যেকোনো দেশে যেসব জীবজন্তু পশুপাখি দেখা যায় সেসব প্রাণী সেই দেশের অমূল্য সম্পদ। দেশের জলবায়ু আবহাওয়া গাছপালা বৃক্ষলতা ইত্যাদি সবকিছু মিলে যে প্রাকৃতিক অবস্থার সৃষ্টি করে সেই পরিমন্ডলেই সে দেশের প্রাণিকুল জীবনধারণ করে থাকে। যদি তেমন অবস্থার বিঘ্ন ঘটে, তখন জীবজন্তু পশুপাখি সকলেরই বেঁচে থাকা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

পানকৌড়ি কাজল বিলে সুখে নাইছে।

উত্তরঃ

জোনাক পোকা সন্ধ্যার আবছা অন্ধকারে আলো জ্বালিয়ে আনন্দের সঙ্গে খেলছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনন্য উপকরণ জোনাক পোকা। এর সৌন্দর্য ও আকর্ষণ একমাত্র সন্ধ্যার অন্ধকারেই বোঝা যায়। এ প্রাণীটি প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য শোভা আর এক ধাপ বৃদ্ধি করে। তাই বলা যায়, জোনাক পোকা সন্ধ্যার আবছা অন্ধকারে আলো জ্বালিয়ে আনন্দের সঙ্গে খেলা করতে থাকে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'বাঁচতে দাও' কবিতায় প্রাণিকুলের স্বাধীনতা হরণে যে বিপর্যয় সৃষ্টি হয় সে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

প্রকৃতির প্রতিটি বস্তুই একটি অন্যটির ওপর নির্ভরশীল। একটির ধ্বংস অন্যটির ওপর হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এভাবে বিপর্যস্ত হতে থাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে প্রাণিকুল ও জীবজন্তুর কথা। বিভিন্ন ধরনের প্রাণিকুল ও জীবজন্তু প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে চলেছে। মানুষ পরিবেশের নানামুখী সমস্যা তৈরি করছে। ফলে পরিবেশে নানা ধরনের বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। 'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি শামসুর -রাহমান প্রকৃতির সব প্রাণী ও জীবজন্তুকে স্বাধীনভাবে বাঁচতে দেওয়ার কথা বলেছেন। কবির মতে, প্রাণিকুলের স্বাধীনতা হরণ হতে থাকলে পরিবেশের নানামুখী বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে 'বাঁচতে দাও' কবিতার প্রাণিকুলের স্বাধীনতা হরণে সৃষ্ট বিপর্যয় স্পষ্ট। হয়ে উঠেছে।

উত্তরঃ

"উদ্দীপক এবং 'বাঁচতে দাও' কবিতায় প্রাণিকুলের স্বাভাবিক বিকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে।"- মন্তব্যটি যথাযথ।

স্বাধীনতার স্বাদ কে না চায়? মানুষ যেমন স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে চেষ্টা করে তেমনই অন্য প্রাণীরাও চায় স্বাধীনভাবে বাঁচতে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে- গাছপালা, পশুপাখিসহ অন্যান্য উপকরণ প্রকৃতির ঐশ্বর্যকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করতে থাকে। সব প্রাণীর সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ ও স্বাধীনতা থাকা উচিত। 'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি শামসুর রাহমান প্রকৃতির সব প্রাণীর স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। যদি প্রকৃতির প্রাণিকুলের বেড়ে ওঠার পথে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয় তাহলে পরিবেশের ধ্বংস অনিবার্য।

উদ্দীপকে যেমন প্রাণিকুলের' স্বাভাবিক বিকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে তেমনই 'বাঁচতে দাও' কবিতাতেও সব প্রাণীর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশের কথা আলোচিত হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।

100

বাঁচতে দাও

শামসুর রাহমান

এই তো দ্যাখো ফুলবাগানে গোলাপ ফোটে,
ফুটতে দাও।
রঙিন কাটা ঘুড়ির পিছে বালক ছোটে,
ছুটতে দাও।
নীল আকাশের সোনালি চিল মেলছে পাখা,
মেলতে দাও।
জোনাক পোকা আলোর খেলা খেলছে রোজই,
খেলতে দাও।
মধ্য দিনে নরম ছায়ায় ডাকছে ঘুঘু,
ডাকতে দাও।
বালির ওপর কত্ত কিছু আঁকছে শিশু,
আঁকতে দাও।
কাজল বিলে পানকৌড়ি নাইছে সুখে,
নাইতে দাও।
গহিন গাঙে সুজন মাঝি বাইছে নাও,
বাইতে দাও।
নরম রোদে শ্যামা পাখি নাচ জুড়েছে,
নাচতে দাও।
শিশু, পাখি, ফুলের কুঁড়ি-সবাইকে আজ
বাঁচতে দাও।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কাজল বিলে পানকৌড়িকে নাইতে দেওয়ার আহ্বান দ্বারা কবি প্রাণিজগতের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত না করার কথা বুঝিয়েছেন।

প্রকৃতি ও পরিবেশ প্রাণিজগতের বেঁচে থাকার প্রধান আশ্রয়। কিন্তু মানুষের হাতেই দিন দিন এগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ফলে বিপন্ন হচ্ছে প্রাণীর জীবন। পানকৌড়ি জলচর প্রাণী। বিলে-ঝিলে তাদের জীবনের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটে। কিন্তু বিল ভরাট করা হলে তাদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। তাই বিলে যেন পানকৌড়ি নাইতে পারে তার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

488
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে 'বাঁচতে দাও' কবিতার শিশুর কাজটির সাদৃশ্য রয়েছে।

প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহজ-স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের বেড়ে ওঠার পথে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

উদ্দীপকে নাজির সাহেব ছোটবেলায় সাঁতার শিখেছিলেন। গ্রামের বাড়িতে আগের মতো খাল-বিল-পুকুর না থাকাতে সন্তানদের সাঁতার কাটা শেখাতে পারছেন না। 'বাঁচতে দাও' কবিতায়- কবি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের কথা বলেছেন। শিশু তার স্বাভাবিক পরিবেশ পেলে সুস্থভাবে বেড়ে উঠবে। এসব দিক দিয়েই উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে 'বাঁচতে দাও' কবিতার শিশুর কাজে সাদৃশ্য রয়েছে।

261
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্যে 'বাঁচতে দাও' 'কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে।- মন্তব্যটি যথার্থ।

আধুনিক জীবনযাপনের জন্য মানুষ নগরায়নের দিকে ঝুঁকছে। আর এই নগরায়নসহ মনুষ্যসৃষ্ট নানা কারণে পরিবেশ বিপর্যস্ত হচ্ছে।

উদ্দীপকের নাজির সাহেব নিজে সাঁতার কাটা শিখতে পেরেছিলেন, কিন্তু তার সন্তানদের শেখাতে পারছেন না। কারণ বর্তমানে মানুষ তার প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে, যার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের দুর্গতি বাড়ছে। 'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি পরিবেশের যে বিপর্যয় অবস্থা এটার ক্ষতিকর দিকটা উপস্থাপন করেছেন। প্রকৃতি তার আপন নিয়মে চলে। এ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটলে মানুষের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এক সময় নদী-নালা-খাল-বিল-পুকুরে ভরা ছিল এদেশ। কিন্তু বিভিন্ন কারণে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটেছে। উদ্দীপকের নাজির সাহেবের এই আক্ষেপে 'বাঁচতে দাও' কবিতার কবির পরিবেশ সম্পর্কে আশঙ্কা প্রতিধ্বনিত হয়েছে। তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ।

244
উত্তরঃ

'ফুটতে দাও, ছুটতে দাও'- এ কথাগুলো দ্বারা কবি জীবনের স্বাভাবিক বিকাশের পথে বাধাহীনতার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।

প্রত্যেক মানুষ ও প্রাণী তার উপযোগী পরিবেশেই বসবাস করে। আর সেই পরিবেশ যদি পরিবর্তন হয়ে যায় তবে তার বেঁচে থাকার আনন্দই বৃথা হয়ে যাবে। তাই গোলাপ যেভাবে ফোটে, তাকে সেভাবে। ফুটতে দিতে হবে এবং বালক যেভাবে ঘুড়ির পেছনে ছোটে, তাকে সেভাবেই ছুটতে দিতে হবে, তা না হলে উভয়ের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। আলোচ্য কথাগুলো দ্বারা কবি এটিই বোঝাতে চেয়েছেন।

420
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews