যে সকল ব্যয়ের উপযোগিতা বর্তমান হিসাব বছরের পাশাপাশি পরবর্তী একাধিক বছরসমূহেও পাওয়া যাবে, তা-ই মূলধনজাতীয় ব্যয়। স্থায়ী সম্পদ (জমি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, মোটরগাড়ি ইত্যাদি) ক্রয়, স্থায়ী সম্পদ ক্রয়সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ (সম্পদ ক্রয়ের আমদানি শুল্ক, জাহাজ ভাড়া, পরিবহন খরচ, সংস্থাপন ব্যয় প্রভৃতি) মূলধনজাতীয় ব্যয়স্বরূপ গণ্য করা হয়।
একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্ট কালব্যাপী চলমান থাকবে, যা সকলেই আশা করে। নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যবসায়ের লাভ-ক্ষতি ও সার্বিক অবস্থা জানাও প্রয়োজন। কিছু লেনদেন এমন, যাদের সুবিধা নির্দিষ্ট সময়েই শেষ হয়ে যায় এবং কিছু লেনদেন এমন, যাদের সুবিধা দীর্ঘ সময়ব্যাপী পাওয়া যায়। এই অবস্থা বিবেচনা করেই লেনদেনসমূহকে মূলধন ও মুনাফা জাতীয় এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। লেনদেনসমূহ সঠিকভাবে বিভক্তকরণের উপরই ব্যবসায়ের প্রকৃত লাভ-ক্ষতি ও আর্থিক অবস্থা জানা নির্ভর করে। তাই মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেন সঠিকভাবে চিহ্নিত করার মাধ্যমে হিসাববিজ্ঞানের উদ্দেশ্য অর্জন ত্বরান্বিত হয়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
- মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেনের ধারণা বর্ণনা করতে পারব।
- মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেনের পার্থক্য নিরূপণ করতে পারব।
- মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেনের পার্থক্যকরণের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারব।
- লাভ-ক্ষতি পরিমাপ এবং আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকালে মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেনসমূহ যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!