১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার জন্য রাঙালি প্রাণ বিসর্জন দেন। সেদিন বরকতও শহিদ হন ভাষার 'জন্য। ভাষাশহিদদের স্মরণে অনুষ্ঠিত প্রভাতফেরিতে বৃষ্টি হলে কবির কাছে সেটা বৃষ্টি মনে হয় না। তাঁর কাছে মনে হয় বরকতের রক্ত আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে।
'একুশের কবিতা' কবিতায় কবি নিজের দেশ ও ভাষার প্রতি ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে শহিদ বীরদের স্মরণ করেছেন। তিনি প্রভাতফেরির মিছিলে হাঁটতে গিয়ে ভাষাশহিদ বরকতের কথা মনে করেছেন। ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহিদ তিতুমীর ও ক্ষুদিরামের কথাও তিনি স্মরণ করেছেন। মূলত দেশ ও ভাষার, প্রতি আত্মত্যাগ ও ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে কবি তাঁদের স্মরণ করেছেন।
'একুশের কবিতা' কবিতায় কবি মাতৃভাষার সঙ্গে নিজের আত্মার সম্পর্ক প্রকাশ করেছেন। তাঁর কাছে বাংলা ভাষা ভালোবাসা ও গর্বের বিষয়। তিনি এই বঙ্গোই জন্মগ্রহণ করেছেন তাই মাতৃভাষার প্রতি তাঁর সীমাহীন ভালোবাসার কথা বলেছেন। প্রশ্নোত্ত চরণটি কবির গভীর দেশপ্রেম ও ভাষাপ্রীতির প্রতীক।
'একুশের কবিতা' কবিতায় মাতৃভাষা ও দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা লক্ষণীয়। কবিতায় কবি আল মাহমুদ ক্ষুদিরামের প্রসঙ্গ নিয়ে এসেছেন। তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রাণ দিয়েছিলেন। তাদের কাছ থেকে তিনি স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। কবি এখানে 'মুক্ত বাতাস কিনতে' বলতে স্বাধীনতা পাওয়ার কথা বুঝিয়েছেন।
একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমি করে থাকি এমন চারটি কাজ হলো-
১. ভোরবেলায় উঠে প্রভাতফেরিতে অংশ নিই এবং শহিদ মিনারে ফুল দিই।
২. কালো ব্যাজ পরে ভাষাশহিদদের প্রতি নীরব শ্রদ্ধা জানাই।
৩. "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" গানটি গেয়ে শহিদদের স্মরণ করি।
৪. বিদ্যালয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All'একুশের কবিতা' কবিতাটি আল মাহমুদের লেখা। এ কবিতার মূল বিষয় হলো-- মাতৃভাষার জন্য শহিদদের ত্যাগ, বাংলা ভাষার মর্যাদা ও দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা।
'একুশের কবিতা' কবিতাটি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের ঘটনার প্রেক্ষাপটে রচিত। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন এ দেশের মানুষ।
'একুশের কবিতা' কবিতায় আল মাহমুদ কৃষ্ণচূড়া ফুলের প্রসঙ্গ এনেছেন। এই কৃষ্ণচূড়া ফুলের লাল রং ভাষা আন্দোলনে শহিদদের চেতনা বহন করে।
ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন তিতুমীর ও ক্ষুদিরাম। এ কারণে কবি তাঁদের স্মরণ করেছেন একুশের কবিতায়।
প্রভাতফেরিতে হাঁটতে হাঁটতে কবির শহিদ বরকতের কথা মনে পড়ে। কবির মনে হয়, আকাশ থেকে বরকতের রক্ত বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে।
প্রভাতফেরি হলো সকালে খালি পায়ে গান গেয়ে শহিদ মিনারে যাওয়া। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ ১৯৫২ সালের ভাষাশহিদদের স্মরণে প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!