মোস্তাকিম ছোটবেলা থেকেই বেশ শান্ত, নম্র, ভদ্র, চিন্তাশীল ও জ্ঞানপিপাসু। নিয়মিত কুরআন পাঠ, নামাজ পড়া, বই খাতা পেলেই পড়তে বসা তার রুটিনের অন্তর্ভুক্ত কাজ ছিল। অভাবীদের প্রতি তার সহানুভূতি ছাত্রজীবন থেকেই চোখে পড়ত। বড় হওয়ার পর সে একজন নামকরা ডাক্তার হয়ে সবার মুখ উজ্জ্বল করল। অর্জিত আয়ের একটি বড় অংশ গরিব-দুঃখীদের কল্যাণে ব্যয় করে সবার নয়নের মনি হয়ে থাকল সেই ছোট বালক মোস্তাকিম। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র) বড়পির নামে প্রসিদ্ধ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র) কে রাসুল (স) এর বংশধর বলে গণ্য করা হয়। হযরত আব্দুল কাদির জিলানি ১০৭৭ খ্রিষ্টাব্দে ইরানের জিলান শহরে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মস্থানের নামানুসারে তাকে জিলানি বলা হয়। তার উপনাম আবু সালেহ, উপাধি মুহিউদ্দিন। তার পিতার নাম আবু সালেহ মুসা। তিনি হযরত ফাতেমা (রা) এর পুত্র ইমাম হাসান (রা) এর বংশধর ছিলেন। তার মাতার নাম উম্মুল খায়ের ফাতিমা। তিনি ইমাম হুসাইন (রা) এর বংশধর ছিলেন। এজন্য হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (রা) কে আওলাদে রসুল বলে গণ্য করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মোস্তাকিম দানের ক্ষেত্রে গরিব-দুঃখীদের কল্যাণে অর্থ ব্যয় করার মাধ্যমে হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র) কে অনুসরণ করেছে।

আব্দুল কাদির জিলানি (র) বাল্যকাল হতেই শান্ত, নম্র, ভদ্র চিন্তাশীল ও জ্ঞানানুরাগী ছিলেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই অভাবীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। তার ছাত্রজীবনে বাগদাদে অভাব-অনটন দেখা দেয়। তিনি তার কাছে থাকা স্বর্ণমুদ্রা হতে অভাবীদেরকে দান করেন এবং নিজে খেয়ে না খেয়ে জীবন অতিবাহিত করেন। এছাড়া বাগদাদে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তিনি তার হাতখরচের অর্থ দ্বারা দুস্থদের সাহায্য করেন এবং নিজে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন অতিবাহিত করতে থাকেন। উদ্দীপকেও গরিব-দুঃখীদের দানের বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়।

উদ্দীপকের মোস্তাকিম ছোটবেলা থেকেই বেশ শান্ত, নম্র, ভদ্র, চিন্তাশীল ও জ্ঞানপিপাসু। সে নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং কুরআন তিলাওয়াত করে। অভাবীদের প্রতি তার সহানুভূতি ছাত্রজীবন থেকেই ছিল। সে ছাত্রজীবনেই গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করত এবং বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার পরেও তার এই ধারা অব্যাহত থাকে। তার অর্জিত আয়ের একটি বড় অংশ গরিব-দুঃখীদের কল্যাণে দান করে। যেহেতু আব্দুল কাদির জিলানি (র) গরিব-দুঃখীদের দান করতেন এবং মোস্তাকিমের মাঝেও এই বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়; সেহেতু বলা যায়, উদ্দীপকের মোস্তাকিমও গরিব-দুঃখীদের কল্যাণে অর্থ ব্যয় করার মাধ্যমে হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র) কে অনুসরণ করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মোস্তাকিমের বাল্যকালের ঘটনা যেন হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র) এর জীবনের একাংশস্বরূপ- উক্তিটি যুক্তিযুক্ত। হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র) বাল্যকাল হতেই শান্ত, নম্র, ভদ্র, চিন্তাশীল ও জ্ঞানানুরাগী ছিলেন। তার ছিল অসাধারণ মেধা। তিনি শিশু বয়সেই পবিত্র কুরআন মুখস্থ করেন। তিনি অত্যন্ত ভক্তির সাথে নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই অভাবীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। তিনি তার কাছে থাকা স্বর্ণমুদ্রা হতে অভাবীদের দান করতেন এবং নিজে খেয়ে না খেয়ে জীবন অতিবাহিত করতেন। তিনি বাগদাদের বিখ্যাত নিজামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের পর শিক্ষকতা পেশা গ্রহণ করেন এবং তিনি তার হাত খরচের একটি অংশ দ্বারা গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করতেন। উদ্দীপকে বর্ণিত মোস্তাকিমের মধ্যেও এ ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়।

মোস্তাকিম ছোটবেলা থেকেই বেশ শান্ত, নম্র, ভদ্র, চিন্তাশীল ও জ্ঞানপিপাসু। নিয়মিত নামাজ আদায় করে এবং কুরআন তিলাওয়াত করে। ছাত্রজীবন থেকেই সে অভাবীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। এমনকি ডাক্তার হওয়ার পরেও সে তার অর্জিত আয়ের একটি অংশ গরিব-দুঃখীদের কল্যাণে ব্যয় করে। আর এ সমস্ত বিষয় আব্দুল কাদির (র) এর জীবনেও পরিলক্ষিত হয়।

ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, পেশাগত দিক দিয়ে আব্দুল কাদির জিলানি (র) ও উদ্দীপকের মোস্তাকিমের মধ্যে ভিন্নতা থাকলেও বাল্যজীবনের প্রায় সমস্ত ঘটনার মধ্যেই মিল বিদ্যমান। সুতরাং মোস্তাকিমের বাল্যকালের ঘটনা যেন হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (র) এর জীবনের একাংশস্বরূপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
411

Related Question

View All
উত্তরঃ

অর্থের সাথে সম্পর্ক থাকায় হজ সর্বজনীন ইবাদত নয়। হজ একটি দৈহিক, আত্মিক ও আর্থিক ইবাদত। নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষেই কেবল হজ কোনো ব্যক্তির ওপর ফরজ হয়। এক্ষেত্রে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য প্রধান দুটি শর্ত। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবার একই সাথে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য না থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই যাদের ক্ষেত্রে এ দুটি শর্ত পূরণ হয় কেবল তাদের জন্যই হজ ফরজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
551
উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সালাত একটি আনুষ্ঠানিক ও দৈহিক ইবাদত। তবে সালাতের মূল আবেদন আত্মিক ইবাদত হিসেবে। সালাত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টি করে। এটি সালাতের আধ্যাত্মিক গুরত্বেরই প্রতিফলন। উদ্দীপকেও রবিউল আলম সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের ফলভোগী হয়েছেন।

রবিউল আলম কিছুদিন পূর্বেও ধর্ম-কর্মে মনোযোগী ছিলেন না। তার আত্মা ছিল কলুষিত। কিন্তু সালাত আদায় করার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে সালাতের মাধ্যমে মানবাত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। কাঙ্ক্ষিত প্রিয় সত্তার সান্নিধ্য লাভ করায় আত্মার উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতা দূর হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রশান্তি বিরাজ করে। ফলে আত্মার সার্বিক অবস্থানে স্থিরতা ও তৃপ্তি নেমে আসে। উদ্দীপকের রবিউল আলমের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। সালাত আদায়ের মাধ্যমে তার কলুষিত আত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করেছে। সুতরাং দেখা যায়, রবিউল আলমের আত্মিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে সালাতের আধ্যাত্মিক তাৎপর্যই প্রতিফলিত হয়েছে। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
310
উত্তরঃ

রবিউল আলম আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য সালাত আদায়ের পাশাপাশি আল্লাহর জিকর, তাবলিগ, সৎ গুণাবলির অনুসরণ, তওবা ও মাগফিরাত কামনা করতে পারেন।

মানুষের চালিকাশক্তি ও জীবনীশক্তি হলো আত্মা। আত্মা সুস্থ থাকলে মানুষও সুস্থ থাকে। আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ ও সুস্থ রাখার জন্য তাসাউফের অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। উদ্দীপকের রবিউল আলমও তাসাউফের চর্চা সাধানার মাধ্যমে পরিপূর্ণ আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন।

রবিউল আলম নিয়মিত সালাত আদায় করেন। আত্মাকে সুস্থ রাখতে তিনি সালাত আদায়ের সাথে সাথে বেশি করে আল্লাহর জিকর করতে পারেন। আবার নিজে সৎ পথে চলার পাশাপাশি তিনি অন্যকেও সৎ কাজের জন্য উৎসাহিত করতে পারেন। এর ফলে তার আত্মা সুস্থ ও পবিত্র থাকবে। তাছাড়া তিনি রাসুলুল্লাহ (স) ও তার সাহাবি (রা) গণের জীবনের সৎগুণাবলির অনুসরণের মাধ্যমেও আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারেন। তবে তিনি যেহেতু পূর্বে অনেক অন্যায় করেছেন, সেহেতু সব সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। তওবার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্যায় না করার দৃঢ় প্রত্যয় জ্ঞাপন করলে তার আত্মা আরও প্রশান্তি লাভ করবে।

এভাবে ওপরের কাজগুলোর মাধ্যমে তিনি আত্মিকভাবে লাভবান হতে পারেন। পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত বিষয়গুলো তাসাউফ চর্চারই নামান্তর। তাই তাসাউফ চর্চা ও সাধনার মাধ্যমেই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
295
উত্তরঃ

হযরত উমর (রা) এর মৃত্যুর পর তার কন্যা হযরত হাফসা (রা)-এর কাছে আল কুরআন সংরক্ষিত ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
517
উত্তরঃ

পরকালীন জীবনের মতো পার্থিব জীবনের ওপরও আল কুরআন গুরুত্বারোপ করেছে। মহানবি (স) বলেছেন, 'দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র'। অর্থাৎ পার্থিব জীবনের কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই পরকালীন সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারিত হবে। তাই কুরআন মানুষকে পার্থিব সাফল্য ও কল্যাণ লাভের নির্দেশ প্রদান করেছে। সুরা বাকারার ২০১নং আয়াতে বলা হয়েছে- হে আমাদের প্রভু। আমাদেরকে পৃথিবীতে কল্যাণ দিন। আখিরাতে কল্যাণ দিন।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
341
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews