'সাইক্লোন' কবিতায় অনেক প্রাণীর নাম এসেছে। গরু, মোষ, লক্ষ্মীপ্যাঁচা, পক্ষীছানা, মাছ, শেয়াল, কুকুর, কুঁকড়ো, শালিক এসব প্রাণীর উল্লেখ আছে। ঝড়ে তারা সবাই বিপদে পড়েছে। অনেক প্রাণী উড়ে গেছে, আবার কেউ কেউ ডুবে গেছে। মূলত এই কবিতায় প্রকৃতির তাণ্ডর বোঝানো হয়েছে। এই তাণ্ডবে সকল প্রাণীই আক্রান্ত হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় ঝড়ে কৃষকের বেহাল দশার কথা উঠে এসেছে। কবিতায় দেখা যায়, ঝড়ের তাণ্ডবে কৃষকের কষ্টে উৎপাদিত সরষে, যব উড়ে গেছে। মূলত এখানে বোঝানো হয়েছে কৃষকের জীবিকার ক্ষতিসাধন, যা আসলে তাদের অসহায় অবস্থাকে নির্দেশ করে।
'সাইক্লোন' কবিতায় মানুষের শোচনীয় অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে মানুষ অসহায়। হারান মাঝি, পরান শেখ ঝড়ের বাতাস ফুঁড়ে ডাক দিচ্ছে। তারা মূলত সাহায্যের জন্য ডাকছে। কারণ তারা ঝড়ের তীব্রতায় ভীত ও অসহায়। তারা ভীত হয়ে যার যার ধর্ম অনুসারে আজান দিচ্ছে ও শাঁখ বাজাচ্ছে। মূলত ঝড়ের তীব্রতা যে মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে সেই দিকটি এই কবিতায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
"আকাশ ভেঙে কাচের গুঁড়ো" লাইনটি দ্বারা বজ্রপাতের দৃশ্য বোঝানো হয়েছে। আকাশ ভেঙে কাচের মতো ঝলকানি হচ্ছে। এটি ঝড়ের ভয়াবহতা নির্দেশ করে। ঝড়ের সময় যেন পুরো আকাশ ভেঙে কাচের মতো গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে। কবিতায় এই চরণ দ্বারা বোঝানো হয়েছে- প্রকৃতির বিরূপ রূপ কতটা ভয়ংকর হতে পারে।
'সাইক্লোন' কবিতার মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন, প্রকৃতির কাছে মানুষ কত অসহায়। বিরূপ প্রকৃতি মানুষের জীবন, ফসল, ঘরবাড়ি সবকিছু ধ্বংস করতে পারে। প্রকৃতি মানুষের জীবন সহজে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। প্রকৃতির শক্তি চিরন্তন ও অপরিসীম।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All'সাইক্লোন' কবিতায় প্রথমে চাল, ডাল, গরু ও মোষ উড়তে দেখা যায়।
'সাইক্লোন' কবিতায় বই ও পাঁজি উড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এগুলো দ্বারা জ্ঞানের ও সভ্য জগতের ধ্বংস বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় সরষে ও যব ফসলের কথা এসেছে কৃষির প্রসঙ্গে। এখানে ফসল ও জীবিকার ক্ষতি বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় পাখির ঝড়ে উড়ে যাওয়ার অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এখানে লক্ষ্মীপ্যাঁচা ও পক্ষীছানার কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া শালিকের কথাও আছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় তিনজন মানুষের নাম আছে। যথা-হারান মাঝি, পরান শেখ এবং চম্পাবতী।
"উঠল আজান, বাজল. শাঁখ”- এর দ্বারা ধর্মীয় প্রার্থনা বা সাহায্য কামনার বিষয়টি ব্যক্ত করা হয়েছে। যার যার ধর্মানুযায়ী মানুষ বিপদের মুখে আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!