পরিবেশের যেসব উপাদান ব্যবস্থাপকীয় কার্যাবলিকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে, তাকে ব্যবসায় পরিবেশ বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশাজীবিগণ প্রত্যক্ষভাবে সেবা বিক্রয় কাজে নিয়োজিত থাকলে তাকে প্রত্যক্ষ সেবা বলে।
প্রত্যক্ষ সেবা হতে হলে অবশ্যই মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকতে হয় এবং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সংশ্লিষ্ট কার্যাবলি সম্পাদন করতে হয়। যেমন- ক্লিনিক ব্যবসায়, আইন ব্যবসায়, হিসাব বৃত্তি, প্রকৌশল কার্য ইত্যাদি। এসব সেবাকর্ম প্রত্যক্ষ সেবা হিসেবে পরিচিত। কারণ এসব কাজের পেছনে এ পেশায় নিয়োজিত মানুষের সেবাকর্ম বা বৃত্তি সরাসরিভাবে সেবাদানকারী ও সেবা গ্রহণকারীর সাথে সম্পৃক্ত থাকে।
মালিকানার ভিত্তিতে মীমের প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায়ের ধরন হলো একমালিকানা ব্যবসায়।
একজন ব্যক্তির মালিকানায় পরিচালিত ব্যবসায়কে একমালিকানা ব্যবসায় বলে। একমালিকানা ব্যবসায়ে মালিক নিজেই মূলধন যোগান দেয়, ঝুঁকি বহন করে। পরিচালনা করে এবং মুনাফা ভোগ করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক চাহিদা থাকায় নকশার কাজে পারদর্শী মীম নকশাকৃত টুপি তৈরির কারখানা স্থাপন করেন। দক্ষতার কারণে অল্প সময়ের ব্যবধানে তার ব্যবসায় দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করে। যেহেতু উক্ত টুপি কারখানার মালিক নিজেই মূলধনের যোগানদাতা, ঝুঁকি বহন এবং পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। তাই বলা যায়, মালিকানার ভিত্তিতে মীমের প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায়ের ধরন হলো একমালিকানা ব্যবসায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম ও ২য় পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠনের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠন শ্রেষ্ঠ।
একক মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত সংগঠনকে একমালিকানা ব্যবসায় বলে। পক্ষান্তরে, চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কের ভিত্তিতে একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায়কে অংশীদারি ব্যবসায় বলে।
উদ্দীপকের প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠন অর্থাৎ একমালিকানা ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তার মূল কারণ হলো স্বল্প পুঁজি নিয়ে সহজেই ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা করা যায়। এ ব্যবসায়ের মালিক একজন হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। ব্যবসায় হতে প্রাপ্ত সকল মুনাফা মালিক একাই ভোগ করে। তাছাড়া একক নিয়ন্ত্রণ, সহজ হিসাবরক্ষণ, সর্বজনীনতা, সরকারি বিধি-নিষেধমুক্ত, নমনীয়তা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য একমালিকানা ব্যবসায়কে অনান্য ব্যবসায় থেকে আলাদা করে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আর ২য় পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠনের ক্ষেত্রে অর্থাৎ অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে একাধিক মালিক থাকে বিধায় দায়ের ঝুঁকি বণ্টনের সুযোগ থাকে। মূলত একমালিকানা ব্যবসায়ে মালিকের সাংগঠনিক ও আর্থিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা দূর করে মানুষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে উদ্ভব হয় যৌথ মালিকানায় অংশীদারি ব্যবসায়। তবে অংশীদারি ব্যবসায়ও অসুবিধামুক্ত নয়। অসীম দায়, ব্যবস্থাপনার জটিলতা, আস্থা ও বিশ্বাসে সমস্যা, গোপনীয়তার অভাব, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম পর্যায়ের সংগঠন অর্থাৎ একমালিকানা ব্যবসায়ে পর্যাপ্ত পুঁজির সংস্থান না থাকলেও অন্যান্য সকল সুবিধা বিদ্যমান কিন্তু ২য় পর্যায়ের সংগঠনে অর্থাৎ অংশীদারি সংগঠনের মাধ্যমে পুঁজি সমস্যার সমাধান হলেও ভবিষ্যতে ঝামেলা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম ও ২য় পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠনের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায় সংগঠন শ্রেষ্ঠ।
Related Question
View Allএক মালিকানা ব্যবসায় প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকের ব্যবসায়ীকে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছে।
এ ধরনের ব্যবসায় এক মালিকানায় গঠিত পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্যবসায় পরিধির ছোট হয় মালিক নিজেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। এতে মালিকের সাথে গ্রাহকদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে গ্রাহকের পরামর্শ নিয়ে সহজেই ব্যবসায়ী সফলতা লাভ করা যায়।
উদ্দীপকের জনাব প্রণয় নিজস্ব ও ধার করা অর্থ দিয়ে একটি মনিহারি দোকান দেন। স্বল্প পুঁজির কারণে তার দোকানে পর্যাপ্ত পণ্য নেই। তাই তিনি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হন। তিনি একাই দোকানটি পরিচালনা করেন। তাই গ্রাহকদের সাথে তার সরাসরি যোগাযোগ হয়। তিনি স্থানীয় ক্রেতাদের পরামর্শ নিয়ে তাদের চাহিদা সম্পর্কে জানেন এবং এরপর সে অনুযায়ী পণ্য দোকানে তোলেন। ফলে তার গ্রাহকদের সংখ্যা বেড়ে যায়। তাই বলা যায় যে গ্রাহকদের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের কারণে জনাব রক্তিম প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন।
এক মালিকানা ব্যবসায় প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকের ব্যবসায়ীকে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছে।
এ ধরনের ব্যবসায় এক মালিকানায় গঠিত পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্যবসায় পরিধির ছোট হয় মালিক নিজেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। এতে মালিকের সাথে গ্রাহকদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে গ্রাহকের পরামর্শ নিয়ে সহজেই ব্যবসায়ী সফলতা লাভ করা যায়।
উদ্দীপকের জনাব প্রণয় নিজস্ব ও ধার করা অর্থ দিয়ে একটি মনিহারি দোকান দেন। স্বল্প পুঁজির কারণে তার দোকানে পর্যাপ্ত পণ্য নেই। তাই তিনি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হন। তিনি একাই দোকানটি পরিচালনা করেন। তাই গ্রাহকদের সাথে তার সরাসরি যোগাযোগ হয়। তিনি স্থানীয় ক্রেতাদের পরামর্শ নিয়ে তাদের চাহিদা সম্পর্কে জানেন এবং এরপর সে অনুযায়ী পণ্য দোকানে তোলেন। ফলে তার গ্রাহকদের সংখ্যা বেড়ে যায়। তাই বলা যায় যে গ্রাহকদের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের কারণে জনাব রক্তিম প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!