'একুশের কবিতা' কবিতায় মাতৃভাষা ও দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা লক্ষণীয়। কবিতায় কবি আল মাহমুদ ক্ষুদিরামের প্রসঙ্গ নিয়ে এসেছেন। তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রাণ দিয়েছিলেন। তাদের কাছ থেকে তিনি স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। কবি এখানে 'মুক্ত বাতাস কিনতে' বলতে স্বাধীনতা পাওয়ার কথা বুঝিয়েছেন।
Related Question
View All'একুশের কবিতা' কবিতাটি আল মাহমুদের লেখা। এ কবিতার মূল বিষয় হলো-- মাতৃভাষার জন্য শহিদদের ত্যাগ, বাংলা ভাষার মর্যাদা ও দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা।
'একুশের কবিতা' কবিতাটি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের ঘটনার প্রেক্ষাপটে রচিত। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন এ দেশের মানুষ।
'একুশের কবিতা' কবিতায় আল মাহমুদ কৃষ্ণচূড়া ফুলের প্রসঙ্গ এনেছেন। এই কৃষ্ণচূড়া ফুলের লাল রং ভাষা আন্দোলনে শহিদদের চেতনা বহন করে।
ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন তিতুমীর ও ক্ষুদিরাম। এ কারণে কবি তাঁদের স্মরণ করেছেন একুশের কবিতায়।
প্রভাতফেরিতে হাঁটতে হাঁটতে কবির শহিদ বরকতের কথা মনে পড়ে। কবির মনে হয়, আকাশ থেকে বরকতের রক্ত বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে।
প্রভাতফেরি হলো সকালে খালি পায়ে গান গেয়ে শহিদ মিনারে যাওয়া। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ ১৯৫২ সালের ভাষাশহিদদের স্মরণে প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!