'সাইক্লোন' কবিতার মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন, প্রকৃতির কাছে মানুষ কত অসহায়। বিরূপ প্রকৃতি মানুষের জীবন, ফসল, ঘরবাড়ি সবকিছু ধ্বংস করতে পারে। প্রকৃতি মানুষের জীবন সহজে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। প্রকৃতির শক্তি চিরন্তন ও অপরিসীম।
Related Question
View All'সাইক্লোন' কবিতায় প্রথমে চাল, ডাল, গরু ও মোষ উড়তে দেখা যায়।
'সাইক্লোন' কবিতায় বই ও পাঁজি উড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এগুলো দ্বারা জ্ঞানের ও সভ্য জগতের ধ্বংস বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় সরষে ও যব ফসলের কথা এসেছে কৃষির প্রসঙ্গে। এখানে ফসল ও জীবিকার ক্ষতি বোঝানো হয়েছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় পাখির ঝড়ে উড়ে যাওয়ার অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। এখানে লক্ষ্মীপ্যাঁচা ও পক্ষীছানার কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া শালিকের কথাও আছে।
'সাইক্লোন' কবিতায় তিনজন মানুষের নাম আছে। যথা-হারান মাঝি, পরান শেখ এবং চম্পাবতী।
"উঠল আজান, বাজল. শাঁখ”- এর দ্বারা ধর্মীয় প্রার্থনা বা সাহায্য কামনার বিষয়টি ব্যক্ত করা হয়েছে। যার যার ধর্মানুযায়ী মানুষ বিপদের মুখে আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!