মারীয়া ও যোসেফ যীশুকে ভালোবাসা, যত্ন ও ঈশ্বরভক্তির মাধ্যমে বড়ো করেছেন। তাঁরা যীশুর প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও দায়িত্বশীল ছিলেন। তাঁরা যীশুকে পরিশ্রমী ও'সৎ জীবনযাপন্নের শিক্ষা দিয়েছিলেন। মারীয়া যীশুকে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস, প্রার্থনা ও বিনয় শিখিয়েছিলেন। তাঁরা নিয়মিতভাবে ঈশ্বরের মন্দিরে যেতেন এবং যীশুকে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণের অভ্যাস গড়ে তুলেছিলেন। মারীয়া ও যোসেফ তাঁদের সাধ্যমতো সামাজিক, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও রীতি-নীতি ইত্যাদি বিষয়ে যীশুকে শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁদের স্নেহ-দিকনির্দেশনা ও ধর্মীয় শিক্ষার মধ্য দিয়ে যীশু বড় হয়ে এক পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেছিলেন।
Related Question
View Allযীশুখ্রীষ্ট ঈশ্বর -ছিলেন।
জীবন মানুষের আলো ছিল।
জগৎ তার দ্বারা অস্তিত্ব পেয়েছিল।
সবাইকে তিনি ঈশ্বর সন্তান হওয়ার অধিকার l
যীশু পিতা-মাতাকে সাহায্য করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!