জীববিজ্ঞানে মিসিং লিংক বলতে এমন জীব বা ফনিলকে বোঝায়, যা ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণি বা গোষ্ঠীর জীবের মধ্যে সংযোগকারী মধ্যবর্তী পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। এটি দুটি জীবগোষ্ঠীর অভিব্যক্তিয় সম্পর্ককে প্রমাণ করে। উদাহরণস্বরূপ: আর্কিওপটেরিক্স সরীসৃপ, ও পাখির মধ্যবর্তী মিসিং লিংক। মিসিং লিংক অভিব্যক্তি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বোঝাতে সাহায্য করে।
Related Question
View Allজীববিজ্ঞানের বংশগতি বিদ্যা শাখায় বংশগতি সমন্ধে আলোচনা করা হয় ।
পিতা-মাতার বৈশিষ্টগুলো বংশানুক্রমে সন্তান সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় বংশগতি বস্তুর মাধ্যমে ।
বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম ।
সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন Strasburger বিজ্ঞানী ।
বিজ্ঞানী Strasburger 1875 সালে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন ।
বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয় ক্রোমোজোমকে ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!