মিতুল ঢাকা বোটানিক্যাল গার্ডেনের একটি গবেষণা প্লটে সাদা গোলাপ এবং অন্য একটি প্লটে লাল গোলাপ লাগিয়ে- সাদা গোলাপের সঙ্গে লাল গোলাপের ক্রস করিয়ে দেখল, আকারে একটু বড় ও দৃষ্টিনন্দিত গোলাপি বর্ণের গোলাপ ফুল সৃষ্টি হয়েছে।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

একাধিক জিন দ্বারা একটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রিত হওয়ার বংশগতিক উত্তরাধিকার ধারাই হলো পলিজেনিক ইনহ্যারিটেন্স।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব জিনগত রোগে সেক্স ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোতে মিউটেশন ঘটে, সেসব রোগকে বলা হয় সেক্স লিংকড ডিসঅর্ডার। যেমন- বর্ণান্ধতা, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি। যেহেতু Y ক্রোমোজোম খুবই ছোট আকৃতির এবং এতে জিনের সংখ্যা খুব কম, তাই বেশিরভাগ সেক্স-লিংকড ডিসঅর্ডার হয় X ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোর মিউটেশনের কারণে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মিতুল সাদা গোলাপের সাথে লাল গোলাপের সংকরায়ণ ঘটিয়ে গোলাপি বর্ণের গোলাপ ফুল সৃষ্টি করেছে। এটি অসম্পূর্ণ প্রকটতার একটি উদাহরণ, যেখানে প্রকট ও প্রচ্ছন্ন অ্যালিলের মধ্যে কোনোটিই সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় না, বরং একটি মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। মিতুলের পরীক্ষায় লাল এবং সাদা গোলাপের অ্যালিলগুলো সমানভাবে প্রকাশিত হয়ে গোলাপি বর্ণের গোলাপ তৈরি করেছে, যা অসম্পূর্ণ প্রকটতার বৈশিষ্ট্য।

এই সংকরায়ণের জন্য, ধরা যাক লাল গোলাপের জিনোটাইপ হলো RR এবং সাদা গোলাপের জিনোটাইপ হলো WW। এখানে R লাল বর্ণের জন্য এবং W সাদা বর্ণের জন্য দায়ী অ্যালিল। যেহেতু এটি অসম্পূর্ণ প্রকটতা, তাই RR সম্পূর্ণ লাল এবং WW সম্পূর্ণ সাদা প্রকাশ করবে, কিন্তু R ও W একত্রে থাকলে মধ্যবর্তী গোলাপি বর্ণ প্রকাশ পাবে। Parental (P) জনু হিসেবে লাল গোলাপ (RR) ও সাদা গোলাপ (WW) এর মধ্যে সংকরায়ণ ঘটানো হলো।

Parental (P) জনু: লাল গোলাপ (RR) × সাদা গোলাপ (WW)
গ্যামিট: R এবং W

এখন, F1 জনুর চেকার বোর্ড নিম্নে দেখানো হলো:

                               
♀/♂R
WRW

চেকার বোর্ড থেকে দেখা যায়, F1 জনুতে সৃষ্ট সকল গোলাপ ফুলের জিনোটাইপ হলো RW। যেহেতু এটি অসম্পূর্ণ প্রকটতা, তাই RW জিনোটাইপযুক্ত ফুলগুলো গোলাপি বর্ণের হবে। সুতরাং, উদ্দীপকে আলোচিত মিতুলের সৃষ্ট গোলাপি বর্ণের গোলাপ ফুলগুলো F1 জনুর RW জিনোটাইপের ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। এখানে ফিনোটাইপিক ও জিনোটাইপিক অনুপাত উভয়ই 100% গোলাপি (RW)।

Satt AI
Satt AI
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত গোলাপি বর্ণের গোলাপ সৃষ্টি মেন্ডেলের প্রকটতার সূত্রের ব্যতিক্রম। এক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ প্রকটতা (Incomplete dominance) দেখা যায়।

মিতুল সাদা ও লাল গোলাপের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটিয়েছিল, যেখানে উৎপন্ন অপত্যগুলো গোলাপি বর্ণের হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে, লাল বা সাদা কোনো বৈশিষ্ট্যই একে অপরের উপর সম্পূর্ণরূপে প্রকট নয়, বরং উভয়ের মিশ্রিত একটি মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। মেন্ডেলের সূত্রানুযায়ী, যদি একটি বৈশিষ্ট্য অন্যটির উপর প্রকট হতো, তাহলে প্রথম অপত্য বংশে (F1) কেবল প্রকট বৈশিষ্ট্যই প্রকাশ পেত। কিন্তু এখানে তা না হয়ে একটি নতুন মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে, হেটারোজাইগাস অবস্থায় (heterozygous state) দুটি অ্যালিলের (alleles) কোনোটিই সম্পূর্ণভাবে প্রকট না হওয়ায় একটি মিশ্র বা মধ্যবর্তী ফিনোটাইপ (phenotype) তৈরি হয়।

মেন্ডেলের প্রকটতার সূত্র অনুযায়ী, যদি দুটি বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের বিশুদ্ধ পিতামাতার মধ্যে ক্রস ঘটানো হয়, তবে প্রথম অপত্য বংশে (F1 generation) কেবল প্রকট বৈশিষ্ট্যটিই প্রকাশিত হবে এবং প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যটি সুপ্ত থাকবে। কিন্তু উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, বিশুদ্ধ লাল গোলাপ (যেমন, RR) এবং বিশুদ্ধ সাদা গোলাপের (যেমন, rr) মধ্যে ক্রস ঘটানোর ফলে F1 প্রজন্মে (Rr) গোলাপি বর্ণের গোলাপ উৎপন্ন হয়েছে। এই গোলাপি বর্ণটি লাল বা সাদা কোনোটিরই সম্পূর্ণ প্রকাশ নয়, বরং এদের মধ্যবর্তী একটি অবস্থা। তাই এটি মেন্ডেলের প্রকটতার সূত্রের সরাসরি ব্যতিক্রম। কারণ মেন্ডেলের সূত্র অনুযায়ী, যদি লাল প্রকট হতো, তবে F1 এর সব গোলাপ লাল হতো।

সুতরাং, উদ্দীপকের গোলাপি বর্ণের গোলাপ ফুলের সৃষ্টি মেন্ডেলের প্রকটতার সূত্রের ব্যতিক্রম। এটি মেন্ডেল-উত্তর বংশগতি (Post-Mendelian genetics) ধারণার একটি অন্যতম উদাহরণ, যা অসম্পূর্ণ প্রকটতা নামে পরিচিত। এক্ষেত্রে ফিনোটাইপিক (phenotypic) অনুপাত 1:2:1 হয়, যা মেন্ডেলের সূত্রের 3:1 অনুপাতের থেকে ভিন্ন।

Satt AI
Satt AI
4 months ago
35

একটি জনু (generation) থেকে পরবর্তী জনুগুলোতে জীবের বৈশিষ্ট্যাবলি সঞ্চারিত হয়। যে প্রক্রিয়ায় পিতামাতার আকার, আকৃতি, চেহারা, দেহের গঠন-প্রকৃতি, শারীরবৃত্ত, আচরণ ইত্যাদি নানাবিধ বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমিকভাবে তাদের সন্তান-সন্তান দেহে সঞ্চারিত হয় তাকে বংশগতি (heredity) বলে। আর এক প্রজাতি থেকে দীর্ঘ দিন ধরে অত্যন্ত ধীর গতিতে বিবর্তন-এর ফলে নতুন প্রজাতির আবির্ভাব হয়। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

মিউট্যান্ট জিন হলো এমন একটি জিন যা মিউটেশনযুক্ত হয়েছে, যার ফলে এটি স্বাভাবিক জিনের তুলনায় ভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
107
উত্তরঃ

বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে, ঠান্ডা লাগলে এবং কানের সংক্রমণের ফলে ওটিটিস মিডিয়া বেশি হয়। এছাড়াও মাতৃদুগ্ধ পান না করলে বা কম পান করলে ওটিটিস মিডিয়া হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
81
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মূক-বধিরের প্রতীক দেখানো হয়েছে। দুইজন মূক-বধির ব্যক্তির বিয়ে হলে F1, জনুতে সবাই স্বাভাবিক হবে কিন্তু এপিস্ট্যাটিক জিন বহন করবে। ফলে F2 জনুতে বিভিন্ন অনুপাতে স্বাভাবিক মূক-বধির সন্তান পাওয়া যাবে। নিচে চেকার বোর্ডের মাধ্যমে F2 জনুর ফলাফল দেখানো হলো-

F₁ জনুর মধ্যে ক্রস:

সুতরাং F2 জনুতে স্বাভাবিক বাক শ্রবণক্ষম এবং মূকবধির সন্তানের সংখ্যা হলো যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯: ৭ অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
সুতরাং F2 জনুতে সন্তান-সন্ততির মধ্যে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম এবং মূক-বধির সন্তানের সংখ্যা হবে 'যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯:৭অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
73
উত্তরঃ

দুইজন মূক বধির ব্যক্তির মধ্যে বিয়ে হলে F2 জনুতে ৯:৭ অনুপাতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। নিচে এর. জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-

দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রচ্ছন্ন জিন একে অপরের প্রকট অ্যালিলকে বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা প্রদান করলে জিনের সেই আন্তঃক্রিয়াকে বলা হয় দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস। মানুষের জন্মগত মূক-বধিরতা দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিলের কারণে হয়ে থাকে। দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত এপিস্ট্যাটিক প্রচ্ছন্ন জিন এর জন্য দায়ী। এ দুটি জিনের একটি যখন হোমোজাইগাস প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে তখন অন্য প্রকট জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। এখানের জিনোটাইপ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দ্বৈত এপিস্টাটিক জিন dd অথবা ee এর উপস্থিতিতে মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। ও প্রচ্ছন্ন জিন দ্বৈত অবস্থায় থাকার কারণে প্রকট হোমোজাইগাস জিন DD ও EE বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। ফলে F2জনুতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধিরের অনুপাত ৯: ৭ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
87
উত্তরঃ

জিনগত ভিন্নতার কারণে একই প্রজাতির জীবের মধ্যে যে অমিল দেখা যায় তাই হলো প্রকরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
89
উত্তরঃ

যে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মাছের বিভিন্ন পাখনার পাখনারশ্মির সংখ্যা প্রকাশ করা হয় তাকে পাখনা সূত্র বলে। রুই মাছের পাখনা সূত্র হলো:
D. 15-16(3/12-13); P1.16-17; P2.9; A. 7(2/5); C. 19 (Rahman, 2005)

এখানে, D = Dorsal fin বা পৃষ্ঠ পাখনা; P1 = Pectoral fin বা বক্ষ

পাখনা; P2 = Pelvic fin বা শ্রোণি পাখনা; A = Anal fin বা. পায়ু

পাখনা এবং C = Caudal fin বা পুচ্ছ পাখনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
84
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews