মা আনন্দময়ীর মাঝে ছোটোবেলা থেকেই ঈশ্বরের প্রতি ভক্তিভাবের প্রকাশ ঘটে। তিনি সর্বদা হরিনাম করতেন। হরিনাম করার সময় তাঁর শরীরে দেখা দিত এক স্বর্গীয় আলো। হরিনাম করার সময় মাঝে মাঝে তিনি অজ্ঞান হয়ে যেতেন। চিকিৎসাতেও কিছুই হতো না। এর মাধ্যমে সবাই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি স্বাভাবিক মানুষ নন, তিনি দেবী। তাছাড়া তাঁর সংস্পর্শে অনেকেই কঠিন রোগ থেকে মুক্তিলাভ করেন। পরবর্তীতে স্বামীর সঙ্গে তিনি ভারতের দেরাদুনে চলে গেলে সেখানেও তাঁর সাধনার কথা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করে। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে তাঁর নামে আশ্রম গড়ে ওঠে। এভাবেই চলতে থাকে তাঁর সাধন জীবন।
Related Question
View Allআমাদের সমাজে কিছু অসাধারণ মানুষ আছেন।
স্বামী প্রণবানন্দ ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
মা আনন্দময়ীর প্রকৃত নাম নির্মলা সুন্দরী
মহাপুরুষরা অলৌকিক গুণসম্পন্ন।
বিনোদ ছিলেন শিবের ভক্ত।
মায়ের আদেশে বিনোদ গয়াধামে গিয়েছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!