২০০৯ সালে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৫৪.৮%।
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজার মূল্যের সমষ্টিকে জাতীয় আয় বলে। মোট দেশজ উৎপাদনের সাথে নিট আয় যোগ করে জাতীয় আয় পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির জনগণের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনকে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে।
একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে একটি দেশের মানুষের সার্বিক জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করা হয়। যে দেশের মাথাপিছু আয় যত বেশি সে দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান তত উন্নত এবং অর্থনীতি তত বেশি সমৃদ্ধ।
উদ্দীপকের মারিয়া তথ্য সংগ্রহের জন্য যে দেশে আসেন সে দেশের অভ্যন্তরীণ বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ১০,০০০ কোটি টাকা। ঐ বছরে দেশটির প্রবাসী নাগরিকদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণ ৫,০০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ কোটি।
আমরা জানি, মাথাপিছু আয়
= কোনো নির্দিষ্ট বছরের মোট জাতীয় আয়/ঐ বছরের মোট জনসংখ্যা
= ১০,০০০ + ৫,০০০ কোটি টাকা/১৫ কোটি
= ১৫,০০০ কোটি/১৫ কোটি
= ১,০০০ মার্কিন ডলার
∴ উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির মাথাপিছু আয় ১,০০০ মার্কিন ডলার
উদ্দীপকে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি-যা সম্পূর্ণরূপে বৈষম্য দূর করতে পারেনি।
মানুষ তখনই রাষ্ট্র ও সমাজের সম্পদে পরিণত হয় যখন সে কিছু করতে পারে। দেশের কৃষি, শিল্প বা সেবাখাতে উৎপাদন বৃদ্ধির কাজে যারা শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করেন তারা নিজেদেরকে শ্রমশক্তিতে রূপান্তরিত করেন। শ্রমশক্তিসম্পন্ন মানুষকেই দেশের মানবসম্পদ বলা হয়। প্রতিটি অদক্ষ মানুষকে সম্পদ বা মানবসম্পদে পরিণত করাই হচ্ছে মানব সম্পদ উন্নয়ন। কোনো অদক্ষ মানুষ নয়, কেবলমাত্র দক্ষ মানুষই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। যার জন্য একটি দেশের সরকারকে ব্যাপক ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। আলোচ্য উদ্দীপকে মারিয়া একটি উন্নয়নশীল দেশে আসেন। আর উন্নয়নশীল দেশের অন্যতম অসুবিধা হচ্ছে অদক্ষ জনশক্তি। এজন্য সরকারের উচিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশের কথা বলা যায়। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এ দেশের অনেক যুবক-যুবতী কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তাদেরকে দক্ষ সম্পদে পরিণত করে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। তবে আমাদের দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠী এখনও সরকারের নেওয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগের বাইরে থেকে গেছে। ফলে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে। অতএব বলা যায়, সরকারের নেওয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবে বৈষম্য দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে।
Related Question
View Allবাংলাদেশের বেশির ভাগ লোক গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উপায়। তাই বাংলাদেশকে কৃষিপ্রধান দেশ বলা হয়ে থাকে।
একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার মোট অর্থমূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়। এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি বা সামগ্রিক আয় বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) হলো একটি দেশের নাগরিকদের নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার অর্থমূল্যের যোগফল। এতে দেশের নাগরিকদের বিদেশে করা আয়ের যোগ হয় এবং বিদেশিদের দেশে করা আয় বাদ দেওয়া হয়।
মাথাপিছু আয় হলো একটি দেশের মোট জাতীয় আয়ের সাথে সে দেশের জনসংখ্যার ভাগফল। এটি দেশের নাগরিকদের গড় আয় বোঝায়। মাথাপিছু আয় বেশি হলে সাধারণত দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতির পরিচায়ক হয়।
মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতের উন্নয়ন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি। এই লক্ষ্যে শিল্প, সেবা এবং কৃষিখাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এছাড়াও দারিদ্র্য দূরীকরণ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক শক্তি ও আয়ের পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ এবং দেশের অর্থনীতির কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!