মিরাজ হোসেন ইসলামের মৌলিক বিধান পালনের পাশাপাশি এমন কিছু কাজ করেন যাতে যাবতীয় পাশবিক রিপু দমন করে ইবাদতে একনিষ্ঠ হতে পারেন। এতে তাঁর আত্মার প্রশান্তি লাভ হয়। এজন্য তিনি এমন এক ব্যক্তির অনুসরণ করেন যিনি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের অন্তর্নিহিত শক্তির বিকাশ ঘটিয়ে এক অনুকরণীয় আদর্শে পরিণত হন। তিনি গরিব দরদী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মাকতু অর্থ কর্তিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হাদিসে মুতাওয়াতির বর্ণনার ধারাবাহিকতার কারণে শরিয়তের অকাট্য দলিল। রাসুল (স) বলেছেন, আমি তোমাদের মধ্যে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি যেগুলো অনুসরণ করলে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। আর তা হচ্ছে আল্লাহর কিতাব ও তার রাসুলের সুন্নাহ। আর সুন্নাহ অকাট্যভাবে প্রমাণিত হওয়া বাঞ্জনীয়। যে হাদিসের বর্ণনাকারী প্রতিটি স্তরে এতো বেশি যে তার সত্যতা সম্পর্কে কোনো সন্দেহ পোষণ করা যায় না তাই হাদিসে মুতাওয়াতির। সনদের এমন বিশুদ্ধতার জন্য এমন হাদিস শরিয়তের অকাট্য দলিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত ব্যক্তি হচ্ছেন হযরত মুইনুদ্দিন চিশতি (র)। তাঁর নাম মুইনুদ্দিন হাসান। খোরাসানের 'চিশতি' নামক গ্রামে তাঁর পূর্বপুরুষের বসবাস ছিল বিধায় তাঁর নামের সাথে 'চিশতি' শব্দটি যোগ করা হয়েছে। তিনি জ্ঞান-বিজ্ঞানে নিজেকে সমৃদ্ধ করে ভারতবর্ষে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। তিনি সহজেই জনসাধারণের সাথে মিশে যেতেন। অকাতরে দুঃস্থদের সেবা করতেন। ফলে মুইনুদ্দিন চিশতি (র) 'খাজা গরিবই-নেওয়াজ' তথা গরিবের পরম বন্ধু হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। উদ্দীপকে এই প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের মিরাজ হোসেন আত্মিক পরিশুদ্ধির জন্য এমন এক মনীষীকে অনুসরণ করেন যিনি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের অন্তর্নিহিত শক্তির বিকাশ ঘটিয়ে এক অনুকরণীয় আদর্শে পরিণত হন। আর হযরত মুইনুদ্দিন চিশতি (র) ভারতবর্ষের প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষকে ইসলামি আদর্শে দিক্ষিত করে আদর্শিক বিপ্লবের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এতকিছুর পরেও তিনি ছিলেন গরিবের বন্ধু। সুতরাং উদ্দীপকের ব্যক্তিটি হযরত মুইনুদ্দিন চিশতি (র)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মিরাজ হোসেনের অনুসৃত নীতি তথা তাসাউফের সাথে ইসলামি শরিয়ার পরিপূরকতার সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ একটি অপরিটির পূর্ণতা দানকারী। ইসলামের প্রতিটি বিধানের একটি বাহ্যিক দিক ও একটি অভ্যন্তরীণ দিক রয়েছে। বাহ্যিক দিক হচ্ছে শরিয়ত আর অভ্যন্তরীণ দিক হচ্ছে তাসাউফ। তাসাউফের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন করা যায়। এটি ছাড়া শরিয়তের বিধান অপূর্ণ থেকে যায়। শরিয়ত ও তাসাউফের সমন্বয় ঘটানো ইবাদত কবুলের জন্য অপরিহার্য যার চিত্র আমরা মিরাজ হোসেনের জীবনে দেখতে পাই।

মিরাজ হোসেন ইসলামের মৌলিক বিধান তথা শরিয়ত পালনের পাশাপাশি এমন কিছু কাজ করেন যাতে যাবতীয় পাশবিক রিপু দমন করে ইবাদতে একনিষ্ঠ হতে পারেন। এর মাধ্যমে তিনি শরিয়ত পরিপূর্ণরূপে পালন করতে পারবেন। তাসাউফ ছাড়া শরিয়তের পূর্ণ অনুসরণ সম্ভব নয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তোমরা তোমাদের রবের কাছে প্রার্থনা করো অতি বিনয়ের সাথে (সুরা আল আরাফ-২০৫)। অপর আয়াতে আল্লাহ বলেন, নিজেকে যে পরিশুদ্ধ করেছে সেই সফলকাম (সুরা আল আ'লা-১৪)। এই দুই আয়াতে বর্ণিত বিনয় ও আত্মশুদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে শরিয়তের সাথে তাসাউফের চর্চা করলে।

পরিশেষে আমরা বলতে পারি শরিয়ত ও তাসাউফের সম্পর্ক হচ্ছে এরা একে অপরের পূর্ণতাদানকারী। ইহ ও পরকালীন সফলতার জন্য দুটি বিষয়ের যৌথ চর্চা আবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
172
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অর্থের সাথে সম্পর্ক থাকায় হজ সর্বজনীন ইবাদত নয়। হজ একটি দৈহিক, আত্মিক ও আর্থিক ইবাদত। নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষেই কেবল হজ কোনো ব্যক্তির ওপর ফরজ হয়। এক্ষেত্রে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য প্রধান দুটি শর্ত। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবার একই সাথে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য না থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই যাদের ক্ষেত্রে এ দুটি শর্ত পূরণ হয় কেবল তাদের জন্যই হজ ফরজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
483
উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সালাত একটি আনুষ্ঠানিক ও দৈহিক ইবাদত। তবে সালাতের মূল আবেদন আত্মিক ইবাদত হিসেবে। সালাত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টি করে। এটি সালাতের আধ্যাত্মিক গুরত্বেরই প্রতিফলন। উদ্দীপকেও রবিউল আলম সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের ফলভোগী হয়েছেন।

রবিউল আলম কিছুদিন পূর্বেও ধর্ম-কর্মে মনোযোগী ছিলেন না। তার আত্মা ছিল কলুষিত। কিন্তু সালাত আদায় করার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে সালাতের মাধ্যমে মানবাত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। কাঙ্ক্ষিত প্রিয় সত্তার সান্নিধ্য লাভ করায় আত্মার উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতা দূর হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রশান্তি বিরাজ করে। ফলে আত্মার সার্বিক অবস্থানে স্থিরতা ও তৃপ্তি নেমে আসে। উদ্দীপকের রবিউল আলমের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। সালাত আদায়ের মাধ্যমে তার কলুষিত আত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করেছে। সুতরাং দেখা যায়, রবিউল আলমের আত্মিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে সালাতের আধ্যাত্মিক তাৎপর্যই প্রতিফলিত হয়েছে। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
255
উত্তরঃ

রবিউল আলম আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য সালাত আদায়ের পাশাপাশি আল্লাহর জিকর, তাবলিগ, সৎ গুণাবলির অনুসরণ, তওবা ও মাগফিরাত কামনা করতে পারেন।

মানুষের চালিকাশক্তি ও জীবনীশক্তি হলো আত্মা। আত্মা সুস্থ থাকলে মানুষও সুস্থ থাকে। আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ ও সুস্থ রাখার জন্য তাসাউফের অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। উদ্দীপকের রবিউল আলমও তাসাউফের চর্চা সাধানার মাধ্যমে পরিপূর্ণ আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন।

রবিউল আলম নিয়মিত সালাত আদায় করেন। আত্মাকে সুস্থ রাখতে তিনি সালাত আদায়ের সাথে সাথে বেশি করে আল্লাহর জিকর করতে পারেন। আবার নিজে সৎ পথে চলার পাশাপাশি তিনি অন্যকেও সৎ কাজের জন্য উৎসাহিত করতে পারেন। এর ফলে তার আত্মা সুস্থ ও পবিত্র থাকবে। তাছাড়া তিনি রাসুলুল্লাহ (স) ও তার সাহাবি (রা) গণের জীবনের সৎগুণাবলির অনুসরণের মাধ্যমেও আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারেন। তবে তিনি যেহেতু পূর্বে অনেক অন্যায় করেছেন, সেহেতু সব সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। তওবার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্যায় না করার দৃঢ় প্রত্যয় জ্ঞাপন করলে তার আত্মা আরও প্রশান্তি লাভ করবে।

এভাবে ওপরের কাজগুলোর মাধ্যমে তিনি আত্মিকভাবে লাভবান হতে পারেন। পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত বিষয়গুলো তাসাউফ চর্চারই নামান্তর। তাই তাসাউফ চর্চা ও সাধনার মাধ্যমেই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
246
উত্তরঃ

হযরত উমর (রা) এর মৃত্যুর পর তার কন্যা হযরত হাফসা (রা)-এর কাছে আল কুরআন সংরক্ষিত ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
437
উত্তরঃ

পরকালীন জীবনের মতো পার্থিব জীবনের ওপরও আল কুরআন গুরুত্বারোপ করেছে। মহানবি (স) বলেছেন, 'দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র'। অর্থাৎ পার্থিব জীবনের কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই পরকালীন সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারিত হবে। তাই কুরআন মানুষকে পার্থিব সাফল্য ও কল্যাণ লাভের নির্দেশ প্রদান করেছে। সুরা বাকারার ২০১নং আয়াতে বলা হয়েছে- হে আমাদের প্রভু। আমাদেরকে পৃথিবীতে কল্যাণ দিন। আখিরাতে কল্যাণ দিন।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
286
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews