নির্দেশনা বলতে কর্মীদেরকে মূল লক্ষ্যের আলোকে কার্য সম্পাদনের জন্য আদেশ-নির্দেশ প্রদানকে বোঝায়।
সাংগঠনিক কাঠামোর যে স্তরের ব্যবস্থাপকগণ সরাসরি শ্রমিক- কর্মীদের পরিচালনার সাথে জড়িত থাকে তাদেরকে নিম্ন পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা বলে।
নিম্ন পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা মধ্য পর্যায়ের ব্যবস্থাপকদের নির্দেশে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন। এরা মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপকগণ কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্বসমূহ শ্রমিক-কর্মীদের পরিচালনার মাধ্যমে বাস্তবায়িত করেন। তাদের প্রধান কাজ হলো শ্রমিক-কর্মীদের পরিচালনা, তাদের কাজের তদারকি, সমন্বয়সাধন, প্রেষণা দান, রেকর্ড সংরক্ষণ ইত্যাদি।
উদ্দীপকে আগে মিস শাহনাজ ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা কাজকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন।
নির্দেশনা বলতে কার্যসম্পাদনের উপায় সম্পর্কে পরামর্শদানকে বোঝায়। অর্থাৎ কোন কাজ কার দ্বারা, কোথায়, কীভাবে সম্পাদন করতে হবে তা কর্মীকে বুঝিয়ে দেওয়াই হলো নির্দেশনা।
উদ্দীপকে মিস শাহনাজ একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি মনে করেন কর্মীদের যদি সঠিকভাবে আদেশদান ও নির্দেশ প্রদানের মাধ্যমে তত্ত্বাবধান করা যায় তবে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি লাভ সম্ভব। তিনি নির্দেশনার মাধ্যমে কর্মীদেরকে নির্ধারিত লক্ষ্যের অভিমুখে পরিচালিত করার জন্য আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ, পরামর্শ, তত্ত্বাবধান, সহযোগিতা প্রদান করেন। নির্দেশনা অনুসারে কাজ না হলে সৃষ্ট বিচ্যুতি দূরীকরণের জন্য সংশোধনীমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রে মিস শাহনাজের ব্যবসায়ের পরিধি প্রথমে ছোট হওয়ায় নির্দেশনা ভালোই কাজ করে। ফলে তার প্রতিষ্ঠানের উন্নতি লাভ সম্ভব হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে মিস শাহনাজ। ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা কাজকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন।
উদ্দীপকে পরবর্তীতে মিস শাহনাজ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা কাজকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন।
ব্যবস্থাপনার কার্যাবলির মধ্যে পরিকল্পনা সর্বপ্রথম ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ভবিষ্যৎ কার্যাবলির অগ্রিম নকশা বা রূপরেখাই হলো পরিকল্পনা।
উদ্দীপকে মিস শাহনাজ ব্যবসায়ের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। কারণ পরবর্তীতে তার প্রতিষ্ঠান বড় হওয়ায় প্রতিটি ক্ষেত্রে "যখন যেমন তখন তেমন" সিদ্ধান্ত নিয়ে তার পক্ষে চলা আর সম্ভব হয়নি। তাই এখন তিনি বছরের শুরুতেই পরিকল্পনা প্রণয়ন করে তার আলোকে উপায়-উপকরণ সংগঠিত করেন এবং সে পরিকল্পনা অনুযায়ী সকল কাজ পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনার ওপর সমস্ত প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব ও সাফল্য নির্ভরশীল। ব্যবসায়ের পরিকল্পনার মধ্যে পূর্বানুমান, লক্ষ্য স্থিরকরণ, নীতিনির্ধারণ, কর্মসূচি স্থিরকরণ, বিভিন্ন কার্যের সময়সূচি ও পদ্ধতি নির্ধারণ, বাজেট প্রণয়ন ইত্যাদি পরিকল্পনার আওতাধীন থাকে।
তাই উদ্দীপকে মিস শাহনাজ পরবর্তীতে ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনার কাজকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!