যুক্তিবাক্য

উদ্দেশ্য

বিধেয়

A

ব্যাপ্য

অব্যাপ্য

E

ব্যাপ্য

ব্যাপ্য

I

অব্যাপ্য

অব্যাপ্য

O

অব্যাপ্য

ব্যাপ্য

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যায় পদের ব্যাপ্যতা নিরূপণের জন্য দুটি নিয়ম আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কোনো যুক্তিবাক্যের রূপান্তর করার অর্থ হচ্ছে যুক্তিবাক্যের গুণ ও পরিমাণ নির্ণয় করা এবং বাক্যকে যুক্তিবিদ্যাসম্মত বাক্যের আকারে প্রকাশ করা। কোনো বাক্যকে যুক্তিবাক্য আকারে হতে হলে অবশ্যই উদ্দেশ্য সংযোজক ও বিধেয় আকারে বিন্যস্ত করতে হবে। আর যদি কোনো বাক্য এ আকারে বিন্যস্ত না থাকে তবে তাকে যুক্তিবিদ্যাসম্মত আকারে বিন্যস্তকরণ করার জন্য রূপান্তরের প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রদত্ত ছকটি নিচের চিত্রে বর্ণনাসহ উপস্থাপন করা হলো-

S বৃত্ত = উদ্দেশ্যের ব্যক্ত্যর্থের ক্ষেত্র।
P বৃত্ত = বিধেয়ের ব্যক্ত্যর্থের ক্ষেত্র।
রেখাঙ্কিত অংশ  - ব্যাপ্যতা।
সাদা অংশ = অব্যাপ্যতা।
বৃত্তীয় চিত্র : 

উপরের বৃত্তের কালো ভরাট অংশ ব্যাপ্যতার প্রতীক, সাদা অংশ অব্যাপ্যতার প্রতীক নির্দেশ করে। চিত্র মতে

A - যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য, বিধেয় পদ অব্যাপ্য।
E - যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্র্যাপ্য।
1 - যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদ অব্যাপ্য।
0- যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ ব্যাপ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

A যুক্তিবাক্য: সার্বিক যুক্তবাক্য হিসেবে এর উদ্দেশ্য পদটা ব্যাপ্য কিন্তু সদর্থক যুক্তিবাক্য হিসেবে এর বিধেয় পদটা অব্যাপ্য। যেমন- (A) 'সব মানুষ হয় দ্বিপদ' যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য 'মানুষ' পদটা সামগ্রিক অর্থে গৃহীত হয়েছে। কিন্তু বিধেয় 'দ্বিপদ' পদটাকে সামগ্রিক অর্থে গ্রহণ করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে 'মানুষ' হয় কিছু দ্বিপদ জীব। কারণ সব দ্বিপদ জীব মানুষ নয়। কাজেই A যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটা অব্যাপ্য এবং উদ্দেশ্য পদটা ব্যাপ্য।

E যুক্তিবাক্য : সার্বিক যুক্তবাক্য হিসেবে এর উদ্দেশ্য পদটা এবং নঞর্থক বা নেতিবাচক যুক্তিবাক্য হিসেবে এর বিধেয় পদটা ব্যাপ্য। যেমন- (E) 'কোন মানুষ নয় দেবতা' যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য 'মানুষ' পদটা সামগ্রিক অর্থে গৃহীত হয়েছে। আবার বিধেয় 'দেবতা' পদটাও সামগ্রিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ 'দেবতা' পদের সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থকে মানুষ সম্পর্কে অস্বীকার করা হয়েছে। সুতরাং E বাক্যের উভয় পদ ব্যাপ্য।

। যুক্তিবাক্য : বিশেষ যুক্তিবাক্য হিসেবে এর উদ্দেশ্য পদটা অব্যাপ্য এবং সদর্থক যুক্তিবাক্য হিসেবে এর বিধেয় পদটাও অব্যাপ্য। যেমন- (1) 'কিছু গরু হয় কালো' যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য 'গরু' পদটা আংশিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। আবার বিধেয় 'কালো' পদটাও আংশিক ব্যক্ত্যর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ গরু ছাড়া আরও অনেক কালো প্রাণী বা বস্তু আছে। সুতরাং । যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদটা অব্যাপ্য।

• যুক্তিবাক্য: বিশেষ যুক্তিবাক্য হিসেবে এর উদ্দেশ্য পদটা অব্যাপ্য 'কিন্তু নঞর্থক যুক্তিবাক্য হিসেবে এর বিধেয় পদটা ব্যাপ্য। যেমন- (O) 'কিছু ছাত্র নয় পরিশ্রমী' যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য 'ছাত্র' পদটা আংশিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু বিধেয় 'পরিশ্রমী' পদটাকে এখানে সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ পরিশ্রমী বলতে যা কিছু বোঝায় তার মধ্যে কিছু ছাত্র অন্তর্ভুক্ত নয়। কাজেই যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটা ব্যাপ্য। কিন্তু উদ্দেশ্য পদ অব্যপ্য উপর্যুক্ত যুক্তিবাক্যগুলো পর্যালোচনা করে আমি দেখতে পাই, উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদে সমান সংখ্যক ব্যাপ্যতা ও অব্যাপ্যতা বিদ্যমান। এর কোনো ব্যতিক্রম নেই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
186

Related Question

View All
উত্তরঃ

পদ' হলো এক বা একাধিক শব্দের সমষ্টি যা যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k
উত্তরঃ

একটি যুক্তিবাক্যে সব সময় দুটি পদ থাকে, কিন্তু শব্দ থাকে দুই বা ততোধিক। যেমন- পানি হয় তরল। যুক্তিবাক্যে পানি ও তরল দুটি পদ। কিন্তু ভাসানী ছিলেন একজন বলিষ্ঠ দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। বাক্যে ৬টি শব্দ আছে। যুক্তিবাক্যে পদ আছে দুই ধরনের, কিন্তু শব্দ আছে তিন ধরনের। সুতরাং ব্যাপকতার দিক থেকে শব্দ পদের চেয়ে বেশি ব্যাপ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
334
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ৩নং চিত্র ব্যাপ্যতার দিক থেকে E-যুক্তিবাক্যের প্রতিনিধিত্ব করছে। 'পদের ব্যাপ্যতা' বলতে পদের প্রসারতাকে বোঝায়। একটি পদ যখন কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন পদটি দ্বারা যে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে তার দ্বারা সে পদের ব্যাপ্যতা বা ব্যাপ্তি নির্ণয় করা হয়। কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে প্রকাশ করে, আবার কোনো কোনো যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে। আবার কোনো পদ যখন আংশিক ব্যক্ত্যর্থ গ্রহণ করে তখন তাকে 'অব্যাপ্য পদ' বলে। 

E- যুক্তিবাক্য বলতে আমরা বুঝি যে যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে বিধেয় পদ অস্বীকার করে। যেমন- কোনো মানুষ নয় অমর। একে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ৩নং চিত্রে যা বোঝানো হয়েছে তা হলো- একটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ উভয়-ই ব্যাপ্য। কারণ কালো দাগ বিশিষ্ট চিত্র দ্বারা ব্যাপ্যতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আর E- যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদ ব্যাপ্য। E-যুক্তিবাক্য সার্বিক বলে এর পদটি পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং উদ্দেশ্যটি ব্যাপ্য। আবার E-যুক্তিবাক্যটি নঞর্থক বলে বিধেয় পদটিও পূর্ণ ব্যাক্ত্যর্থ প্রকাশ করে। এজন্য বিধেয় পদটিও ব্যাপ্য। যেমন- কোনো মানুষ নয় অমর। সুতরাং ৩নং চিত্র ব্যাপ্যতার দিক থেকে E- যুক্তিবাক্যের প্রতিনিধিত্ব করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
403
উত্তরঃ

চিত্রে কালো দাগ বিশিষ্ট অংশটি হলো ব্যাপ্য। সুতরাং ১নং চিত্রের একটি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং ২নং চিত্রে একটি যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাপ্যতা হলো প্রসারতা। যখন কোনো পদ একটি যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন পদটি দ্বারা যে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে, তার দ্বারা সে পদের ব্যাপ্তি নির্ণয় করা হয়। যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য হতে পারে, আবার বিধেয় পদটি ব্যাপ্য হতে পারে।

উদ্দীপকের ১নং চিত্রে উদ্দেশ্যটি ব্যাপ্য, আর বিধেয় অব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। এই যুক্তিবাক্যকে A-যুক্তিবাক্য বলে। ২নং চিত্রে বিধেয়টি ব্যাপ্য এবং উদ্দেশ্যটি অব্যাপ্য হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। সুতরাং এটি একটি O-যুক্তিবাক্য।

A-যুক্তিবাক্য হলো সার্বিক সদর্থক। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সমগ্রকে স্বীকার করে নেয় তাকে A-যুক্তিবাক্য বা সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। -যুক্তিবাক্য হলো বিশেষ নঞর্থক। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্য পদের অংশিককে অস্বীকার করে তাকে -যুক্তিবাক্য বা বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- কিছু মানুষ নয় সাহসী। সুতরাং ১নং চিত্র ও ২নং চিত্রকে সম্পূর্ণ বিপরীত বলা যায়। কারণ ১নং চিত্রের যুক্তিবাক্যটি সার্বিক সদর্থক এবং ২নং চিত্রের যুক্তিবাক্যটি বিশেষ নঞর্থক। ১নং চিত্রে উদ্দেশ্য ব্যাপ্য এবং বিধেয় অব্যাপ্য। আর ২নং চিত্রে উদ্দেশ্য অব্যাপ্য এবং বিধেয় ব্যাপ্য হয়েছে। তাই ১নং চিত্র ও ২নং চিত্র বিপরীত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
333
উত্তরঃ

মানুষের চিন্তা, ইচ্ছা, অনুভব করার কথিত ধ্বনি বা লিখিত চিহ্নকে শব্দ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
644
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যায় শব্দ প্রধানত তিন প্রকার। যথা- ১। পদযোগ্য শব্দ, ২। সহ-পদযোগ্য শব্দ, ৩। পদ-নিরপেক্ষ শব্দ।

এটি ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো-

শব্দ

পদযোগ্য শব্দ

সহ-পদযোগ শব্দ

পদ-নিরপেক্ষ শব্দ

কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়া যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয়। যথা- মানুষ, কলম

যে শব্দ অন্য পদের সাহায্য ছাড়া যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। যথা- গুলো, টা, টি।

যে শব্দ যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। যথা- হায়! বাহ!

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
490
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews