মি. 'X' পেশায় একজন শিক্ষক। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য জ্ঞাপন করেন। আইন মেনে চলেন, যোগ্য নেতাকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এবং ছাত্র/ছাত্রীদের উপযুক্ত মানুষ হওয়ার প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন। বিনিময়ে তিনি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কিছু সুযোগ-সুবিধা উপভোেগ করেন। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ গৃহীত হয় ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

সাধারণভাবে অধিকার বলতে বোঝায় নাগরিকের নিজ ইচ্ছায় কিছু করা বা না করার অবাধ ক্ষমতাকে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসনে অধিকার বলতে বোঝায় সমাজে সকলের জন্য কল্যাণকর কতকগুলো সুযোগ-সুবিধা। বস্তুত জনগণের ব্যক্তিত্ব ও জীবনকে পূর্ণ বিকশিত করার জন্য সমাজ তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দান করে এবং এ সকল সুযোগ-সুবিধার সমষ্টিই হলো অধিকার। যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুযায়ী রাষ্ট্রের প্রতি মি 'X' -এর দায়িত্ব এবং প্রাপ্তসুবিধা দ্বারা রাষ্ট্রের প্রতি তার কর্তব্য পালন এবং রাষ্ট্রের নিকট থেকে তার অধিকার প্রাপ্তির বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে। নিচে পৌরনীতির আলোকে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো-

অধিকার ও কর্তব্য নাগরিকতার বিশেষ দুটি দিক। নাগরিকের যেমন অধিকার আছে তেমনি কর্তব্যও আছে। অধিকার ও কর্তব্য পরস্পরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর নির্ভরশীল এবং একে অপরের পরিপূরক। রাষ্ট্রের নাগরিকগণ নিজ নিজ অধিকারের বিনিময়ে রাষ্ট্রের প্রতি কিছু কর্তব্য পালন করে থাকে। কর্তব্য পালনের মাধ্যমেই মূলত অধিকার উপভোগ করা যায়। সমাজের মানুষ হিসেবে আমরা সমাজ কর্তৃক কিছু অধিকার ভোগ করি এবং এ অধিকার ভোগের বিনিময়ে সমাজের কল্যাণের জন্য কিছু কর্তব্য পালন করি। কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকে বোঝায় তেমনি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকে বোঝায়। যেমন-উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, মি 'X' পেশায় একজন শিক্ষক। শিক্ষক হিসেবে তার কর্তব্য হলো ছাত্রদের সঠিক শিক্ষা দেওয়া এবং শিক্ষকের নিকট থেকে শিক্ষা পাওয়াই হলো ছাত্র-ছাত্রীদের অধিকার।-এভাবে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে নাগরিকের যা অধিকার রাষ্ট্রের তা কর্তব্য এবং রাষ্ট্রের যা অধিকার নাগরিকের নিকট তাই কর্তব্য। রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার উপভোগের নিশ্চয়তা দেয় এবং রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কর্তব্য পালনের মাধ্যমে নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতেই উদ্দীপকে মি 'X' -এর দায়িত্ব এবং প্রাপ্ত সুবিধাকে পরস্পরের পরিপূরক বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

মানুষ ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য যে সুবিধাদি রাষ্ট্রের নিকট থেকে পেয়ে থাকে সেগুলোকে বলা হয় অধিকার। এ অধিকার কিভাবে রক্ষা করার উপায়গুলো হলো-

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: অধিকারের অন্যতম রক্ষাকবচ হচ্ছেআইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের প্রাধান্য এবং আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান। রাষ্ট্রে যদি আইনের শাসন কার্যকরী হয় তাহলে প্রত্যেক নাগরিক তার নিজ নিজ অধিকার ভোগ করতে পারবে এবং অধিকার রক্ষিত হবে।

আইন প্রয়োগ: নাগরিকের অধিকার রক্ষার অন্যতম রক্ষাকবচ হচ্ছে আইন। কেননা আইন আছে বলেই নাগরিকরা তাদের অধিকার পায়। এ জন্য অধিকার রক্ষার অন্যতম একটি মাধ্যম হলো আইনের যথাযথ প্রয়োগ।

সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ: নাগরিকগণ যে সব মৌলিকঅধিকার ভোগ করবে, সেগুলো দেশের সংবিধানে সন্নিবেশ থাকবে।
কেননা সংবিধানে নাগরিক অধিকারগুলো উল্লেখ থাকলে সরকার এসব অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। এজন্যই সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ অধিকার রক্ষার অন্যতম একটি মাধ্যম।

গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা: গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সর্বময়
ক্ষমতার অধিকারী এবং জনগণ নিজেরাই তাদের অধিকার রক্ষা করে। এ জন্য গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা নাগরিক অধিকারের অন্যতম রক্ষাকবচ।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নাগরিক অধিকারের অন্যতম রক্ষাকবচ। কেননা রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ যদি নিরপেক্ষভাবে বিচার করতে পারে তাহলে প্রত্যেক নাগরিক যথাযথভাবে তাদের অধিকার ভোগ করতে পারবে।

জনসচেতনতা: অধিকারের অন্যতম রক্ষাকবচ হলো জনসচেতনতা। কারণ জনগণ যদি সচেতন না হয় তাহলে সে তার অধিকার জানতে পারবে না এবং অধিকার রক্ষিতও হবে না। উপরোক্ত বিষয়গুলোর সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই নাগরিকদের সচেতন করার মাধ্যমে অধিকার রক্ষা করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
66
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রত্যেক রাষ্ট্রই এর প্রদত্ত অধিকারসমূহ দ্বারা পরিচিতি লাভকরে"- উক্তিটি করেছেন অধ্যাপক লাঙ্কি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
337
উত্তরঃ

'মানুষ' হিসেবে প্রতিটি মানুষ যে অধিকার ভোগ করতে জন্মগতভাবে প্রত্যাশী তাই মানবাধিকার। মানুষের মূল্য ও মর্যাদার সাথে সংশ্লিষ্ট এ অধিকারগুলো মানুষ জন্মগতভাবে লাভ করে থাকে। অর্থাৎ আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে প্রকৃতিগত ও সহজাত যে অধিকার প্রত্যাশা করি, তাই হলো মানবাধিকার। যেমন- জীবন ধারণের অধিকার, নিরাপত্তা লাভের অধিকার, নিষ্ঠুরতার শিকার না হওয়ার অধিকার, ন্যায়বিচার লাভের অধিকার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কথা বলা হয়েছে।
অধিকার ও কর্তব্য নাগরিকতার দুটি দিক। নাগরিকদের যেমন অধিকার আছে, তেমনি কর্তব্যও পালন করতে হয়। অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর পরিপূরক। এ দুটি যেন একই মুদ্রার দুটি দিকের ন্যায়। সামাজিক সচেতনতা থেকে এদের সৃষ্টি এবং সমাজের মধ্যেই এরা অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। নাগরিকগণ নিজ নিজ অধিকারের বিনিময়ে রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে থাকে। এজন্যই লাস্কি বলেন, "আমার নিরাপদে থাকার অধিকার থাকলে অন্যের কর্তব্য হলো আমাকে অন্যায়ভাবে আক্রমণ না করা।" অধিকার বলতে যেমন কতকগুলো শর্তকে বুঝানো হয়, তেমনি তা পালনও দায়িত্ব। যেমন-ভোটদানের অধিকার বলতে ভোটাধিকার প্রয়োগের দায়িত্বকেও বোঝায়। কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকেও বোঝায়, তেননি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকেও বোঝানো হয়। আমার সম্পত্তির ভোগের অধিকার আছে, এর অর্থ অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায় হস্তক্ষেপ না করাও আমার দায়িত্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
249
উত্তরঃ

কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকে বোঝায়, তেমনি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকে বোঝায়। একজনের অধিকার ভোগ করা অন্যের কর্তব্য পালনের ওপর নির্ভরশীল। এজন্যই বলা হয়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত। যেমন- আমার বেঁচে থাকার যদি অধিকার থেকে থাকে, তবে আমার কর্তব্য হলো

অন্যের বেঁচে থাকার পথে কোনো বাধার সৃষ্টি না করা। অনুরূপভাবে অন্যের কর্তব্যও হলো আমাকে হত্যা না করা। অধিকার ও কর্তব্য একটি ছাড়া অন্যটি কল্পনা করা যায় না। সমাজের একজনের অধিকারের পরিধি অন্য সকলের কর্তব্যবোধ দ্বারা সীমাবদ্ধ। কারণ অধিকার যদি অবাধ ও সীমাহীন হয় তবে এ থেকে স্বেচ্ছাচারিতার জন্ম হবে। এতে সবল ব্যক্তি অধিকার ভোগ করবে; কিন্তু দুর্বল তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
রাষ্ট্র নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করবে। বিনিময়ে নাগরিকগণ রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে। নাগরিকের যা দায়িত্ব রাষ্ট্রের তা অধিকার আর রাষ্ট্রের যা দায়িত্ব নাগরিকের তা অধিকার। রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার উপভোগের নিশ্চয়তা দেয়। ফলে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হয়। অর্থাৎ বলা যায়, অধিকার ও কর্তব্য নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। কার্ল মার্কস বলেছেন, "কর্তব্য ছাড়া কোনো অধিকার নেই আর অধিকার ছাড়া কোনো কর্তব্য নেই।” সুতরাং বলা যায়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
218
উত্তরঃ

সাধারণভাবে যেকোনো বস্তু বা বিষয় সম্পর্কে জানার জন বিবরণকে তথ্য বলা হয়। তথ্য অধিকার আইনে তথ্যকে সুনির্দিষ্টভাে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত যে কোনো স্মারক, বই, নকশ মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য- উপাত্ত, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, আলোকচিত্র অডিও, ভিডিও, যান্ত্রিকভাবে পঠনযোগ্য দলিলাদি এবং বৈশিষ্ট নির্বিশেষে যেকোনো তথ্যবহ বস্তু ইত্যাদিকে তথ্য বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
332
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews