মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১টি সেক্টর ছিল । জার মধ্যে ঢাকা ২নং সেক্টরের অধীনে ছিল। সেক্টর নং ০২: ঢাকা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, আখাউড়া, ভৈরব ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) কাপ্টেন এ.টি.এম. হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর) সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
২ নং সেক্টর।
২ নং সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধে সময় বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!