যে-কোনো একটি প্রবাদের ভাব-সম্প্রসারণ করুন (অনধিক ২০টি) বাক্যে:

Updated: 9 months ago
86

প্রবাদ-প্রবচন

লোক সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ প্রবাদ-প্রবচন। 'প্রবাদ' ও 'প্রবচন' মূলত একই অর্থ বহন করে। স্ববাদ হচ্ছে পরম্পরাগত বাক্য, জনশ্রুতি এবং 'প্রবচন' হচ্ছে প্রকৃষ্ট বচন, অর্থাৎ বহু প্রচলিত উক্তি। মানুষের দীর্ঘদিনের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ঐ সমাজের কোনো সৃষ্টিশীল ব্যক্তি যে চৌকস অভিব্যক্তি বাণীবদ্ধ করে, তাই কালে কালে প্রবাদে পরিণত হয়। যেমন- অতি চালাকের গলায় দড়ি, কয়লা ধুলে ময়লা যায় না ইত্যাদি।

প্রবাদের বৈশিষ্ট্য:

ক. প্রবাদে জাতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, পরিণত বুদ্ধি এবং লোকমনে প্রচলিত সত্য কথন প্রকাশিত হয়।

খ. প্রবাদের অবয়ব হলো একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য।

গ. উপমা, বক্রোক্তি, বিরোধাভাস প্রভৃতি অলংকারযোগে তা গঠিত হয়।

প্রবাদের শ্রেণিবিভাগ: অর্থ বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রবাদকে নানাভাবে ভাগ করা যায়। যেমন-

১. সাধারণ অভিজ্ঞতাবাচক : চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।

২. নীতিকথামূলক : ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।

৩. ইতিকথামূলক : ধান ভানতে শিবের গীত।

৪. মানবচরিত্র সমালোচনামূলক : গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল।

৫. সামাজিক রীতিনীতিজ্ঞাপক: মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।

৬. প্রসিদ্ধ ঘটনামূলক : লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ-প্রবচন:

প্রবাদ

অর্থ

প্রবাদ

অর্থ

অতি লোভে তাঁতি নষ্টবেশি লোভে ক্ষতিধর্মের ঢাক আপনি বাজেপাপ কখনো চাপা থাকে না
অতি দর্পে হত লঙ্কাঅহংকার পতনের মূলধর্মের কল বাতাসে নড়েঅপকর্ম প্রকাশিত হয়ে পড়েই
অতি মেঘে অনাবৃষ্টিঅতি আড়ম্বরে কাজ হয় নাধরাকে সরা জ্ঞান করাসকলকে তুচ্ছ ভাবা
অল্পজলের মাছনিতান্তই বোকাধরি মাছ না ছুঁই পানিকৌশলে কার্যোদ্ধার
অন্ধকে দর্পণ দেখানোনির্বোধকে জ্ঞান দাননাকে তেল দিয়ে ঘুমানোনিশ্চিত কার্যোদ্ধার
অসারের তর্জন গর্জন সারগুণহীনের বৃথা আস্ফালনপাকা ধানে মই দেয়াবিপুল ক্ষতি করা
ওঝার ব্যাটা বনগরুপণ্ডিতের মূর্খ পুত্রপাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায়অসদুপায়ে অর্জিত ধন নষ্ট হয়
কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশকারো সুদিন, কারো দুর্দিনপর্বতের মুষিক প্রসববিপুল উদ্যোগে তুচ্ছ অর্জন
কপাল গুণে গোপাল ঠাকুরঅযোগ্যের ভাগ্যগুণে বড় হওয়াবামন হয়ে চাঁদে হাতঅসম্ভব কিছু পাওয়ার চেষ্টা
কাঁচা বাঁশে ঘুনঅল্প বয়সেই স্বভাব নষ্ট হওয়াবারো মাস ত্রিশ দিনপ্রতিদিন
কত ধানে কত চালটের পাওয়ানোবারো মাসে তেরো পার্বণউৎসবের আধিক্য
খাস তালুকের প্রজাখুব অনুগত ব্যক্তিবরের ঘরে পিসী কনের ঘরে মাসীকুল রক্ষা করে চলা
খিচুড়ি পাকানোবিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাবজ্র আটুনি ফস্কা গেরোবাহিরে আড়ম্বর ভিতরে শূন্য
গন্ধমাদন বয়ে আনাপ্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু আনাবোঝার উপর শাকের আঁটিঅতিরিক্তের অতিরিক্ত
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেলপাওয়ার আগে ভোগের আয়োজনবাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খাওয়াক্ষমতা প্রদর্শন
ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসেঅন্যের কষ্ট দেখে আনন্দ প্রকাশবিনা মেঘে বজ্রপাতআকস্মিক বিপদ
চাল না চুলো ঢেঁকি না কুলোনিতান্ত নিঃস্ববানরের গলায় মুক্তার হারঅপাত্রে উৎকৃষ্ট সামগ্রী দান
জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠছোট বড় যাবতীয় কাজ করাবাজারে কাটাবিক্রি হওয়া
ঝোপ বুঝে কোপ মারাসুযোগমত কাজ করাভদ্রতার বালাইসাধারণ সৌজন্যবোধ
টো টো কোম্পানির ম্যানেজারভবঘুরেমেঘের ছায়াঅশুভ লক্ষণ
ঢাক ঢাক গুড় গুড়গোপন রাখার প্রয়াসযত দোষ নন্দ ঘোষদুর্বলের প্রতি সর্বদা দোষারোপ
তেলে মাথায় তেল দেয়াযার আছে তাকে আরোশিখণ্ডী খাড়া করাযার আড়ালে থেকে অন্যায় কাজ করা
দুধ কলা দিয়ে সাপ পোষাশত্রুকে সযত্নে লালন পালন করাসাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গেউভয় কুল রক্ষা
ধান ভানতে শিবের গীতঅপ্রাসঙ্গিক কথার অবতারণাহরি ঘোষের গোয়ালঅনেক লোকের কোলাহল

প্রবাদ

অর্থ

অজার যুদ্ধে আটুনি সারলঘু ফলাফলযুক্ত আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন
অতি দানে বলির পাতালে হলো ঠাঁইঅন্যের কৌশলে ভোগান্তির শিকার
অতি মন্থনে বিষ ওঠেকোনো বিষয়ে মাত্রাতিরিক্ত আলোড়ন ক্ষতিকর
অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্টবেশি লোক কাজের বিশৃঙ্খলা ঘটায়
অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করীস্বল্পজ্ঞান নিয়ে বাড়াবাড়ি মূর্খতার পরিচয়
অন্ধের হাতি দেখাঅল্পজ্ঞান লাভ করে বিজ্ঞের মতো অভিমত
অশ্বত্থামা হত ইতি গজকোনো কথা সম্পূর্ণ পরিষ্কার না করে সত্য গোপন
আগ নাংলা যে দিকে যায়, পাছ নাংলা সে দিকে যায়অন্যের দৃষ্টান্ত অনুসরণ
আসলে মুষল নাই ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়াবাইরে বাবুগিরি অথচ ভিতরে সারশূন্য
ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়যেমন কর্ম তেমন ফল
ইল্লত যায়না ধুলে খাসলত যায়না মলেস্বভাবদোষ হাজার সংশোধনের চেষ্টাতেও দূর হয়না
উনো বর্ষায় দুনো শীতযে বছর কম বৃষ্টি হয়, সে বছরে শীত বেশি পড়ে
কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাসসময়ে কাজে না লাগালে অসময়ে পথে ফেরানো কঠিন
চকচক করলেই সোনা হয় নাচেহারাতে আসল গুণ ধরা পড়ে না
চেনা বামুনের পৈতা লাগে নামানী ব্যক্তির পরিচয়ের প্রয়োজন পড়ে না
চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনীঅসাধুকে উপদেশ দিয়ে সৎ করা যায় না
ঝিকে মেরে বৌকে শেখানোএকজনকে বকা দিয়ে অপরকে শিক্ষা দেয়া
ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দারযোগ্যতা বা ক্ষমতাহীনের আড়ম্বর
দশচক্রে ভগবান ভূত (ভগবান অর্থ- ঈশ্বর)দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা
দেবতার বেলা লীলাখেলা, পাপ লিখেছে মানুষের বেলাসামাজিক বিধি-বিধানের নিষ্ঠুর প্রয়োগ
নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙা (বাঁকা)অকর্মণ্য ব্যক্তি কাজে অসফলতার পর অন্যের দোষ দেয়
নিজের চরকায় তেল দেয়াঅন্যের কাজে মাথা না ঘামিয়ে নিজের কাজে মনোযোগ দেয়া
পরের ধনে পোদ্দারি / পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙ্গাঅন্যের টাকায় বাহাদুরি / পরকে কষ্ট দিয়ে নিজের স্বার্থোদ্ধার
পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথেবিপদে পড়ে কাজ করা
পুরানো চাল ভাতে বাড়েঅভিজ্ঞতা বা প্রবীণত্বের মূল্য বেশি
পান্তা ভাতে ঘি নষ্ট, বাপের বাড়ি ঝি নষ্টদরিদ্রের বড়লোক ভাব দেখানো/অপব্যবহার
বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়েজীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছেঁড়াভাগ্যক্রমে বিনা চেষ্টাতে বাঞ্ছিত বস্তু লাভ
বড়র পিরিতি বালির বাঁধ ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণেকে চাঁদউচ্চস্তরের সঙ্গে সম্বন্ধ ক্ষণস্থায়ী
মারের ওপর ওষুধ নাইসহজভাবে কোনো চেষ্টা ব্যর্থ হলে তার উপর নিষ্ঠুর আচরণ
যদি হয় সুজন, তেঁতুল পাতায় ন জনমিলেমিশে কাজ করলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়
যে দামে কেনা সেই দামে বিক্রিযা কিনতে অর্থ খরচ হয়নি, তা নষ্ট হলে লাভ ক্ষতির হিসাব চলে না
সাত নকলে আসল খাস্তানকলের নকলে মূল জিনিস হারিয়ে যায়
হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রীনির্বোধের পরামর্শে চলা নির্বোধ ব্যক্তি

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজে বসবাস করতে হলে মানুষকে একে অপরের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে হয় এবং সমাজে শত্রু-মিত্র উভয়ের সাথেই কোন না কোনভাবে মেলামেশা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় সেটি হল শিক্ষা। মানুষের বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষার মানদণ্ডটি অতীব জরুরি। কেননা, অশিক্ষিত বন্ধুর যত আন্তরিকতাই থাক না কেন, সে যে কোন মুহূর্তে নিজের অজ্ঞতাবশত অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বলা হয়, মূর্খ ব্যক্তি পশুর সমান। ভালোমন্দ বিচার করার যথাযথ ক্ষমতা তার নেই। অনেক সময় বন্ধুর ভালোর জন্য কিছু করলেও তার অজ্ঞতার কারণে তা বন্ধুর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। এজন্য তাকে দোষও দেওয়া যায় না। অন্যদিকে, শত্রুকে আমরা সাধারণত অনিষ্টের কারণ হিসেবেই বিবেচনা করি। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে দেখা যায়, একজন মুর্খ বন্ধু অজ্ঞতাবশত যা করতে পারে, একজন শিক্ষিত শত্রু সজ্ঞানে তেমনটি করতে পারে না। জ্ঞানের নির্মল পরশ অন্তত তাকে এ কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখতে পারে। যদি অনিষ্ট সে করে তবে সেটা হবে তার দুরাচার। আর মানুষ সব সময়ই শত্রুর দুরাচার সম্পর্কে সজাগ থাকে। ফলে শত্রুর এ চেষ্টা সফল নাও হতে পারে। কিন্তু বন্ধুর ব্যাপারে কোন সন্দেহ না থাকায় মানুষ এতটা সতর্ক থাকে না। অথচ এ অসতর্কতার ফাঁকে মূর্খ বন্ধুর অজ্ঞতাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

তাই বন্ধু নির্বাচনে জ্ঞান, প্রজ্ঞা আর শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা, জ্ঞান আলো এবং মূর্খতা অন্ধকারের সমতুল্য। আলোতে অনেক বিপদেও নিরাপদ থাকা যায়, অন্যদিকে অন্ধকারে সর্বদাই বিপদের আশঙ্কা থাকে

ABDUL MALEK
ABDUL MALEK
2 years ago
4.6k

"ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন, কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন।" 

এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "যতদিন ছিলে" কবিতার একটি অংশ। 

**ভাব-সম্প্রসারণ:** 

এই উদ্ধৃতিটি একটি গভীর জীবনদর্শনের প্রতিফলন। এখানে 'ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন' বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, ব্যক্তিগত চিন্তা, অনুভূতি বা ভাবনাগুলোকে শুধুমাত্র মনস্তাত্ত্বিক বা আবেগগতভাবে না রেখে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। 'নিলীন' শব্দের মাধ্যমে এখানে অভ্যন্তরীণ চিন্তা বা অনুভূতির গভীরতা প্রকাশ করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র অন্তরেও লুকিয়ে থাকলে চলবে না। অন্যদিকে, 'কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন' বাক্যে বলা হচ্ছে যে, আমাদের দক্ষতা, কর্মক্ষমতা ও স্বাধীনতা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করা উচিত। কর্মক্ষেত্রে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিতে পারি এবং যে কাজ করতে পারি, তা যেন আমাদের স্বাধীনতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে হয়। এখানে স্বাধীনতার সাথে সক্ষমতার সম্মিলন প্রস্ফুটিত হচ্ছে, যেখানে ব্যক্তি নিজের দক্ষতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করার স্বাধীনতা পায়। সংক্ষেপে, এই উদ্ধৃতিটি আমাদেরকে উৎসাহিত করে যে, আমাদের অভ্যন্তরীণ ভাবনা বা চিন্তাকে শুধু মনে সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব জীবনের কাজে লাগিয়ে কার্যকরীভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিজের সক্ষমতা ও স্বাধীনতা প্রমাণ করতে হবে।

উত্তরঃ

আমরা সবসময় ভাবের গহনায়, অনুভূতির গভীরতায় হারিয়ে থাকি, যেখানে কোনো এক নিস্তব্ধতা বা মাধুর্য লুকিয়ে থাকে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে, বাস্তব জীবনে সেই ভাবনার পরিবর্তে আমাদের প্রমাণিত করতে হয় আমাদের ক্ষমতা এবং স্বাধীনতার। সেখানে ভাবের বন্দি হয়ে থাকার সুযোগ নেই। আমরা যদি শুধু ভাবনায় নিমজ্জিত থাকি, তবে বাস্তবতার চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারব না।

এখানে "ভাবের ললিত ক্রোড়ে" বলতে বোঝানো হচ্ছে যে আমরা আমাদের ভাবনাগুলোকে এতটাই গুরুত্ব দিই যে সেগুলো আমাদের কর্মক্ষমতা বা স্বাধীনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু বাস্তবিকভাবে আমাদের শক্তি এবং স্বাধীনতা আমাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। আমাদের উচিত আমাদের ভাবনার সাথে সাথে কর্মক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে কাজ করা, যাতে আমাদের সক্ষমতা এবং স্বাধীনতা স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশ পায়।

এইভাবে, কবি আমাদের শেখাতে চাইছেন যে ভাবনা ও কর্মের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। ভাবনার সৌন্দর্য বা গভীরতা তার স্থানেই মূল্যবান, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও স্বাধীনতার প্রয়োগই আসল বিষয়।

Shamim Hossan
Shamim Hossan
1 year ago
2.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews