মি. রউফ একটি মোটরসাইকেল কারখানার মালিক। ২০১৫ সালে তার প্রাথমিক মূলধনের পরিমাণ ছিল ৫০০ কোটি টাকা। মোটরসাইকেল উৎপাদন লাভজনক হওয়ায় ২০১৬ সালে তিনি মূলধনের পরিমাণ ৬০০ কোটি টাকায় উন্নীত করলেন। উক্ত সময়ে তার মূলধনের ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় ছিল ৫ কোটি টাকা। সম্প্রতি সরকার মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য সুদের হার কমানো, সঠিক মুদ্রানীতি গ্রহণ, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কযেসব মূলধন উৎপাদন কাজে বারবার ব্যবহার করা হলেও এদের কোনো ক্ষতি বা পরিবর্তন হয় না, তাকে স্থায়ী মূলধন বলা হয়।

উত্তরঃ

হ্যাঁ, মূলধন একটি নিষ্ক্রিয় উপাদান।
মূলধন হলো মনুষ্যসৃষ্ট উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি অধিক উৎপাদনে সাহায্য করে; তবে উৎপাদনে সাহায্য করার কাজটি মূলধন নিজে করতে পারে না। মূলধন মনুষ্যসৃষ্ট হওয়ায় মানুষের সহযোগিতায় তা উৎপাদনে ব্যবহৃত হতে পারে। তাছাড়া সংগঠকের বুদ্ধিমত্তা ও শ্রমিকের শ্রম ছাড়া মূলধনের নিজস্ব কোনো কার্যক্ষমতা নেই। এজন্য মূলধনকে একটি নিষ্ক্রিয় উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. রউফের নিট মূলধনের পরিমাণ নিচে নির্ণয় করা হলো:
একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ বা প্রতিষ্ঠান যে পরিমাণ মূলধনসামগ্রী বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়, তা-ই হলো সেই প্রতিষ্ঠান বা দেশের মূলধন গঠন। আর এই গঠিত মূলধন থেকে মূলধনের ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নিট মূলধন।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, মি. রউফ একটি মোটরসাইকেল কারখানার মালিক। ২০১৮ সালে তার মূলধনের পরিমাণ ছিল ৫০০ কোটি টাকা। যা ২০১৬ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ৬০০ কোটি টাকা হয়। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির মূলধন গঠন = (৬০০ ৫০০) কোটি টাকা = ১০০ কোটি টাকা। উক্ত সময়ে মূলধনের ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় ৫ কোটি টাকা হলে নিট মূলধন = (১০০- ৫) কোটি টাকা = ৯৫ কোটি টাকা সুতরাং মি. রউফের নির্ণেয় নিট মূলধনের পরিমাণ ৯৫ কোটি টাকা।

উত্তরঃ

মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো যথেষ্ট বলে আমি মনে করি।
বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে মূলধন গঠনের জন্য ঋণের ওপর সুদের হার হ্রাস এবং সুষ্ঠু মুদ্রানীতি গ্রহণ করা হলে দেশের মূলধন গঠন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। আবার, দেশের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এর ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় এবং বিবেচ্য দেশটির মূলধন গঠন ত্বরান্বিত হয়।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, মূলধন গঠন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সম্প্রতি বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন- সুদের হার কমানো, সঠিক মুদ্রানীতি গ্রহণ, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রভৃতি। এসব পদক্ষেপের ফলে মি. রউফের মতো উদ্যোক্তাগণ লাভবান হবেন। এতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে তথা মূলধন গঠিত হবে।
একটি দেশের মূলধন গঠনের অন্যতম সমস্যা হলো বিক্ষিপ্ত ও অব্যবহৃত থাকা সঞ্চয়সমূহ সংগ্রহ করে বিনিয়োগ করা। যদি দেশে সঠিক মুদ্রানীতি গ্রহণ করা হয়, তবে ব্যাংকিং কাঠামো উন্নত হবে এবং সঞ্চিত অর্থ একত্রিত হয়ে অধিকতর উন্নয়ন কাজে ব্যয় হবে। আর বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ থাকলে সঞ্চিত অর্থের বিনিয়োগ ঘটে। ফলশ্রুতিতে বিবেচ্য দেশটির মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
তাই বলা যায়, মূলধন বৃদ্ধির জন্য সরকারের উল্লিখিত পদক্ষেপসমূহ যথেষ্ট।

157
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব মূলধন উৎপাদন কাজে বারবার ব্যবহার করা হলেও এদের কোনো ক্ষতি বা পরিবর্তন হয় না, তাকে স্থায়ী মূলধন বলা হয়।

331
উত্তরঃ

মূলধন হলো মানুষ কর্তৃক উৎপাদিত উৎপাদনের একমাত্র উপকরণ, যা উৎপাদন বা আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
মানুষের শ্রমে উৎপন্ন সম্পদের যে অংশ সরাসরি ভোগের জন্য ব্যবহৃত না হয়ে পুনরায় অধিকতর উৎপাদনের কাজে লাগে তাই হলো মূলধন। এ অর্থে কারখানা, যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, গুদামঘর ইত্যাদি হলো মূলধন। কারণ এগুলো মনুষ্যসৃষ্ট এবং এগুলো সরাসরি ভোগ করা যায় না; তবে মানুষ তার বুদ্ধি খাটিয়ে ও পরিশ্রম করে এগুলোকে অধিক উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করতে পারে। প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ মূলধন নয়; এটি তখনই মূলধনে রূপান্তরিত হবে যখন মানুষ চেষ্টা ও পরিশ্রম দ্বারা তাকে অধিক উৎপাদনের উপযোগী করে তুলবে।

321
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত তপনের পক্ষে তৃতীয় বছরের কাঙ্ক্ষিত মূলধন জোগাড় করা সম্ভব হবে, যদি সে তার সঞ্চয়পত্রের অর্থ ব্যবসায় বিনিয়োগ করে।
একজন সংগঠক তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উৎস হতে তার কাঙ্ক্ষিত মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। এ উৎসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ব্যক্তিগত সঞ্চয়, নিট মূলধন আয়, ব্যাংক ঋণ ইত্যাদি। যেমন ব্যক্তিগতভাবে সঞ্চিত অর্থকে বিনিয়োগের মাধ্যমে মূলধনী দ্রব্যে রূপান্তর করা যায়।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, তপন ছাত্রজীবনে সঞ্চিত ৩ লাখ টাকা থেকে ১ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনে এবং ২ লাখ টাকা দিয়ে হাঁস ও ভেড়ার খামার শুরু করে। ব্যবসা ভালো হওয়ায় সে তৃতীয় বছরে তার খামারের মূলধন ১৫ লাখ টাকায় উন্নীত করতে চায়। এক্ষেত্রে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় বছর নিট মূলধন আয় হয় ৯ লাখ টাকা এবং ব্যাংক ঋণ পায় ৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ তার মোট মূলধনের পরিমাণ দাঁড়ায় (৯+৫) বা ১৪ লাখ টাকা। তাই কাঙ্ক্ষিত মূলধন ১৫ লাখ টাকার জন্য প্রয়োজন আরো ১ লাখ টাকা। যা সে তার সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গিয়ে সংগ্রহ করতে পারে। উল্লেখ্য, তপনের ১ম বছরে ১ লাখ এবং ২য় বছরে ২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে। কাজেই বলা যায়, উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী তপন তৃতীয় বছরে তার কাঙ্ক্ষিত মূলধন জোগাড় করতে পারবে।

228
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সহায়তাসমূহ বলতে প্রশিক্ষণ প্রদান, জাতীয় সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক ঋণকে বোঝানো হয়েছে, যা মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি তথা মূলধন গঠন নির্ভর করে বিনিয়োগের পরিবেশ ও পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহের সুযোগের ওপর। আবার, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবশক্তি উৎপাদন বৃদ্ধিতে অধিক ভূমিকা রাখে। এর ফলে বিনিয়োগকারী অধিক বিনিয়োগে আগ্রহী হয়। বাংলাদেশে অনেক যুবক আছে যারা উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে চায় কিন্তু যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে সেভাবে পারে না। সেক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারলে তাদের কাজগুলো আরও ফলপ্রসূ হবে। ফলে মূলধন গঠন বৃদ্ধি পাবে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, তপন লেখাপড়া শেষে যুব উন্নয়ন কেন্দ্র হতে প্রশিক্ষণ নিয়ে হাঁস ও ভেড়া পালনের একটি খামার শুরু করে। সে যেহেতু শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত, সেহেতু সে তার ব্যবসায় উত্তরোত্তর উন্নতি লাভ করে। অর্থাৎ, প্রতি বছর তার ব্যবসায় নিট মূলধন আয় বৃদ্ধি পায়। ফলশ্রুতিতে তার ব্যবসায় মোট মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, তপন ১ম ও ২য় বছর যথাক্রমে ১ লাখ ও ২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে। যা ভাঙ্গিয়ে সে নির্দিষ্ট হারে সুদ পায়। এর ফলেও তার মূলধন বাড়ে। তাছাড়া, ব্যাংক ঋণও তপনের মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। উদ্দীপকে তপন তৃতীয় বছর তার ব্যবসার মূলধন ১৫ লাখ টাকায় উন্নীত করতে চায়। যার ৫ লাখ টাকা সে ব্যাংক ঋণ হিসেবে পেয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, উপরের উল্লিখিত সহায়তাগুলো তপনের মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে।

276
উত্তরঃ

যেসব মূলধন উৎপাদন কাজে বারবার ব্যবহার করা হলেও এদের কোনো ক্ষতি বা পরিবর্তন হয় না তাকে স্থায়ী মূলধন বলা হয়।

289
উত্তরঃ

অর্থ মূলধন হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে।
অর্থ হচ্ছে বিনিময়ের মাধ্যম, সঞ্চয়ের বাহন ও মূল্যের পরিমাপক। অন্যদিকে, মূলধন হচ্ছে উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান, যা পুনরায় উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, উৎপাদনের যেকোনো উপাদান, যা উৎপাদনে অবদান রাখে তা-ই মূলধন। সেই অর্থে, অর্থ যদি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তবে তাকে মূলধন বলা যায়। এছাড়া উৎপাদনকে গতিশীল রাখতে অর্থের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অর্থ সরাসরি ভূমিকা রাখছে। তাই অর্থ এখানে মূলধন। ব্যবহারগত তারতম্যের কারণে এ অর্থকে আবার আমরা মূলধন বলতে পারি না। যে অর্থ সঞ্চয় করে রাখা হয় অথবা ভোগের জন্য ব্যয় করা হয়, সেই অর্থ মূলধন নয়। অতএব, অর্থ যদি মুনাফা অর্জনে বিনিয়োগ করা হয় তবে তা মূলধন হিসেবে গণ্য হবে।

600
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews