ফুল, ফল, শাকসবজি ও মসলাজাতীয় ফসলকে উদ্যান ফসল বলা হয়।
বেকার সমস্যা সমাধানে উদ্যান ফসল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।যেমন- উদ্যান ফসল উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে নানা ধরনের কাজ করতে হয়। এসব কাজে অনেক লোকের প্রয়োজন হয়। যা বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন দিক দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যায়। প্রথমত, মিনার পরিবারে দৈনন্দিন শাকসবজির চাহিদা তার বাগান থেকেই মিটছে। ফলে শাকসবজি কেনার জন্য টাকার একটি অংশ প্রতিদিনই বেঁচে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, নিজের বাগানে শাকসবজি থাকায় যেকোনো সময় টাটকা শাকসবজি তারা পেতে পারে। আর এ টাটকা শাকসবজি স্বাস্থ্য গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ এককথায় মিনার উঠানে শাকসবজি চাষ তার পরিবারের জন্য লাভজনক।
মিনা তার উঠানে ফল, শাকসবজি ও মসলা জাতীয় ফসলের চাষ করছে। ফসলগুলোর গুরুত্ব বর্ণনা করলেই বোঝা যাবে কীভাবে মিনার পরিবারের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মিটছে। নিচে খাদ্য উপাদানগুলোর উৎস হিসেবে মিনার উৎপাদিত ফসলের গুরুত্ব বর্ণনা করা হল-
শর্করা : শর্করা দেহের তাপ ও শক্তি যোগায়। প্রায় প্রত্যেক ফল ও সবজিতে শর্করা রয়েছে।
আমিষ : আমাদের দেহের প্রত্যেকটি কোষের মৌলিক কাঠামো আমিষ দ্বারা গঠিত। কাঁঠাল, কুল, বেগুন, আলু, লালশাক, পালংশাক, মরিচ, হলুদ, ধনিয়া প্রভৃতি ফল ও সবজিতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ রয়েছে।
স্নেহ : শর্করার মতো স্নেহ দেহের তাপ ও শক্তি যোগায়। প্রায় সব ধরনের উদ্যান ফসলেই স্নেহজাতীয় উপাদান বিদ্যমান।
ভিটামিন : ফল, শাকসবজি ও মসলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'এ', 'বি' ও 'সি' রয়েছে। এর সামান্য অভাব হলে নানা রকম শারীরিক অসুবিধা দেখা যায়।
খনিজ লবণ : দেহের স্বাভাবিক গঠনের জন্য খনিজ লবণের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রায় সবধরনের ফল ও সবজিতে প্রচুর খনিজ লবণ থাকে।
সুতরাং, দেখা যায় মিনার বাগানের উৎপাদিত ফসলই তার পরিবারে খাদ্য ঘাটতি ও পুষ্টির অভাব পূরণ করছে।
Related Question
View Allবসতবাড়ির আশপাশের উঁচু জমিতে বাগান করে যে ফুল, ফল,, শাকসবজি ইত্যাদি ফলানো হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে।
লালশাকের বীজ অত্যন্ত ছোট বলে সঠিকভাবে বপন করা যায় না। তাই বপনের সময়ে বীজ যাতে সব জায়গায় সমভাবে পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য বীজের সাথে বালি বা ছাই মিশিয়ে নেওয়া হয়।
রওশন আরার টমেটো চাষের জমির পরিমাণ ৩ শতাংশ।
আমরা জানি,
১ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগে ৩০ – ৫০ কেজি
৩ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগবে (৩০-৫০) ৩
= ৯০ – ১৫০ কেজি
সুতরাং ৯০ – ১৫০ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করেছিল।
একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ২৭৫ গ্রাম শাকসবজি খাওয়া উচিত। অথচ বেশিরভাগ মানুষই অর্থ ও সচেতনতার অভাবে এ চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। আমাদের প্রত্যেকের বাড়ির পাশে কিছু না কিছু খালি জায়গা পড়ে থাকে। আমরা যদি এ খালি জায়গায় নানা রকম শাকসবজি চাষ করি তবে খুব সহজেই আমরা আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারি। অথচ শুধুমাত্র উদ্যোগের অভাবে আমরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। যেমন উদ্যোগ নিয়েছেন রওশন আরা। তার শাকসবজি চাষের উদ্যোগটি তার পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে যথেষ্ট হবে। অধিকন্তু অতিরিক্ত সবজি বিক্রি করে সে টাকা দিয়ে তিনি নানা রকম ফল ক্রয় করতে পারেন। যা তার পরিবারের সদস্যদের দৈনিক ফলের চাহিদাও পূরণ করবে।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে পারিবারিক খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রওশন আরার উদ্যোগটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যে সকল মাছের পোনা সহজলভ্য, তাড়াতাড়ি বাড়ে, পুষ্টিমান ভালো ও খেতে সুস্বাদু সেসব মাছকেই চাষযোগ্য মাছ বলে ।
বাজারে মাছের চাহিদা প্রচুর। তাই যে কেউ মাছ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। একই সাথে দেশীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
