ঈশ্বর নিজ সাদৃশ্যে পরম মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে আমাদের সৃষ্টি করেছেন। আমরা চাই ঈশ্বরের কৃপা লাভ করতে এবং তাঁর সন্তান হওয়ার অধিকার পেতে। ঈশ্বরের সন্তান হওয়ার উপায়গুলো নিচে বর্ণনা করা হলো:
১. যীশুখ্রীষ্টের প্রতি বিশ্বাস রাখা।
২. ঈশ্বরের সকল সৃষ্টির যত্ন নেওয়া।
৩. পাপ কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখা।
৪. ভুল করলে নিজের ভুল স্বীকার করে ঈশ্বরের কাছে ক্ষমা চাওয়া।
৫. পবিত্র বাইবেলের নির্দেশনা মেনে জীবনকে পরিচালিত করা।
৬. নিজের জীবন ও আচরণের মাধ্যমে যীশুর ভালোবাসা অন্যদের মাঝে প্রকাশ করা।
৭. জীবনের কষ্টের মাঝেও ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস রাখা।
৮. নিয়মিত প্রার্থনার মাধ্যমে ঈশ্বরের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করা।
৯. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সংযম অবলম্বন করে চলা এবং
১০. সৎ বিবেকে ঈশ্বরের নিকট নিজেদের নিবেদন করা ইত্যাদি।
যীশুর সাক্ষ্য বহন করা বলতে বোঝায় নিজের জীবন, কথা ও কাজের মাধ্যমে যীশুর শিক্ষা, ভালোবাসা ও সত্যকে প্রকাশ করা।
নিচের কয়েকটি উপায়ে তা করা যায়-
১. যীশু যেমন সবাইকে ভালোবেসেছিলেন ও ক্ষমা করেছিলেন, তেমনি অন্যদের প্রতিও সেই আচরণ করা।
২. নিরহংকারী হয়ে সবার সাথে মিলেমিশে রাস করা।
৩. যীশু যেমন দুঃখী ও অসহায়দের পাশে ছিলেন, তেমনি অন্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়ানো।
৪. সত্য, ন্যায় ও পবিত্রতার পথে চলা।
৫. ঈশ্বরের বাক্যে দৃঢ় থেকে নিজের জীবন যীশুর নির্দেশে পরিচালিত করা।
৬. অন্যদের মাঝে যীশুর প্রেম, করুণা ও পরিত্রাণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।
৭. নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব ঈশ্বরকে দেওয়া এবং অহংকার থেকে দূরে থাকা।
যীশুর ঐশ স্বভাব বলতে বোঝায় যীশুর চরিত্র ও গুণাবলির মতো স্বভাব। আমার মধ্যে বিদ্যমান যীশুর ঐশ স্বভাবগুলো বর্ণনা করা হলো-
১. অহংকার ত্যাগ করে নম্রভাবে থাকা।
২. জীবনের সুখ-দুঃখ ঈশ্বরের ইচ্ছায় হচ্ছে মেনে নিয়ে জীবন চালনা করা।
৩.. নিঃস্বার্থভাবে অন্যকে ভালোবাসা।
৪. অসহায়দের নিজ সাধ্যমতো সহায়তা করা।
৫. সত্য কথা বলা ও সৎপথে চলা।
৬. অন্যের দোষ-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা।
৭. জীবনের কঠিন সময়ে ঈশ্বরের ওপর ভরসা রাখা।
৮. অন্যকে সম্মান করা ও নিজের কৃতিত্ব ঈশ্বরকে সমর্পণ করা।
৯. সমাজের ভ্রান্তধারণা নিরসনের চেষ্টা করা।
১০. অন্যায়ের প্রতিবাদ করা।
যীশুর সেবার আদর্শ বাস্তবায়ন করার জন্য মূলত যীশুর শিক্ষার দিকনির্দেশনা অনুসরণ ও জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। যীশুর সেবার আদর্শ বাস্তবায়নে আমি যা করব তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
১. মানুষের সাথে সহজভাবে মিশব।
২. বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করব।
৩. গুরুজনদের সম্মান করব এবং তাঁদের নির্দেশনা মেনে চলব।
৪. অন্যের দুঃখ বোঝার এবং সাহায্যের উদ্যোগ নেব।
৫. মানুষের প্রতি সহানুভূতি এবং সদয় আচরণ করব।
৬. সততার সাথে জীবনযাপন করব।
৭. নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে অন্যের উপকারে এগিয়ে যাব।
৮. পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তার সেবা করব।
৯. যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করব এবং ন্যায়ের পক্ষে থাকব।
যীশুর প্রচার কাজে তাঁর মানবীয় শিক্ষার সুন্দর প্রকাশ দেখা যায়। তিনি মানুষের প্রতি গভীর সহানুভূতি, ভালোবাসা ও করুণা দেখিয়ে বার্তা প্রচার করেছেন। তিনি অত্যন্ত সরল ভাষায় ঈশ্বরের বিষয়ে কথা বলতেন। তিনি অসুস্থ, দরিদ্র ও পাপীদের কাছে গিয়ে তাদের সাহায্য করতেন, যা তার মানবীয় হৃদয়ের প্রকাশ। যীশু মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়িয়ে দেখিয়েছেন যে সেবা, ক্ষমা ও বিনয়ই সত্য মানবতার পরিচয়। তাঁর এই আচরণ ও শিক্ষা আমাদের শেখায় মানবজীবনে ভালোবাসা, দয়া ও পরোপকারই ঈশ্বরের ইচ্ছা পূরণের পথ।
মারীয়া ও যোসেফ যীশুকে ভালোবাসা, যত্ন ও ঈশ্বরভক্তির মাধ্যমে বড়ো করেছেন। তাঁরা যীশুর প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও দায়িত্বশীল ছিলেন। তাঁরা যীশুকে পরিশ্রমী ও'সৎ জীবনযাপন্নের শিক্ষা দিয়েছিলেন। মারীয়া যীশুকে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস, প্রার্থনা ও বিনয় শিখিয়েছিলেন। তাঁরা নিয়মিতভাবে ঈশ্বরের মন্দিরে যেতেন এবং যীশুকে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণের অভ্যাস গড়ে তুলেছিলেন। মারীয়া ও যোসেফ তাঁদের সাধ্যমতো সামাজিক, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও রীতি-নীতি ইত্যাদি বিষয়ে যীশুকে শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁদের স্নেহ-দিকনির্দেশনা ও ধর্মীয় শিক্ষার মধ্য দিয়ে যীশু বড় হয়ে এক পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেছিলেন।
যীশুর মানবীয় গুণগুলো মূলত তাঁর আচরণ, কথা ও সম্পর্কের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি মানুষের সাথে সহজভাবে যোগাযোগ করতেন। তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে সহজভাবে ব্যাখ্যা দিতেন, যা সবার বোধগম্য ছিল। তিনি মানুষের প্রতি অগাধ দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শন করতেন। দীন-দরিদ্র, অসুস্থ ও অসহায়দের সাহায্য করতেন। তিনি মানুষের সুখ-দুঃখ ও আনন্দ ভাগাভাগি করতেন। তিনি শান্তিপ্রিয়, নম্র ও' সহিষ্ণু ছিলেন। তিনি কখনো অহংকার বা ক্ষমতার অপব্যবহার করতেন না। তিনি ক্ষমাশীল ও ধৈর্যশীল ছিলেন। এমনকি শত্রুদের প্রতিও সদয় ছিলেন। যীশুর এই মানবীয় গুণগুলো মানুষের হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
যীশু তাঁর মাতা-পিতা মারীয়া ও যোসেফের কাছ থেকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেক শিক্ষা লাভ করেছিলেন। পিতা-মাতার কাছ থেকে তিনি ঈশ্বরের প্রতি গভীর বিশ্বাস, বিনয়, সহানুভূতি ও দয়ার গুণ শিখেছিলেন। তিনি শিখেছিলেন কীভাবে অন্যের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে হয়। যীশু তাঁর পিতা-মাতা থেকে সততা ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা লাভ করেন। সবার সাথে মিলেমিশে থাকা, অন্যকে সাহায্য করা, সামাজিক রীতি-নীতি মেনে চলা, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার শিক্ষাও যীশু তাঁর পিতা-মাতা থেকে লাভকরেন। পিতা-মাতার এ শিক্ষাগুলোর মাধ্যমেই যীশু এক মহান চরিত্রের অধিকারী হয়ে গড়ে ওঠেন এবং মানুষের প্রতি প্রেম, ক্ষমা ও ন্যায়ের বার্তা প্রচার করেন।
মহান ঈশ্বরপ্রদত্ত যীশুর ঐশগুণের তালিকা তৈরি করে দেখানো হলো:
বিশ্বাস: যীশুর ঈশ্বরের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস ছিল।
সহানুভূতি: অন্যের দুঃখ-কষ্ট ভাগাভাগি করতেন।
সাহস: যীশু বিপদে ভয় পেতেন না।
মৃতকে জীবনদান: যীশু মৃতদের জীবন দান করেছেন।
অলৌকিক ক্ষমতা: যীশু প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতেন।
ক্ষমাশীলতা: যীশু পাপীদের ক্ষমা করতেন।
নিরহংকার: যীশু সবার সাথে সাধারণভাবে মেলামেশা করতেন।
দানশীলতা: যীশু ক্ষুধার্তদের অন্নদান করতেন।
মহান ঈশ্বরপ্রদত্ত যীশুর প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণের আশ্চর্য কাজের একটি ঘটনা হলো- তিনি ও তাঁর শিষ্যরা একটি নৌকায় করে সাগর পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় উঠল। ঢেউ নৌকার উপর আছড়ে পড়তে থাকে। তখন শিষ্যরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সে সময় যীশু নৌকায় ঘুমাচ্ছিলেন। শিষ্যরা তাঁকে জাগিয়ে তুলে বলেন, 'গুরু, আমরা যে মরতে বসেছি, ব্যাপারটা কি আপনার কাছে কিছুই নয়?' তখন যীশু জেগে উঠে বাতাসকে ধমক দিয়ে বললেন, 'শান্ত হও, স্থির হও।' মুহূর্তেই বাতাস থেমে গেল, চারদিকে নেমে এলো এক গভীর স্তব্ধতা। এই ঘটনার মাধ্যমে যীশু প্রমাণ করেন যে, মহান ঈশ্ববের হুকুমে তাঁর আদেশে প্রকৃতিও শান্ত হয়-এটাই যীশুর এক বিরাট আশ্চর্য কাজ।
যীশুর ঐশগুণাবলি যেমন- দয়া, করুণা, ক্ষমাশীলতা, সাহস, ভালোবাসা, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সত্যবাদিতা, ত্যাগ, বিশ্বাস, বিনয়, সহানুভূতি ইত্যাদি মানুষের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করেছেন। আমি যদি তাঁর পথ অনুসরণ করি তবে-আমিও মানুষের মঙ্গলের জন্য 'কাজ করব। আমি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াব। রুগীদের সেবা করব, বিপদে মানুষকে সাহায্য করব এবং কষ্টে থাকা মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করব। আমি নিরহংকারী হব এবং সবাইকে ভালোবাসব। কারও প্রতি ঘৃণা বা অন্যায় আচরণ করব না। সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সহানুভূতি ও ক্ষমার চর্চা করব। ঈশ্বরের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখব। এভাবেই আমি যীশুর শিক্ষাকে অনুসরণ করে মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করব।
আমরা যীশুর আদর্শ অনুসরণ করব। কারণ তিনি আমাদের জীবনের জন্য এক মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যীশু মানুষকে ভালোবাসা, ক্ষমা, দয়া ও সত্যের পথে চলার শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি সকল মানুষকে সমানভাবে মর্যাদা দিয়েছেন। তাঁর জীবনে আত্মত্যাগ, বিনয় ও. মানবসেবার আদর্শ আমাদের শেখায় কীভাবে একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা যায়। যীশুর আদর্শ অনুসরণ করলে-আমরা একজন ভালো মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে পারব। আমাদের মধ্যে শান্তি, ভালোবাসা ও ন্যায়বোধের বিকাশ ঘটবে যা নিজ ও সমাজের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। তাই যীশুর আদর্শ অনুসরণ করা মানে-মানবতার পথে চলা এবং ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা।
শিষ্যদের জন্য যীশুর ঐশগুণ হলো ন্যায়, দয়া, বিশ্বাস, ক্ষমাশীলতা ও সত্যনিষ্ঠার মাধ্যমে জীবনযাপন করা। যীশু শিষ্যদের শিখিয়েছেন কেবল ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস রাখা নয়; বরং মানুষের প্রতি সহানুভূতি, সহায়তা ও ভালোবাসা প্রকাশ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যীশুর শিষ্যরা তাঁর বহু ঐশগুণ অনুসরণ করতেন। তারা দয়া ও করুণা শেখে, যাতে অন্যের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ পায়। তারা অনন্দকে দৃষ্টিদান করেছেন, বিপদে মানুষকে সাহায্য করেছেন। শিষ্যরা সত্যনিষ্ঠা ও সততার মূল্য বোঝেছেন, যা তাদের জীবনকে সততা এবং ন্যায়পরায়ণতার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করেছে। তারা বিনয়ী এবং নম্র হওয়ার চেষ্টা করেছেন, যাতে আত্মকেন্দ্রিকতা দূরে থাকে। তাছাড়া শিষ্যরা ক্ষমাশীল হতে শিখেছেন। তারা পাপীকে ক্ষমা করতে সক্ষম হন। পরোপকার ও সৎকর্মের মাধ্যমে তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসেন। সারা পৃথিবীতে ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। এছাড়া যীশুর ঐশগুণ সবার মাঝে প্রচার করেছেন।
আমি আমার জীবনে যীশুকে অনুসরণ করর তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ মেনে চলার মাধ্যমে। যীশু যেমন ভালোবাসা, ক্ষমা, দয়া ও সহানুভূতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, আর্মিও তেমনি অন্যদের প্রতি ভালোবাসা ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেব। আমি সত্য কথা বলব, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াব এবং সৎপথে চলার চেষ্টা করব। যীশুর মতো সকলের মঙ্গল কামনা করে বিনয় ও ধৈর্যের সাথে জীবনযাপন করব। আমি পিতা-মাতার নির্দেশনা মেনে চলব। আমার দ্বারা অন্যের ক্ষতি হয় এমন কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখব। বিপদে মানুষের পাশে থাকব এবং রুগীদের যথাসম্ভব সেবা করব। আমি মহান ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস রেখে যীশুকে অনুসরণ করে একজন ভালো ও ন্যায়পরায়ণ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলব।
সব জাতি যীশুকে আরাধনা করবে কারণ ঈশ্বর তাঁকে প্রতিটি নামের উপরে উঁচু করেছেন। যীশু নিজের অহংকার ত্যাগ করেছেন এবং ক্রুশের মৃত্যু পর্যন্ত ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছেন। ঈশ্বর তাঁকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছেন। প্রতিটি জানু নত হবে এবং প্রতিটি জিহ্বা স্বীকার করবে যে, যীশুখ্রীষ্ট প্রভু। এটি দেখায় যে, যীশুর আনুগত্য, বিনম্রতা এবং বিজয় তাঁকে সম্মান জানাবে। কারণ তিনি পৃথিবীর জন্য ঈশ্বরের পথ দেখিয়েছেন। এটি মানুষের জন্য আশার বার্তা যে, যীশু সবকিছুর ওপর রাজত্ব করেন। যীশুর আরাধনা মানে শুধু ভক্তি নয়; বরং তাঁর ক্ষমতা এবং মহিমাকে স্বীকৃতি দেওয়া। ঈশ্বরের উদ্দেশ্য অনুযায়ী, যীশুর প্রতি সমস্ত জগৎ সম্মান দেখাবে। অবশেষে যীশুর আরাধনা ঈশ্বরের পরিকল্পনার পূর্ণতা এবং পৃথিবীর জন্য শান্তির প্রতীক।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allযীশুখ্রীষ্ট ঈশ্বর -ছিলেন।
জীবন মানুষের আলো ছিল।
জগৎ তার দ্বারা অস্তিত্ব পেয়েছিল।
সবাইকে তিনি ঈশ্বর সন্তান হওয়ার অধিকার l
যীশু পিতা-মাতাকে সাহায্য করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!