রক্তের তরল অংশকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে। রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ। অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ: আয়োডিন এবং O₂, CO₂ এবং N₂ জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ। জৈব পদার্থগুলো হলো-১. খাদ্যসার, ২. রেচন পদার্থ, ৩. প্রোটিন, ৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি,
৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন এবং ৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ।
Related Question
View Allরক্ত সংবহনতন্ত্র এর মাধ্যমে দেহের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের রসদ সারা শরীরে প্রবাহিত হয়।
রক্ত, হূৎপিন্ড ও রক্তবাহিকার সমন্বয়ে গঠিত তন্ত্রের নাম রক্ত সংবহনতন্ত্র।
হৃৎপিন্ড হৃদপেশি দিয়ে তৈরি ।
আকার, আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে রক্ত বাহিকা ৩ ধরনের।
হৃৎপিন্ড প্রাণিদেহে পাম্পের মতো কাজ করে।
ধমনির মাধ্যমে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে সারাদেহে প্রবাহিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!