মি. আজাদের আত্মকর্মসংস্থানের কাজটি গ্রাম উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে বলে আমি মনে করি।
এর মাধ্যমে নিজেই নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। এ কাজের মাধ্যমে কেউ স্বাবলম্বী হলে তারা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। এতে বেকার সমস্যা কমে যায়।
উদ্দীপকের মি. আজাদ বি.এ. পাস করে মাছ চাষ শুরু করেছেন। এ কাজ শুরুর আগে তিনি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এ প্রশিক্ষিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তিনি সফল হয়েছেন। তার দেখাদেখি গ্রামের অনেক যুবক ঐ কাজে আত্মনিয়োগ করেছে। বর্তমানে গ্রামটি আদর্শ গ্রাম হিসেবে সমাদৃত। মি. আজাদের গ্রামে অনেক বেকার যুবক ছিল। তারা মি. আজাদের মাছ চাষের সফলতা দেখে এ কাজ শুরু করেছে। এক্ষেত্রে মি. আজাদ তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। তিনি মাছ চাষ না করলে বেকার যুবকরা এ কাজ সম্পর্কে জানতে পারতো না। তাছাড়া মি. আজাদকে দেখে তারাও প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজ শুরু করেছে। এতে তাদের সফলতার হার বেড়েছে। আর বেকার যুবকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ঐ গ্রাম অর্থনৈতিক দিক দিয়েও এগিয়ে যাচ্ছে। গ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে।
তাই বলা যায়, মি. আজাদের কাজটি গ্রাম উন্নয়নে ব্যাপক সহায়তা করেছে।
Related Question
View Allবাংলাদেশ অর্থনৈতিক রিভিউ ২০১১-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান শতকরা ২০ ভাগ।
যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কোনো কাজের ব্যবস্থা করতে না পারাই' হলো বেকারত্ব। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল ও জনবহুল দেশ। এদেশে চাকরির চাহিদা যে হারে বাড়ছে সে হারে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার কারণে এখানে চাকরির নতুন ক্ষেত্র তৈরি করাও কষ্টকর। এসব কারণেই বাংলাদেশে বেকার সমস্যা দিন দিন বাড়ছে ।
সামীর হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠা আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজের অন্তর্ভুক্ত। এর মাধ্যমে স্বল্প পুঁজি, নিজস্ব চিন্তা, চেষ্টা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থা করা হয়। এভাবে কোনো ব্যক্তি নিজেই তার বেকারত্ব দূর করতে পারে। তাই একে স্ব-কর্মসংস্থানও বলা হয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত সামী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হাঁস- মুরগি পালনের ওপর দু'মাসের প্রশিক্ষণ নেয়। এতে তার মনোবল বেড়ে যায়। বিদেশ যাওয়ার টাকা দিয়ে সে দেশেই হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠা করে। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান খামারে প্রয়োগ করে সে স্বাবলম্বী হয়েছে। সামী হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। এসব বৈশিষ্ট্য আত্মকর্মসংস্থানের সাথে সম্পর্কিত। তাই বলা যায়, সামী'র প্রতিষ্ঠিত খামারটি আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজের আওতাভুক্ত।
স্বাবলম্বী হওয়ার পেছনে সামীর 'আত্মবিশ্বাস' গুণটি তাকে বেশি প্রভাবিত করেছে বলে আমি মনে করি।
আত্মকর্মসংস্থানকারী ব্যক্তি নিজের সিদ্ধান্তের প্রতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকেন। এ আত্মবিশ্বাসের জোরেই তিনি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য অবিরাম কাজ করেন। কোনো কারণে ব্যর্থ হলে তিনি নতুন উদ্যমে আবার কাজ শুরু করেন। ওপর দু'মাসের প্রশিক্ষণ নেয়। এতে তার মনোবল বেড়ে যায়। নিজের সিদ্ধান্তেই সে হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠা করে। সামী'র বিশ্বাস ছিল আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে সে সফল হবে। তাই তার বাবা তাকে বিদেশে পাঠাতে চাইলেও সে রাজি হয়নি। তার আত্মবিশ্বাস ছিল বিদেশ না গিয়ে দেশে থেকে সে সফল উদ্যোক্তা হতে পারবে। এ কারণেই প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান খামারে প্রয়োগ করে সে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে। এভাবে আত্মবিশ্বাসের গুণই তাকে স্বাবলম্বী করে তুলেছে।
উদ্দীপকের সামী বি. কম পাস করে এদেশেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চায়। এজন্য সে চাকরির পেছনে না ছুটে হাঁস-মুরগি পালনের ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন-২০১০ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশ হচ্ছে যুবক-যুবতী।
স্বল্প পুঁজি, নিজস্ব জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেই নিজের কাজের ব্যবস্থা করা হলো আত্মকর্মসংস্থান।
আত্মকর্মসংস্থানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে আয়ের সম্ভাবনা অসীম। ঝুঁকি নিয়ে আত্মকর্মসংস্থান হিসেবে কোনো ব্যবসায় শুরু করার প্রথম দিকে আয় কম হতে পারে। কিন্তু, ব্যবসায় সম্প্রসারিত হলে ব্যক্তির আয় বাড়তে থাকে। এ সুবিধা চাকরি বা অন্যান্য পেশায় পাওয়া যায় না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
