উনবিংশ শতাব্দীতে কাগজি মুদ্রার প্রচলন হয়।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূল্যের পরিমাপক হিসেবে কাজ করে বলে মুদ্রাকে বিনিয়োগের মাধ্যম বলা হয়।
মুদ্রা সবার কাছে গ্রহণীয় একটি বিনিময়ের মাধ্যম। কোনো কিছুর মূল্য নির্ধারণে আমরা এটি ব্যবহার করি। কি পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করব, বিনিয়োগ থেকে কত লাভ হবে, এ সব কিছু মুদ্রায় পরিমাপ করা হয়। মুদ্রা অর্থ পরিমাপের একক হিসেবে কাজ করে। তাই মুদ্রাকে বিনিয়োগের মাধ্যম বলা হয়।
ব্যাংকের কাজই হলো ব্যাংকিং, তাই ব্যাংকারের সাথে ব্যাংকিং বিষয়টি জড়িত।
ব্যাংকের সব আইনসঙ্গত কাজকে ব্যাংকিং বলা হয়। আর ব্যাংকিং ব্যবসায় পরিচালনার সাথে সরাসরি জড়িত ব্যক্তিবর্গকে ব্যাংকার বলা হয়। উদ্দীপক অনুযায়ী ব্যাংক ও ব্যাংকারের মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যাবলি পরিচালিত হয়। ব্যাংক হলো একটি আর্থিক মধ্যস্থ ব্যবসায়ী। এটি জনগণের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে। সংগ্রহ করা আমানত ঋণ হিসেবে বিনিয়োগ করে। আমানতের বিপরীতে সুদ দেয়। অন্যদিকে ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে সুদ নেয়। এতে ব্যাংকের মুনাফা হয়। এছাড়াও ব্যাংক গ্রাহকের পক্ষে প্রতিনিধিত্বমূলক কাজ (বিল বাট্টাকরণ, বিলের অর্থ আদায় ইত্যাদি) করে। আর ব্যাংকের এই কাজগুলোই হলো ব্যাংকিং। ব্যাংক এবং ব্যাংকিং কার্যাবলি ব্যাংকের নিজের পক্ষে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই ব্যাংকিং বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের দিয়ে ব্যাংকিং কাজগুলো পরিচালনা করা হয়। আর এরাই হলো ব্যাংকার। তাই বলা যায়, ব্যাংকিং ও ব্যাংকারের কাজের সম্পর্ক নিবিড়।
মুদ্রাই ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান-বক্তব্যটি যথার্থ।
মুদ্রা প্রচলনের পরপরই ব্যাংক ব্যবস্থার উৎপাত্তি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রার ব্যবহার প্রসার করার জন্য ব্যাংকের প্রয়োজন।
উদ্দীপক অনুযায়ী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় মুদ্রার প্রসার ঘটে। পরবর্তীতে মুদ্রা প্রচলন ও সঞ্চালনের জন্য ব্যাংকের উদ্ভব হয়। আর ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান মুদ্রা।
ব্যাংক একটি আর্থিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক ব্যবসায়ের পণ্য হলো মুদ্রা। তাই ব্যাংকের সব কাজই সম্পন্ন হয় মুদ্রাকে ঘিরে। ব্যাংক আমানত হিসেবে মুদ্রা সংগ্রহ করে। আবার ঋণ হিসেবে মুদ্রা বিনিয়োগ করে। এছাড়া যেকোনো ব্যাংকিং সেবার চার্জ হিসেবে ব্যাংক মুদ্রা গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যাংকিং কাজে মুদ্রাকে ব্যবহার করেই ব্যবসায় পরিচালনা করে। তাই বলা যায়, মুদ্রাই ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান।
Related Question
View Allভব্যের বিনিময়ে দ্রব্য লেনদেন করে চাছিদা পূরণ করাই হলো দ্রব্য।
মুদ্রাকে ব্যাংক বাবসায়ের জননী বলা হয়।
মুদ্রা প্রানান হবার পরই ব্যাংক ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। ব্যাংক মুদ্রার মাধ্যমে আমানর সংগ্রহ করে ও ঋণ দেয়। এ কারণেই মুদ্রা ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এককথায় ব্যাংক সাবস্থার উৎপরি ও ক্রমবিকাশ হয়েছে মুদ্রাকে ঘিরে। মুদ্রা ছাড়া ব্যাংক ব্যবসায় অচল। আবার ব্যাংক স্বাড়া মুদ্রার ব্যবহারও সীমিত। অর্থাৎ একটি আরেকটির সাথে প্রতপ্রোতভাবে জড়িত
ব্যাংকির ও ব্যাংকার। একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত'-বক্তব্যটি যথার্থ।
ব্যাংকের সব আইনসঙ্গত কাজকে ব্যাংকিং বলে। ব্যাংকিং ব্যবসায় যারা পরিচালনা করেন তাদেরকে বলা হয় ব্যাংকার।
উদ্দীপকে আজমি নর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাধা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যয়ের কর্মকর্তী। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যয় বাতেন এক্ষেত্রে আজমির বানা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলে হলো ব্যাকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা বাহ ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে আজমি নূর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাবা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এক্ষেত্রে আজমির বাবা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলো হলো ব্যাংকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা যায়, ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
