মীম বাবার সাথে চিড়িয়াখানা ঘুরে খুব আনন্দ উপভোগ করে। বাবাকে সে বলল, বাঘ, সিংহ, হরিণ ইত্যাদি প্রাণীগুলো একদিকে আর শালিক, তোতা ও ময়না ইত্যাদি পাখিগুলো অন্যদিকে দেখে ভালো লেগেছে। উত্তরে বাবা বললেন, প্রাণীগুলো ইচ্ছা করলে মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী এ দু'ভাগেও সাজানো যেতে পারে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে জাগতিক বিষয়বস্তুকে তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে মানসিকভাবে একত্রিত করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণ এক ধরনের মানসিক প্রক্রিয়া; কারণ শ্রেণিকরণে বস্তুসমূহ বস্তুগতভাবে নয়, বরং কাল্পনিকভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। সাধারণভাবে জগতে অসংখ্য সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়বস্তু রয়েছে, যার সবগুলোকে আমাদের পক্ষে সরাসরি প্রত্যক্ষ করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে কয়েকটি সাদৃশ্যপূর্ণ বস্তু নিরীক্ষণ করে আমরা এ জাতীয় সব বস্তুকে মনে মনে একই শ্রেণিতে বিন্যস্ত করতে পারি। কাজেই শ্রেণিকরণের জন্য সব বস্তুর সামনে উপস্থিত থাকার কোনো প্রয়োজন হয় না; যেমন : যখন আমরা ফুলকে গন্ধহীন ও গন্ধযুক্ত- এ দুই শ্রেণিতে সন্নিবেশিত করি, তখন এ দুই শ্রেণিভুক্ত সমস্ত ফুলকে আমাদের সামনে থাকার বা সেগুলো প্রত্যক্ষ করার প্রয়োজন হয় না। অথচ শ্রেণিবিন্যস্ত হওয়ার কারণে এ দুই শ্রেণির অন্তর্গত সব ফুল সম্পর্কে আমাদের মনে একটা সুস্পষ্ট ধারণা জন্মে। এ প্রেক্ষিতে শ্রেণিকরণকে মানসিক প্রক্রিয়া বলা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মীম এর বক্তব্যে শ্রেণিকরণের যে রূপটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো কৃত্রিম শ্রেণিকরণ। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

সাধারণত ব্যবহারিক সুবিধা বা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য গুরুত্বহীন ও বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলি বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বলা হয়। বস্তুত কৃত্রিম শ্রেণিকরণে কোনোরূপ প্রাকৃতিক বা বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুসরণ করা হয় না, এজন্য একে অবৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ বলা হয়। এছাড়া এ ধরনের শ্রেণিকরণের ভিত্তি হচ্ছে বিশেষ উদ্দেশ্য সাধন। তাই এরূপ শ্রেণিকরণকে বিশেষ শ্রেণিকরণও বলা যায়। মূলত ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক সুবিধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এরূপ শ্রেণিকরণের প্রধান কাজ। তাই একে ব্যবহারিক শ্রেণিকরণ ও প্রায়োগিক শ্রেণিকরণ নামেও অভিহিত করা হয়। সর্বোপরি এ জাতীয় শ্রেণিকরণকে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বলা হয় এজন্য যে, এক্ষেত্রে শ্রেণিকরণে প্রাকৃতিক বা বৈজ্ঞানিক কোনো নীতি অনুসরণ না করেই সাদৃশ্যের মৌলিক, গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য বিষয়সমূহকে বাদ দিয়ে ব্যক্তিবিশেষের ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও ব্যবহারিক সুবিধা অনুযায়ী কতগুলো বাহ্যিক ও গুরুত্বহীন সাদৃশ্যকে শ্রেণিকরণের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো গ্রন্থাগারের গ্রন্থসমূহকে আকৃতিগত, বিষয়বস্তুগত বা ভাষাগত সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিন্যস্তকরণই হচ্ছে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ। এরূপ শ্রেণিকরণের মাধ্যমে সর্বসাধারণের জ্ঞান অর্জিত হয় না, তবে এর মাধ্যমে গ্রন্থাগারিক এবং গ্রন্থ ও গ্রন্থাগারের সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশ্য চরিতার্থ হয় বা ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জিত হয়। এক্ষেত্রে গ্রন্থের শ্রেণিবিন্যাসটি কৃত্রিম এজন্য যে, এখানে সাদৃশ্যের বিষয় হিসেবে গ্রন্থের আকৃতি, বিষয়বস্তু বা ভাষা প্রকৃতি প্রদত্ত নয়, বরং এগুলো মানুষের মনগড়া ও ইচ্ছামতো নেওয়া গুরুত্বহীন ও বাহ্যিক সাদৃশ্য। বস্তুত এ জাতীয় সাদৃশ্য ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে, বিধায় কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম হতে পারে।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে মীম এর বক্তব্যে শ্রেণিকরণের যে রূপটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো কৃত্রিম শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মীম ও তার বাবার বক্তব্যে শ্রেণিকরণের যে রূপগুলো প্রকাশ পেয়েছে তা হলো কৃত্রিম শ্রেণিকরণ ও প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ। নিচে তার তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-

⇨ কৃত্রিম শ্রেণিকরণে কতগুলো অবান্তর, গুরুত্বহীন ও বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। অপরদিকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণে কতগুলো মৌলিক, গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 

⇨ কৃত্রিম শ্রেণিকরণের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের বিষয়সমূহ মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট ও নির্ধারিত হয়ে থাকে এবং মানুষই এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ এখানে মানুষের মনগড়া কিছু বিষয় সাদৃশ্যের উপাদান হিসেবে কাজ করে। অপরদিকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের বিষয়সমূহ প্রকৃতিতেই নিহিত থাকে এবং প্রকৃতিই এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ বিষয়বস্তুর প্রকৃতি প্রদত্ত গঠন ও বৈশিষ্ট্য এখানে সাদৃশ্যের উপাদান হিসেবে কাজ করে। 

⇨ কৃত্রিম শ্রেণিকরণের উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যবহারিক বা বিশেষ সুবিধা লাভ করা। অপরদিকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের উদ্দেশ্য হচ্ছে সাধারণ জ্ঞান বা বিশুদ্ধ জ্ঞান অর্জন করা। 

⇨ কৃত্রিম শ্রেণিকরণে অবান্তর সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর শ্রেণিবিন্যাস করা হয় বলে এরূপ শ্রেণিকরণ অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিভেদে ভিন্ন আকার ধারণ করে থাকে। অপরদিকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণে প্রকৃত বা অপরিহার্য সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর শ্রেণিবিন্যাস করা হয় বলে এরূপ শ্রেণিকরণ ব্যক্তিভেদে অভিন্ন হয়ে থাকে।

⇨ কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মাধ্যমে ব্যক্তিবিশেষের বা সীমিতসংখ্যক ব্যক্তির বিশেষ বা ব্যবহারিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ হয়। অপরদিকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সর্বজনীন উদ্দেশ্য সাধিত হয়। 

⇨ কৃত্রিম শ্রেণিকরণ হচ্ছে একটি লৌকিক প্রক্রিয়া। অপরদিকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ হচ্ছে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। 

⇨ কৃত্রিম শ্রেণিকরণে বস্তুসমূহের শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষেত্রে কোনোরূপ ক্রম অনুসরণ করার প্রয়োজন হয় না। অপরদিকে প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণে বস্তুসমূহকে ক্রমানুসারে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে মীম ও তার বাবার বক্তব্যে শ্রেণিকরণের যে রূপগুলো প্রকাশ পেয়েছে তা হলো কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক শ্রেণিকরণ এবং উপরে উভয়ের তুলনামূলক আলোচনা করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
131
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে জাগতিক বিষয়বস্তুকে তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে মানসিকভাবে একত্রিত করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
754
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের স্বরূপ বিশ্লেষণ করলে এর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। যথা : (১) শ্রেণিকরণ এক ধরনের মানসিক প্রক্রিয়া। (২) শ্রেণিকরণের ভিত্তি হলো সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য। (৩) শ্রেণিকরণ হলো শৃঙ্খলাবদ্ধকরণ বা সুবিন্যস্তকরণ। (৪) শ্রেণিকরণে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য নিহিত থাকে। (৫) শ্রেণিকরণ প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যার সাথে জড়িত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
545
উত্তরঃ

উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক রহমান সাহেব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাঁটতে এসে বিভিন্ন গাছপালা দেখেন। এর মধ্যে কিছু গাছে ফুল ফোটে, কিছু গাছে ফল ধরে, আবার কিছু গাছ ফুল-ফল ছাড়াই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রকৃতির এ বৈচিত্র্যপূর্ণ গাছপালা দেখেই তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন যে, উদ্যানে দুই শ্রেণির উদ্ভিদ রয়েছে। যার কিছু সপুষ্পক উদ্ভিদ এবং কিছু অপুষ্পক উদ্ভিদ। রহমান সাহেব তার ব্যবহারিক সুবিধা বা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য এই শ্রেণিকরণটি করেছেন।

সাধারণত ব্যবহারিক সুবিধা বা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য গুরুত্বহীন ও বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করার মানসিক প্রক্রিয়াকে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বলে। বস্তুত কৃত্রিম শ্রেণিকরণে কোনোরূপ প্রাকৃতিক বা বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। এ জন্য একে অবৈজ্ঞানিক শ্রেণিকরণ বলা হয়। মূলত ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক সুবিধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এরূপ শ্রেণিকরণের প্রধান কাজ।

সর্বোপরি সব দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, রহমান সাহেবের শ্রেণিকরণটি কৃত্রিম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
220
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মধ্যকার পার্থক্যকে আমি যুক্তিসংগত বলে স্বীকার করি না। কারণ প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের পার্থক্যসমূহ গুণগত নয়, উদ্দেশ্যগত। এজন্য এদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো রেখা টানাও ঠিক নয়। 

বস্তুত বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে এক অর্থে সব শ্রেণিকরণই প্রাকৃতিক, আবার অন্য অর্থে সব শ্রেণিকরণই কৃত্রিম। সব শ্রেণিকরণই প্রাকৃতিক হওয়ার কারণ হিসেবে বলা যায়, যেকোনো বিষয়ের শ্রেণিকরণ করতে গিয়ে প্রযোজ্য সাদৃশ্যের বিষয়গুলোকে আমরা আমাদের মনের উপর নির্ভরশীল বলে মনে করি। প্রকৃতপক্ষে সেগুলো প্রকৃতিতেই বিদ্যমান থাকে। অর্থাৎ এসব সাদৃশ্য মনবহির্ভূত এবং এগুলো বহির্জগতে স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে বিরাজ করে। আমাদের মন কেবল সাদৃশ্যের বিষয়গুলোকে নির্বাচন করে সেগুলোর ভিত্তিতে জাগতিক বস্তুসমষ্টি বা ঘটনাবলিকে শ্রেণিবদ্ধ করে মাত্র। অন্যদিকে সব শ্রেণিকরণকেই কৃত্রিম বলার কারণ হিসেবে বলা যায়, সব শ্রেণিকরণই মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট। অর্থাৎ মানুষই নিজেদের প্রযোজন অনুযায়ী প্রকৃতিতে বিদ্যমান বস্তু বা ঘটনাবলিকে নির্বাচন করে সেগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করে। কারণ প্রকৃতির এমন কোনো নিজস্ব শক্তি নেই, যার ফলে প্রকৃতির বস্তুসমষ্টি বা ঘটনাবলি নিজে নিজেই শ্রেণিবদ্ধ হতে পারে। এককথায়, প্রকৃতিতে বস্তু বা ঘটনাবলি যেভাবে থাকার সেভাবেই থাকে। এমনকি মানুষও তাদেরকে বিভিন্ন জায়গা থেকে তুলে এনে পাশাপাশি শ্রেণিবদ্ধ করে না; বরং এগুলোকে মানুষ শ্রেণিবদ্ধ করে মনে মনে। কাজেই শ্রেণিকরণটি ঘটে মানুষের মনে মনে, বাস্তবে নয়। আর এদিক থেকেই বলা যায়, সব শ্রেণিকরণই মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট, সুতরাং তা কৃত্রিম।

তাই প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম শ্রেণিকরণের মধ্যে পার্থক্যকে আমি যথার্থ বলে মনে করি না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
231
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের ভিত্তি হচ্ছে সংজ্ঞা, কিন্তু মতান্তরে লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
299
উত্তরঃ

শ্রেণিকরণের মাধ্যমে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে জাগতিক বস্তু বা ঘটনাবলিকে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। তবে অনেক সময় কয়েকটি শ্রেণির মধ্যে একই গুণ বিভিন্ন মাত্রায় বিদ্যমান থাকে। এ অবস্থায় সেই শ্রেণিগুলোকে আবার গুণের মাত্রা অনুসারে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। আর এভাবে শ্রেণিবিন্যাস করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে ক্রমিক শ্রেণিকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
331
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews