মি. রাতুল একটি আমদানি-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক। ব্যবসায়িক কাজে ৩ মাসের জন্য বিদেশে যাওয়ার আগে পরিবারের ভবিষ্যতের চিন্তা করে ৩ মাস মেয়াদি একটি জীবন বিমাপত্র গ্রহণ করে। তাছাড়া তার প্রতিষ্ঠানে রক্ষিত গুদামে পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হলে ক্ষতিপূরণের লক্ষ্যে 'X' বিমা কোম্পানি ও 'Y' কোম্পানির নিকট বিমাপত্র গ্রহণ করে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিমাচুক্তিতে বিমাগ্রহীতার ঝুঁকি বহনের বিনিময়ে বিমাগ্রহীতা বিমাকারীকে যে অর্থ দেয় তাকে প্রিমিয়াম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

বিমার মাধ্যমে বিমাগ্রহীতা তার সম্ভাব্য ঝুঁকিকে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে বণ্টন করে বলে বিমাকে ঝুঁকি বণ্টনের যৌথ ব্যবস্থা বলা হয়।

বিমা এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিমাগ্রহীতার ক্ষতিকে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করা যায়। এ ব্যবস্থায় বিমাকারী বিভিন্ন বিমাগ্রহীতার কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে। এ বিনিময়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিমাগ্রহীতার ক্ষতিপূরণ করে। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মি. রাতুল মেয়াদের ভিত্তিতে সাময়িক জীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।

এ বিমাপত্র সাধারণত স্বল্পমেয়াদি হয়। এ ক্ষেত্রে মেয়াদের মধ্যে বিমাগ্রহীতা মারা গেলেই তার মনোনীত ব্যক্তিকে বিমা দাবি পরিশোধ করা হয়। আর যদি বিমাকৃত ব্যক্তি জীবিত থাকে তাহলে বিমা দাবি পাওয়া যায় না।

উদ্দীপকে মি. রাতুল একটি আমদানি-রপ্তানি প্রতিষ্ঠানের মালিক। ব্যবসায়িক কাজে তিনি তিন মাসের জন্য বিদেশে যান। যাওয়ার আগে পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিন মাস মেয়াদি একটি জীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেন। সাধারণত তিন মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের জন্য সাময়িক জীবন বিমাপত্র করা হয়। মি. রাতুলের গৃহীত জীবন বিমাপত্রটির মেয়াদও তিনমাস। অর্থাৎ, মি. রাতুলের বিমাপত্রটির বৈশিষ্ট্য সাময়িক বিমাপত্রের সাথে মিলে যায়। তাই বলা যায়, মি. রাতুল মেয়াদের ভিত্তিতে সাময়িক জীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

অধিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের জন্য গৃহীত দ্বৈত বিমাপত্রটির গুরুত্ব অপরিসীম।

এ ধরনের বিমা পলিসিতে একক বিষয়বস্তুকে একাধিক বিমা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিমা করা হয়। বিমাকৃত মূল্য না পাওয়ার ঝুঁকি এড়ানোই এরূপ বিমার উদ্দেশ্য। সাধারণত বেশি মূল্যের সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের বিমা পলিসি গ্রহণ করা হয়।

উদ্দীপকে মি. রাতুল একটি আমদানি-রপ্তানি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তার প্রতিষ্ঠানের রক্ষিত গুদামের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় মি. রাতুল 'X' বিমা কোম্পানি ও 'Y' বিমা কোম্পানির কাছে বিমা করেন। মি. রাতুল তার গুদামকে দু'টি বিমা প্রতিষ্ঠানে বিমা করে মূলত দ্বৈত বিমা করেছেন। বেশি মূল্যের সম্পদ একটি বিমা কোম্পানির কাছে বিমা করলে তা ক্ষেত্রবিশেষে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্বৈত বিমার আশ্রয় নেওয়া হয়। অর্থাৎ, সম্পদের অধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্বৈত বিমা করা হয। উদ্দীপকে মি. রাতুল যদি একটি বিমা কোম্পানিতে তার গুদামটি বিমা করতেন তবে ক্ষতির পরিমাণ অধিক হলে বিমা কোম্পানি তা বহনে যথেষ্ট নাও হতে পারত। তবে মি. রাতুল দ্বৈত বিমা করায় গুদামের ক্ষতি অধিক হলেও দু'টি বিমা প্রতিষ্ঠানই তা আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ করবে। তাই বলা যায়, অধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের জন্য গৃহীত দ্বৈত বিমাপত্রটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
95
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রিমিয়ামের বিনিময়ে অন্যের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নেওয়ার জন্য বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতার মধ্যে যে চুক্তি হয় তাকে বিমা চুক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
204
উত্তরঃ

বিমাযোগ্য স্বার্থের নীতির আলোকে স্বামী তার স্ত্রীর জীবনের ওপর বিমা করতে পারে।

বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার আর্থিক স্বার্থই বিমাযোগ্য স্বার্থ। এক্ষেত্রে বিমাকৃত বিষয়বস্তুর ক্ষতিতে বিমাগ্রহীতা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। স্ত্রীর জীবনে কোনো ক্ষতি হলে, স্বামীও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই স্ত্রীর জীবনের ওপর স্বামীর বিমাযোগ্য স্বার্থ রয়েছে। এই বিমাযোগ্য স্বার্থ থাকার কারণেই স্বামী তার স্ত্রীর জীবনের ওপর বিমা করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
163
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মি. রকিব দ্বৈত বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।

এ ধরনের বিমা পলিসিতে একক বিষয়বস্তুকে একাধিক বিমা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিমা করা হয়। বিমাকৃত মূল্য না পাওয়ার ঝুঁকি এড়ানোই এরূপ বিমার মূল উদ্দেশ্য। সাধারণত অধিক মূল্যের সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের বিমা পলিসি গ্রহণ করা হয়।

উদ্দীপকে মি. রকিব EPZ এ অবস্থিত একটি সাইকেল কারখানার মালিক। তিনি তার কারখানার জন্য 'X' বিমা কোম্পানি ও 'Y' বিমা কোম্পানির সাথে পৃথকভাবে ত্রিশ লক্ষ টাকার দুটি বিমা চুক্তি করেন। একই বিষয়বস্তুর জন্য একাধিক বিমা কোম্পানির সাথে চুক্তি করলে তাকে দ্বৈত বিমা বলে। উদ্দীপকের মি. রকিবও দ্বৈত বিমা করেছেন। এক্ষেত্রে বিমাকৃত বিষয়বস্তুর ক্ষতিতে তাকে আনুপাতিক হারে বিমা দাবি পরিশোধ করা হবে। ফলে বিমা দাবি ফেরত না পাওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পাবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মি. রকিব তার কারখানার জন্য দ্বৈত বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
171
উত্তরঃ

আনুপাতিক হারে অংশগ্রহণের নীতি অনুযায়ী বিমা কোম্পানি কর্তৃক মি. রকিবের বিমা দাবি প্রত্যাখ্যান করা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।

এ নীতি সাধারণত দ্বৈত বিমার ক্ষেত্রে অধিক ব্যবহৃত হয়। নির্দিষ্ট সম্পত্তি একাধিক বিমাকারীর নিকট বিমা করা হলে বিমা কোম্পানিগুলো আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে। সব বিমা কোম্পানি একত্রে বিমাগ্রহীতাকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।

উদ্দীপকে মি. রকিব EPZ এ অবস্থিত একটি সাইকেল কারখানার মালিক। তিনি তার কারখানার জন্য 'X' ও 'Y' দুটি বিমা কোম্পানির সাথে পৃথকভাবে বিমা করেন। উভয় কোম্পানিতেই তিনি ৩০ লক্ষ টাকা করে বিমা করেন। পরবর্তীতে দূর্ঘটনা জনিত কারণে তার কারখানার ৪ লক্ষ ।

উদ্দীপকের টাকার ক্ষতি হয়। মি. রাকিব উভয় কোম্পানির নিকট হতে পৃথকভাবে ৪ লক্ষ টাকা করে দাবি করেন। কিন্তু বিমা কোম্পানিগুলো তা প্রত্যাখ্যান করে। মি. রকিব দ্বৈত বিমা করেন। দ্বৈত বিমায় আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়। অর্থাৎ, বিমা কোম্পানিগুলো একত্রে মি. রকিবকে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করবে। মি. রকিব উভয় বিমা কোম্পানিতে সমান টাকায় বিমা করেন। তাই উভয় বিমা কোম্পানি সমানভাবে ২ লক্ষ টাকা করে মোট ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে। কিন্তু মি. রকিব প্রত্যেক বিমা কোম্পানির কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা দাবি করেন, যা যৌক্তিক নয়। তাই বলা যায়, আনুপাতিক হারে অংশগ্রহণের নীতি অনুযায়ী মি. রকিবের বিমা দাবি প্রত্যাখ্যান করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
152
উত্তরঃ

বিমা প্রতিষ্ঠানের মুনাফার যে অংশ বিমা গ্রহীতাদের মধ্যে দেওয়া হয় তাকে বোনাস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
181
উত্তরঃ

বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার স্বার্থ থাকায় বিমা ব্যবসায়ে বিমাযোগ্য স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ।

বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার আর্থিক স্বার্থকে বিমাযোগ্য স্বার্থ বলে। আইনানুযায়ী বিমা একটি বৈধ ব্যবসায়। অসুস্থ মৃতপ্রায় কোনো ব্যক্তির জীবন বা অন্যের সম্পত্তি বিমা করে বিমা প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায় করা গেলে তা জুয়াখেলা হতো। কিন্তু বিমার ক্ষেত্রে বিমাকৃত বিষয়বস্তুতে বিমাগ্রহীতার আর্থিক স্বার্থ থাকে। এ স্বার্থকে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত করতেই বিমার উদ্ভব হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
246
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews