বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ১০ নম্বর সেক্টরে কোনো স্থায়ী সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল মূলত একটি নৌ-সেক্টর। এর কোনো সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না। এটি ছিল নৌ কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ সেক্টর। নৌ-কমান্ডোররা সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা এবং নদীবন্দরগুলোতে গেরিলা আক্রমণ চালাতেন। এই সেক্টরের অপারেশনগুলো সরাসরি মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতির (জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী) অধীনে পরিচালিত হতো। যেহেতু কমান্ডোরা যখন যে অঞ্চলে অভিযানে যেতেন, তখন সেই অঞ্চলের সেক্টর কমান্ডারের সহায়তা নিতেন, তাই এই সেক্টরের জন্য আলাদা কোনো স্থায়ী সেক্টর কমান্ডারের পদ রাখা হয়নি। সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-পথসমূহ এই সেক্টরের আওতাভুক্ত ছিল। ফ্রান্স থেকে আসা পাকিস্তানের 'ম্যাঙ্গো' সাবমেরিনের ৮ জন বাঙালি নাবিক এবং পরবর্তীতে বাছাইকৃত প্রায় ৫০০ মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে এই বিশেষ বাহিনী গঠিত হয়।
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
২ নং সেক্টর।
২ নং সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধে সময় বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!