যে বন্ড হতে নির্দিষ্ট সময় পরপর নির্দিষ্ট হারে কুপন সুদ পাওয়া যায় তাকে কুপন বন্ড বলে।
যৌথমূলধনী কোম্পানির মূলধনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমান অংশকে সাধারণ শেয়ার বলে।
সাধারণ শেয়ার যারা ক্রয় করে তারা কোম্পানির মালিক হিসেবে বিবেচিত হয়। সাধারণ শেয়ারমালিকদের সর্বশেষ দাবিদার বলা হয়। কারণ তারা সবার শেষে লভ্যাংশ পেয়ে থাকে। কোম্পানির বিলোপসাধনকালেও তাদের দাবি মিটানো হয় বন্ডহোল্ডার ও অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারদের পরে। এজন্য সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বশেষ দাবিদার বলা হয়।
উদ্দীপকের Y বন্ডটি হলো অপরিশোধযোগ্য বন্ড বা চিরস্থায়ী বন্ড।
চিরস্থায়ী বন্ড বলতে এমন এক ধরনের বন্ডকে বোঝায় যার নির্দিষ্ট মেয়াদকাল উল্লেখ থাকে না। এ ধরনের বন্ডের ক্ষেত্রে বন্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর সুদ প্রদান করে থাকে।
উদ্দীপকে লক্ষণীয়, Y বন্ডের সুদের হার ১২%, লিখিত মূল্য ১,০০০ টাকা এবং বাজারমূল্য ১,১৮০ টাকা। কিন্তু বন্ডের কোনো মেয়াদকাল উল্লেখ নেই। অর্থাৎ বন্ডটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোম্পানি কর্তৃক ইস্যু করা হয়। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, উদ্দীপকের Y বন্ডটি হলো একটি চিরস্থায়ী বন্ড।
মি. তারার বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা গাণিতিকভাবে মূল্যায়ন :
Z বন্ডের বর্তমান মূল্য নির্ণয় :
এখানে,
লিখিত মূল্য (FV) = ১,০০০ টাকা
মেয়াদপূর্তির মূল্য (MV) = ১,০০০ টাকা
সুদের পরিমাণ (l)= ১০০০ ১৪ %= ১৪০ টাকা
মেয়াদকাল (n) = ৫ বছর
প্রত্যাশিত আয়ের হার (K) = ১০% বা, ০.১০
আমরা জানি,
পরিশোধযোগ্য বন্ডের বর্তমান মূল্য,
= (১৪০ ৩.৭৯০৭৯) + ৬২০.৯২১৩২৩
= ৫৩০.৭১০৬ + ৬২০. ৯২১৩৩০
= ১,১৫১.৬৩ টাকা
লক্ষণীয় যে, Y বন্ডের বাজারমূল্য ১,১৮০ টাকা যা অন্তর্নিহিত মূল্য বা বর্তমান মূল্য ১,২০০ টাকা হতে কম। এ বন্ডে বিনিয়োগ করলে লাভহবে ( ১২০০- ১১৮০ )= ২০ টাকা। অন্যদিকে Z বন্ডের বাজারমূল্য ১,১২০ টাকা যা বন্ডের বর্তমান মূল্য ১,১৫১.৬৩ টাকা হতে কম। এ বন্ডে বিনিয়োগ করলে লাভ হবে (১,১৫১.৬৩ – ১,১২০) = ৩১.৬৩ টাকা। অর্থাৎ Z বন্ডের লাভ তুলনামূলকভাবে বেশি। সুতরাং বলা যায়, মি. তারার Z বন্ডে বিনিয়োেগ সিদ্ধান্ত সঠিক।
Related Question
View Allযে বন্ডের অভিহিত মূল্যের ওপর নির্দিষ্ট সময় অন্তর একটি নির্দিষ্ট হারে সুদ প্রদান করা হয় তাকে কুপন বন্ড বলে।
একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য যে মূলধনের প্রয়োজন হয় তাকে কার্যকরী মূলধন বলে।
চলতি সম্পদ ও চলতি দায় নিয়ে কার্যকরী মূলধন গঠিত। কার্যকরী মূলধনকে ব্যবসায়ের জীবনীশক্তি বলা হয়। কারণ এটা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে কোম্পানির উৎপাদন ও বিক্রয়কার্য পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
A বন্ডের চলতি আয়ের হার নির্ণয় :
এখানে,
অভিহিত মূল্য (FV) = ১,০০০ টাকা
বাজারমূল্য (SV) = ১১০০ টাকা
সুদের পরিমাণ (I)= ১০০০ ১২ % = ১২০ টাকা
আমরা জানি,
চলতি আয়ের হার
=
= ১০.৯১%
সুতরাং A বন্ডের চলতি আয়ের হার ১০.৯১%।
A বন্ডের বর্তমান মূল্য নির্ণয় :
এখানে,
অভিহিত মূল্য (FV) = ১,০০০ টাকা
বাজারমূল্য (SV) = ১,১০০ টাকা
প্রত্যাশিত আয়ের হার (Kd) = ১০%
সুদের পরিমাণ (I) = ১,০০০ × ১২% = ১২০ টাকা
আমরা জানি,
অপরিশোধযোগ্য বন্ডের বর্তমান মূল্য,
= ১,২০০ টাকা
B বন্ডের বর্তমান মূল্য নির্ণয় :
এখানে,
পরিপক্ক মূল্য (MV) = ১,৫০০ টাকা
বাজারমূল্য (SV) = ৬০০ টাকা
মেয়াদকাল (n) = ১২ বছর
প্রত্যাশিত আয়ের হার (Kd) = ১০% বা, ০.১০
আমরা জানি ,
জিরো কুপন বন্ডের মূল্য
=
=
=
= ৪৭৭.৯৫ টাকা
লক্ষণীয় যে, A বন্ডের বাজারমূল্য ১,১০০ টাকা যা বন্ডের বর্তমান মূল্য ১,২০০ টাকা হতে কম। এ বন্ডে বিনিয়োগ করলে লাভ হবে (১,২০০ - ১,১০০) = ১০০ টাকা। অপরপক্ষে, B বন্ডের বাজারমূল্য ৬০০ টাকা যা বন্ডের বর্তমান মূল্য ৪৭৭.৯৫ টাকা হতে বেশি। এ বন্ডে বিনিয়োগ করলে ক্ষতি হবে (৬০০ – ৪৭৭.৯৫) = ১২২.০৫ টাকা। এমতাবস্থায় জনাব স্বপনের A বন্ডে বিনিয়োগ করা উত্তম হবে।
৫ বছরের অধিক সময়ের জন্য যে অর্থায়ন করা হয় তাকে। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বলে।
যে শেয়ারহোল্ডারগণ লভ্যাংশ প্রাপ্তিতে ও মূলধন প্রত্যাবর্তনে অন্যান্য শেয়ারহোল্ডারদের চেয়ে অগ্রাধিকার পায় তাকে অগ্রাধিকার শেয়ার বলে।
যেসব বিনিয়োগকারী শেয়ারে বিনিয়োগ থেকে নির্দিষ্ট হারে আয় প্রত্যাশা করে, তাদের জন্য অগ্রাধিকার শেয়ার একটি ভালো বিনিয়োগ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক অগ্রাধিকার শেয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরের বিকল্প সুযোগ থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!