মি. ইমন একজন ব্যবসায়ী। তিনি স্ত্রীকে নমিনি করে তার নিজের জন্য একটি জীবন বিমাপত্র পলিসি গ্রহণ করেন। তবে বিমা পলিসির চুক্তি অনুযায়ী যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন প্রিমিয়াম দিতে হরে এবং তিনি মারা গেলে নমিনিকে দাবি পরিশোধ করবে। কিন্তু ৩ বছর প্রিমিয়াম দেওয়ার পর অসুস্থতার কারণে এখন আর প্রিমিয়াম দিতে পারছেন না। এমতাবস্থায় বিমার দাবির আবেদন করলে বিমা কোম্পানি প্রত্যাখ্যান করে এবং তাকে তার প্রদত্ত অর্থের অংশবিশেষ ফেরত দেয়। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

বিমাকারী বিমাকৃত ঝুঁকি একা বহন না করে অন্য কোনো বিমা প্রতিষ্ঠানের সাথে একটি নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে পুনরায় চুক্তি করলে তাকে পুনর্বিমা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মানুষের জীবনের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জীবন বিমা ক্ষতিপূরণের চুক্তি নয়।

জীবন বিমা চুক্তি অন্যান্য বিমা চুক্তি থেকে আলাদা। কারণ অন্যান্য বিমা চুক্তিতে বিমাকৃত বিষয়বস্তুর ক্ষতির ক্ষেত্রে বিমাকারী বিমাকৃত অর্থ দেয় অথবা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে। যেমন: পাঁচ বছরের জন্য কোনো গাড়ির বিমা করা হলে ঐ সময়ের মধ্যে গাড়িটি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিমাকারী ক্ষতিপূরণের যথাযথ ব্যবস্থা করে। কিন্তু জীবন বিমার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মেয়াদ অতিক্রম করলে বিমাকারী বিমাকৃত অর্থ বিমাগ্রহীতাকে দেয়। আর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিমাগ্রহীতার মৃত্যু হলে মনোনীত ব্যক্তি বিমাকৃত অর্থ পায়। এজন্য বলা হয় জীবন বিমা ক্ষতিপূরণের চুক্তি নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মি. ইমন অবিরাম কিস্তিসম্পন্ন আজীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেন।

এ ধরনের জীবন বিমাপত্রে বিমাগ্রহীতাকে যতদিন জীবিত থাকে ততদিন পর্যন্ত প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে হয়। অতঃপর বিমাগ্রহীতার মৃত্যুর পর তার মনোনীত বা উত্তরাধিকারীকে বিমার মূল্য ফেরত দেওয়া হয়। বিমাগ্রহীতা তার জীবদ্দশায় বিমা দাবি করতে পারে না।

উদ্দীপকে মি. ইমন একজন ব্যবসায়ী। তিনি স্ত্রীকে নমিনি করে তার নিজের জন্য একটি জীবন বিমাপত্র পলিসি গ্রহণ করেন। তবে বিমা পলিসির চুক্তি অনুযায়ী যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন প্রিমিয়াম দিতে হবে। মি. ইমন মারা গেলে নমিনিকে দাবি পরিশোধ করবে। অর্থাৎ, মি. ইমন তার জীবনের ওপর করা বিমাপত্রটি অবিরাম কিস্তিসম্পন্ন আজীবন বিমাপত্রের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, মি. ইমনের বিমাপত্রটি একটি অবিরাম কিস্তিসম্পন্ন আজীবন বিমাপত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বিমা প্রতিষ্ঠান বিমাগ্রহীতা মি. ইমনকে বিমা দাবি পরিশোধ না করে সমর্পণ মূল্য দিয়েছে, যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

বিমাগ্রহীতার পক্ষে বিমাপত্রের প্রিমিয়াম নিয়মিত পরিশোধ সম্ভব না হলে বিমাপত্র বিমা প্রতিষ্ঠানের কাছে সমর্পণ করা হয়। এটি সমর্পণের পর বিমাকারী বিমাগ্রহীতাকে যে অর্থ দেয় তা হলো সমর্পণ মূল্য। সাধারণত, দুই বছর পর্যন্ত প্রিমিয়ামের টাকা দিলে সমর্পণ মূল্য দেওয়া হয়।

উদ্দীপকে মি. ইমন একজন ব্যবসায়ী। তিনি তার জীবনের ওপর একটি আজীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেন। বিমাপত্রের প্রিমিয়াম মৃত্যু পর্যন্ত মি. ইমনকে দিতে হবে। কিন্তু তিন বছর প্রিমিয়াম দেওয়ার পর অসুস্থতার কারণে এখন আর প্রিমিয়াম দিতে পারছেন না। এ অবস্থায় বিমা দাবির আবেদন, করলে বিমা কোম্পানি প্রত্যাখ্যান করে। তবে তার প্রদত্ত প্রিমিয়ামের অংশ বিশেষ ফেরত দেয়।

মি. ইমন তার বিমাপত্রটির আর প্রিমিয়াম দিতে না পারায় বিমা প্রতিষ্ঠান তাকে সমর্পণ মূল্য দিয়ে বিমাপত্রটি বন্ধ করে দেয়। মি. ইমন যদি তার বিমাপত্রটি চালু রাখত তাহলে তাকে বাধ্যতামূলক প্রিমিয়াম দিতে হতো। তিনি প্রিমিয়াম চালু না রাখায় বিমা প্রতিষ্ঠানের যে ক্ষতি বিমা প্রতিষ্ঠান তা প্রাপ্ত প্রিমিয়ামের মাধ্যমে সমন্বয়ের চেষ্টা চালাবে। পাশাপাশি উক্ত প্রিমিয়ামের অংশ বিশেষ মি. ইমনকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে সমর্পণ মূল্য গ্রহণ মি. ইমনের জন্য লাভজনকই হবে। সুতরাং, বিমা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সমর্পণ মূল্য দেওয়াটা যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
124

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রিমিয়ামের বিনিময়ে অন্যের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নেওয়ার জন্য বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে যে চুক্তি হয় তাকে বিমা চুক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
244
উত্তরঃ

বিমাযোগ্য স্বার্থের নীতির আলোকে স্বামী তার স্ত্রীর জীবনের ওপর বিমা করতে পারে।

বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার আর্থিক স্বার্থই বিমাযোগ্য স্বার্থ। এক্ষেত্রে বিমাকৃত বিষয়বস্তুর ক্ষতিতে বিমাগ্রহীতা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। স্ত্রীর জীবনে কোনো ক্ষতি হলে, স্বামীও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই স্ত্রীর জীবনের ওপর স্বামীর বিমাযোগ্য স্বার্থ রয়েছে। এই বিমাযোগ্য স্বার্থ থাকার কারণেই স্বামী তার স্ত্রীর জীবনের ওপর বিমা করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
202
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মি. রকিব দ্বৈত বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।

এ ধরনের বিমা পলিসিতে একক বিষয়বস্তুকে একাধিক বিমা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিমা করা হয়। বিমাকৃত মূল্য না পাওয়ার ঝুঁকি এড়ানোই এরূপ বিমার মূল উদ্দেশ্য। সাধারণত অধিক মূল্যের সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের বিমা পলিসি গ্রহণ করা হয়।

উদ্দীপকে মি. রকিব EPZ এ অবস্থিত একটি সাইকেল কারখানার মালিক। তিনি তার কারখানার জন্য 'X' বিমা কোম্পানি ও 'Y' বিমা কোম্পানির সাথে পৃথকভাবে ত্রিশ লক্ষ টাকার দুটি বিমা চুক্তি করেন। একই বিষয়বস্তুর জন্য একাধিক বিমা কোম্পানির সাথে চুক্তি করলে তাকে দ্বৈত বিমা বলে। উদ্দীপকের মি. রকিবও দ্বৈত বিমা করেছেন। এক্ষেত্রে বিমাকৃত বিষয়বস্তুর ক্ষতিতে তাকে আনুপাতিক হারে বিমা দাবি পরিশোধ করা হবে। ফলে বিমা দাবি ফেরত না পাওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পাবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মি. রকিব তার কারখানার জন্য দ্বৈত বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
210
উত্তরঃ

আনুপাতিক হারে অংশগ্রহণের নীতি অনুযায়ী বিমা কোম্পানি কর্তৃক মি. রকিবের বিমা দাবি প্রত্যাখ্যান করা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।

এ নীতি সাধারণত দ্বৈত বিমার ক্ষেত্রে অধিক ব্যবহৃত হয়। নির্দিষ্ট সম্পত্তি একাধিক বিমাকারীর নিকট বিমা করা হলে বিমা কোম্পানিগুলো আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। সব বিমা কোম্পানি একত্রে বিমাগ্রহীতাকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।

উদ্দীপকে মি. রকিব EPZ এ অবস্থিত একটি সাইকেল কারখানার মালিক। তিনি তার কারখানার জন্য 'X' ও 'Y' দুটি বিমা কোম্পানির সাথে পৃথকভাবে বিমা করেন। উভয় কোম্পানিতেই তিনি ৩০ লক্ষ টাকা করে বিমা করেন। পরবর্তীতে দূর্ঘটনা জনিত কারণে তার কারখানার ৪ লক্ষ ।

উদ্দীপকের টাকার ক্ষতি হয়। মি. রাকিব উভয় কোম্পানির নিকট হতে পৃথকভাবে ৪ লক্ষ টাকা করে দাবি করেন। কিন্তু বিমা কোম্পানিগুলো তা প্রত্যাখ্যান করে। মি. রকিব দ্বৈত বিমা করেন। দ্বৈত বিমায় আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়। অর্থাৎ, বিমা কোম্পানিগুলো একত্রে মি. রকিবকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করবে। মি. রকিব উভয় বিমা কোম্পানিতে সমান টাকায় বিমা করেন। তাই উভয় বিমা কোম্পানি সমানভাবে ২ লক্ষ টাকা করে মোট ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে। কিন্তু মি. রকিব প্রত্যেক বিমা কোম্পানির কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা দাবি করেন, যা যৌক্তিক নয়। তাই বলা যায়, আনুপাতিক হারে অংশগ্রহণের নীতি অনুযায়ী মি. রকিবের বিমা দাবি প্রত্যাখ্যান করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
191
উত্তরঃ

বিমা প্রতিষ্ঠানের মুনাফার যে অংশ বিমা গ্রহীতাদের মধ্যে দেওয়া হয় তাকে বোনাস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
226
উত্তরঃ

বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার স্বার্থ থাকায় বিমা ব্যবসায়ে বিমাযোগ্য স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ।

বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার আর্থিক স্বার্থকে বিমাযোগ্য স্বার্থ বলে। আইনানুযায়ী বিমা একটি বৈধ ব্যবসায়। অসুস্থ মৃতপ্রায় কোনো ব্যক্তির জীবন বা অন্যের সম্পত্তি বিমা করে বিমা প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায় করা গেলে তা জুয়াখেলা হতো। কিন্তু বিমার ক্ষেত্রে বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার আর্থিক স্বার্থ থাকে। এ স্বার্থকে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত করতেই বিমার উদ্ভব হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
293
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews