Related Question

View All
উত্তরঃ

তিনি সচ্ছল পরিবারের সন্তান।


এখানে 'স্বচ্ছল' শব্দটি ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে। সঠিক শব্দটি হলো 'সচ্ছল'।

  • স্বচ্ছল: এই শব্দের অর্থ পরিষ্কার, নির্মল, স্বচ্ছ বা ট্রান্সপারেন্ট (যেমন - স্বচ্ছ জল)। এটি সাধারণত বস্তু বা পরিবেশের স্বচ্ছতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
  • সচ্ছল: এই শব্দের অর্থ সচ্ছলতাযুক্ত, সম্পন্ন, বিত্তবান বা আর্থিক দিক থেকে সুপ্রতিষ্ঠিত। এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের আর্থিক অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
  • প্রদত্ত বাক্যটিতে যেহেতু পরিবারের আর্থিক অবস্থা বোঝানো হয়েছে, তাই 'সচ্ছল' শব্দটি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

এ খবরটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।


প্রদত্ত বাক্যটিতে 'অত্যান্ত' শব্দটি ভুল বানানে লেখা হয়েছে। এর সঠিক বানান হবে 'অত্যন্ত'। 'অত্যন্ত' শব্দটি 'অতি' এবং 'অন্ত' এই দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত, যার অর্থ 'খুব', 'অধিক' বা 'চরম'। সাধারণত, এমন বানান ভুল স্বরধ্বনি বা যুক্তাক্ষরের ভুল প্রয়োগের কারণে হয়ে থাকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলা বানানের শুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের ভুল বানানের কারণে বাক্যের অর্থ বিকৃত হতে পারে এবং প্রার্থীর ভাষাগত দক্ষতার অভাব প্রকাশ পায়। তাই নির্ভুল বানানের অনুশীলন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ মুখস্থবিদ্যা পরিহার করা উচিত।

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান ভুল ছিল। প্রথমত, 'মুখস্তবিদ্যা' শব্দটির সঠিক বানান হলো 'মুখস্থবিদ্যা'। এটি একটি সাধারণ বানান ভুল যা খেয়াল রাখা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, 'পরিহার করা দরকার' বাক্যংশটি শ্রুতিকটু এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণরূপে সঠিক নয়। এখানে কোনো কিছু করার আবশ্যকতা বা পরামর্শ বোঝাতে 'দরকার' অপেক্ষা 'উচিত' শব্দটি ব্যবহার করা অধিকতর সঠিক ও মার্জিত।

'দরকার' সাধারণত কোনো বস্তুর বা সাধারণ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় (যেমন: আমার একটি কলম দরকার)। কিন্তু কোনো কাজ করা বা না করার নৈতিক বাধ্যবাধকতা, পরামর্শ বা আবশ্যকতা বোঝাতে 'উচিত' ব্যবহার করা হয় (যেমন: মিথ্যা কথা বলা উচিত নয়, বড়দের সম্মান করা উচিত)।

সুতরাং, 'মুখস্থবিদ্যা পরিহার করা উচিত' বাক্যটি বানান ও ব্যাকরণ উভয় দিক থেকেই শুদ্ধ এবং সুপ্রচলিত।

        
  • বানান সংশোধন: 'মুখস্তবিদ্যা' এর শুদ্ধ রূপ 'মুখস্থবিদ্যা'।
  •     
  • ক্রিয়াপদের ব্যবহার: 'দরকার' এর পরিবর্তে 'উচিত' ব্যবহার করে কাজটি করার আবশ্যকতা স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ তিনি পৈত্রিক ভিটায় বাস করেন।

প্রদত্ত বাক্যটিতে "বসবাস করেন" অংশটি ব্যাকরণগতভাবে কিছুটা অপ্রচলিত বা গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। এর সঠিক ও অধিকতর মার্জিত রূপ হলো "বাস করেন" অথবা "থাকেন" ।

        
  • "বসবাস" (noun): এই শব্দটি একটি বিশেষ্য, যার অর্থ 'বাস করা' বা 'বাসস্থান'।
  •     
  • "বাস করা" (verb): এটি একটি ক্রিয়াপদ, যার অর্থ 'থাকা' বা 'অবস্থান করা'।
  •     
  • সাধারণত, কোনো স্থানে থাকার অর্থে "বাস করেন" বা "থাকেন" ব্যবহার করা হয়। "বসবাস করেন" ব্যবহার করলে অনেক ক্ষেত্রে তা বাহুল্যদোষ বা গুরুচণ্ডালী দোষ হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ "বসবাস" নিজেই বাস করাকে নির্দেশ করে। তাই, "বসবাস করা" ক্রিয়াটি অপ্রয়োজনীয়।

সুতরাং, বাক্যটির শুদ্ধ রূপ হবে: তিনি পৈত্রিক ভিটায় বাস করেন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ সুশিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রেই সশিক্ষিত।

বাক্যটিতে 'মাত্রই' শব্দের প্রয়োগ ভুল। 'মাত্রই' সাধারণত 'অব্যবহিত পরেই' বা 'তৎক্ষণাৎ' অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন – 'সে দেখা মাত্রই চিনে ফেলল'। কিন্তু 'সকল' বা 'প্রত্যেক' অর্থে 'মাত্রেই' শব্দটির ব্যবহার ব্যাকরণসম্মত। উদাহরণস্বরূপ: 'মানুষ মাত্রেই মরণশীল'। আলোচ্য বাক্যে 'সুশিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রেই সশিক্ষিত' দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, প্রতিটি সুশিক্ষিত ব্যক্তিই স্ব-শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করেন। প্রকৃত অর্থে, আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নিজের আগ্রহ ও প্রচেষ্টায় অর্জিত জ্ঞানই একজন ব্যক্তিকে প্রকৃত সুশিক্ষিত করে তোলে। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য শুদ্ধিকরণ অংশের একটি প্রচলিত উদাহরণ যেখানে শব্দের সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ এটি একটি অনূদিত গ্রন্থ।

প্রদত্ত বাক্যটি শুদ্ধ করার জন্য 'অনুবাদিত' শব্দটির পরিবর্তে 'অনূদিত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:

        
  • অনুবাদিত: এটি 'অনুবাদ করা হয়েছে' এমন অর্থ বহন করে। এটি মূলত একটি কর্মবাচ্যের বিশেষণ পদ। কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দ্বারা কোনো কিছু অনূদিত হলে এই পদটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
  •     
  • অনূদিত: এটি একটি কৃত প্রত্যয়ান্ত শব্দ, যা বিশেষ্য পদ 'অনুবাদ' থেকে গঠিত এবং এর অর্থ 'যা অনুবাদ করা হয়েছে'। গ্রন্থ, রচনা, বা অন্য কোনো লিখিত উপাদান যা অন্য ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে, তার বিশেষণ হিসেবে 'অনূদিত' শব্দটির ব্যবহার অধিকতর সঠিক ও প্রচলিত। ভাষাবিদগণ কোনো গ্রন্থের ক্ষেত্রে 'অনূদিত' শব্দটিকে 'অনুবাদিত' এর চেয়ে বেশি শুদ্ধ ও মার্জিত বলে গণ্য করেন।
  •     
  • অতএব, 'গ্রন্থ' যেহেতু নিজে অনুবাদ করে না বরং এটি অনুবাদের ফল, তাই এর বিশেষণ হিসেবে 'অনূদিত' শব্দটি প্রয়োগ করা ব্যাকরণগতভাবে অধিক উপযোগী।

বিকল্পভাবে, বাক্যটিকে "এটি অনুবাদের একটি গ্রন্থ" অথবা "এটি অনুবাদ করা একটি গ্রন্থ" হিসেবেও শুদ্ধ করা যেতে পারে, যা অর্থের দিক থেকে একই থাকে এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ আমি অপমানিত হয়েছি।

প্রদত্ত বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। "অপমান" একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ অসম্মান বা লাঞ্ছনা। কিন্তু বাক্যে যখন কোনো ব্যক্তি অপমানিত হওয়ার অবস্থা বোঝায়, তখন বিশেষ্য পদ "অপমান" ব্যবহার না করে এর বিশেষণ রূপ "অপমানিত" ব্যবহার করতে হয়। "অপমানিত" শব্দের অর্থ হলো যে অপমানিত হয়েছে বা যাকে অপমান করা হয়েছে। তাই, সঠিক বাক্যটি হবে "আমি অপমানিত হয়েছি।"

উদাহরণস্বরূপ:

        
  • ভুল: সে অপমান বোধ করছে।
  •     
  • শুদ্ধ: সে অপমানিত বোধ করছে।
  •     
  • ভুল: এই কাজটি আমাকে অপমান করে।
  •     
  • শুদ্ধ: এই কাজটি আমাকে অপমানিত করে। (অথবা, এই কাজটি আমার জন্য অপমানজনক।)
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ এ ব্যক্তি সকলের মধ্যে বয়স্ক।

প্রদত্ত বাক্যটি একটি অশুদ্ধ বাক্য। এখানে ‘মাঝে’ শব্দের প্রয়োগ ভুল হয়েছে।

        
  • ‘মাঝে’ শব্দের ব্যবহার: ‘মাঝে’ শব্দটি সাধারণত দুই বা ততোধিক বস্তুর বা অবস্থানের ঠিক মধ্যবর্তী অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: “ঘর দুটির মাঝে একটি গাছ আছে।” অথবা “সকালে ও বিকেলে মাঝে দুপুরের বিরতি।”
  •     
  • ‘মধ্যে’ শব্দের ব্যবহার: যখন একটি সমষ্টি বা দলের অনেকগুলো উপাদানের মধ্যে তুলনা করে কাউকে সবচেয়ে বেশি বা শ্রেষ্ঠ বোঝানো হয়, তখন ‘মধ্যে’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বৃহত্তর পরিসরের অন্তর্গততা বোঝায়। যেমন: “তিনি সকলের মধ্যে সেরা।” অথবা “বইটি ব্যাগের মধ্যে আছে।”

সুতরাং, যখন বলা হচ্ছে ‘সকলের মাঝে বয়স্ক’, তখন আসলে একটি দলের মধ্যে বয়সের আধিক্য বোঝানো হচ্ছে, যা ‘মধ্যে’ শব্দের সঠিক প্রয়োগক্ষেত্র। বিকল্পভাবে, ‘সবচেয়ে’ শব্দটি ব্যবহার করেও বাক্যটিকে শুদ্ধ করা যায়, যেমন – ‘এ ব্যক্তি সবচেয়ে বয়স্ক’।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ এ তো তার দুর্লভ সৌভাগ্য।

প্রদত্ত বাক্যটিতে 'দূর্লভ' বানানটি ভুল। এর সঠিক রূপ হলো 'দুর্লভ'। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হয় না। 'দূর্লভ' শব্দে 'দ'-এর পর দীর্ঘ 'ঊ-কার' ব্যবহার করা হয়েছে এবং রেফ-এর পর 'ল' বর্ণটিকে ভুলভাবে দ্বিত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। রেফযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত হ্রস্ব স্বরধ্বনি ব্যবহৃত হয় এবং রেফ-এর পরবর্তী বর্ণে দ্বিত্ব হয় না। তাই 'দূর্লভ' না হয়ে 'দুর্লভ' হবে, যা 'যা সহজে লাভ করা যায় না' অর্থে ব্যবহৃত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ তোমার সঙ্গে আমার একটা পরামর্শ আছে।

প্রদত্ত বাক্যটিতে 'গোপন' শব্দটি বাহুল্যদোষে দুষ্ট। 'পরামর্শ' বলতে সাধারণত এমন আলোচনা বা উপদেশকে বোঝায় যা ব্যক্তিগত বা গোপনীয় হতে পারে। তাই 'পরামর্শ' শব্দের পূর্বে 'গোপন' ব্যবহার করলে শব্দের পুনরাবৃত্তি বা বাহুল্যদোষ সৃষ্টি হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। শুদ্ধ বাক্য গঠনের জন্য অপ্রয়োজনীয় 'গোপন' শব্দটি বাদ দিতে হবে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ বালকটি সুস্থ হয়েছে।

‘আরোগ্য’ একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ রোগমুক্ত অবস্থা বা নিরাময়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদের সাথে সরাসরি ‘হওয়া’ ক্রিয়া যোগ করে এভাবে বাক্য গঠন করা হয় না। অর্থাৎ, ‘আরোগ্য’ শব্দটি দিয়ে সরাসরি ক্রিয়াপদ তৈরি করা যায় না।

বাক্যটিকে শুদ্ধ করতে হলে দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে:

        
  • ‘সুস্থ হওয়া’ ক্রিয়া ব্যবহার: এটি সবচেয়ে প্রচলিত এবং সহজবোধ্য পদ্ধতি। ‘সুস্থ হওয়া’ অর্থ রোগমুক্ত হওয়া বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা।
    উদাহরণ: বালকটি সুস্থ হয়েছে।
  •     
  • ‘আরোগ্য লাভ করা’ ক্রিয়া ব্যবহার: যদি ‘আরোগ্য’ শব্দটি বাক্যটিতে ব্যবহার করা অত্যাবশ্যক হয়, তবে এর সাথে ‘লাভ করা’ ক্রিয়া যোগ করতে হয়। ‘আরোগ্য লাভ করা’ অর্থ রোগমুক্তি অর্জন করা।
    উদাহরণ: বালকটি আরোগ্য লাভ করেছে।

অতএব, প্রদত্ত বাক্য ‘বালকটি আরোগ্য হয়েছে’ এর শুদ্ধ রূপ হবে ‘বালকটি সুস্থ হয়েছে’ অথবা ‘বালকটি আরোগ্য লাভ করেছে’ এর যেকোনো একটি।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ সাভার ট্র্যাজেডির শোকসভায় বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, বিজ্ঞানী, দার্শনিক প্রমুখ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

প্রদত্ত বাক্যটিতে তিনটি প্রধান অশুদ্ধি ছিল, যা বাংলা ভাষার সঠিক ব্যাকরণ ও বানানের নিয়ম মেনে শুদ্ধ করা হয়েছে:

        
  • বানানগত শুদ্ধি (১): 'বুদ্ধিজীবি' শব্দটি অশুদ্ধ ছিল। সঠিক বানান হলো 'বুদ্ধিজীবী'। এখানে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) ব্যবহৃত হবে, কারণ 'জীবী' প্রত্যয়টি দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে লেখা হয় (যেমন: কর্মজীবী, পেশাজীবী)।
  •     
  • বানানগত শুদ্ধি (২): 'শ্রদ্ধাঞ্জলী' শব্দটি ভুল ছিল। এর শুদ্ধ রূপ হলো 'শ্রদ্ধাঞ্জলি'। 'অঞ্জলি' প্রত্যয়টি হ্রস্ব ই-কার (ি) দিয়ে লেখা হয়। যেমন: গীতাঞ্জলি, পুষ্পাঞ্জলি।
  •     
  • পদ প্রয়োগের শুদ্ধি: 'প্রমুখগণ' একটি ভুল প্রয়োগ। 'প্রমুখ' নিজেই 'অন্যান্য' বা 'ইত্যাদি' অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটি বহুবচন নির্দেশ করে। এর সাথে অতিরিক্ত বহুবচন নির্দেশক 'গণ' যোগ করা হলে তা বাহুল্যদোষ হয়। অর্থাৎ, 'প্রমুখ' এবং 'গণ' উভয়ই যেহেতু বহুবচন নির্দেশ করে, একটির প্রয়োগই যথেষ্ট। তাই 'প্রমুখগণ' না লিখে কেবল 'প্রমুখ' লেখাই ব্যাকরণসম্মত। এটি বাংলা ব্যাকরণের 'দ্বিত্ব প্রয়োগ' জনিত ভুলের একটি সাধারণ উদাহরণ।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
205
উত্তরঃ

লেজে গোবরে বাগধারাটির অর্থ বিশৃঙ্খলা । রহিমকে কাজটি দেওয়া হলো সঠিকভাবে করার জন্য সে তো কাজটি লেজে গোবরে পাকিয়ে ফেলল। 

Md Abdullah
Md Abdullah
2 years ago
136
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews