাবে ফুসফুসীয় কলা অমসৃণ হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবে ফুসফুসে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ফুসফুসের এরূপ অস্বাভাবিক অবস্থাকে অ্যাজবেস্টোসিস বা ফুসফুসীয় ফাইব্রোসিস বলে। বায়ুতে বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় উপাদানের উপস্থিতির কারণে অতিশয় মন্দ প্রভাব
যথা- অ্যানিমিয়া, লিউকেমিয়া এবং ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রভাবে এর মিউটেশন, বন্ধ্যাত্ব, ভ্রূণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ এবং জন্মত্রুটি ঘটতে পারে। উদ্দীপকে নজীব দীর্ঘ দশ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে ঢাকায় আসে। এখানকার গাড়ির কালো ধোঁয়া, কলকারখানায় নির্গত গ্যাস ব্যাপকভাবে বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে। যা মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
107
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সৃষ্ট দূষণটি হলো বায়ুদূষণ যা মানব স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব সৃষ্টি করে।

নিচে, বায়ুদূষণ প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো- সমাজের সকল স্তরের মানুষকে বায়ুদূষণের কারণ ও প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। বায়ুদূষণের বর্তমান অবস্থা পরিমাপের জন্য ব্যাপক জরিপ ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। জনসাধারণকে বায়ুদূষণের ফলে মানুষের স্বাস্থ্য ও সম্পদের কী ক্ষতি হতে পারে সে সম্বন্ধে পরিচিতি প্রদান করতে হবে।
পরিবেশে জনসংখ্যা ভার কমাতে হবে। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে দেশে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করতে হবে। ইটের ভাটায় কাঠের পরিবর্তে কয়লা ব্যবহার করতে হবে। যানবাহনে ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ করে বনায়ন করতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, জাতিসংঘের পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষ করে বায়ুদূষণ প্রতিরোধে গৃহীত বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের দেশকে যথার্থ ভূমিকা পালন করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
106
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কার্বনচক্রের মাধ্যমে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই গ্লুকোজরূপে তা গ্রহণ করে। প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে এবং উভয়ের দেহেই কার্বন যৌগ তথা গ্লুকোজ জারিত হয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডরূপে প্রকৃতিতে ফিরে যায়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার উদ্ভিদ CO2 গ্রহণ এবং প্রাণী CO2ত্যাগ করে। এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
131
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews