প্রাচীনকালে টিকে থাকার লড়াইয়ে শারীরিক যোগ্যতা অর্জন করাকে শারীরিক শিৰা মনে করা হলেও এখন শারীরিক শিৰা বলতে ব্যক্তিজীবনের বহুৰেত্রের সমন্বয়কে বুঝানো হয়।
প্রাচীনকালে শারীরিক শিৰা বলতে শরীর সম্বন্ধীয় শিৰাকে বুঝানো হতো। প্রাচীনকালের এ ধারণাটি বর্তমানকালে এসে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। কারণ শরীর সম্বন্ধীয় শিৰা বা শারীরিক কসরতকে শারীরিক শিবা নয়, শরীরচর্চা বলে। শারীরিক শিৰা শুধু শরীর নিয়েই আলোচনা করে না বরং এর সাথে মানসিক বিকাশ ও সামাজিক গুণাবলি কীভাবে অর্জিত হয় সে ব্যাপারেও সহায়তা করে।ন ডি. কে. ম্যাথিউস বলেছেন- "শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারা অর্জিত
শিবাই শারীরিক শিৰা।" হপ স্মিথ ও ক্লিফটন বলেছেন- "বিজ্ঞানসম্মত কৌশলগত অঙ্গসঞ্চালনের নাম শারীরিক শিবা। জে. বি. ন্যাশের ভাষায়-"শারীরিক শিবা গোটা শিবার এমন একদিক, যা মাংসপেশির সঠিক সঞ্চালন ও এর প্রতিক্রিয়ার ফল হিসেবে ব্যক্তির দেহের ও স্বভাবের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন সাধন করে।" উলিরখিত উক্তিগুলো বিশেরষণ করলে দেখা যায় শারীরিক শিবার মূলকথা হলো: দেহ ও মনের সার্বিক উন্নতির লব্যে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সুষম উন্নয়ন, মানসিক বিকাশ সাধন, সামাজিক গুণাবলি অর্জন ও খেলাধুলার মাধ্যমে চিত্তবিনোদন।"
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!